লোকসমাজ ডেস্ক ॥ প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছুটে এসেছেন এক চীনা যুবক। দীর্ঘ এক বছরের অনলাইন সম্পর্কের পরিণয় টানতে সোমবার (২০ এপ্রিল) স্থানীয় তরুণী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন চীনা যুবক চেন বাও মিং (২৩)। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে তাসলিমা খাতুনের পিতা মধু মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার বাহিরচর ইউনিয়নের পশ্চিম বেহলা গ্রামের মধু মোল্লার মেয়ে তাসলিমা খাতুনের (২০) সঙ্গে চীনের গাতসু প্রদেশের বাসিন্দা চেন ইউয়ানঝির ছেলে চেন বাও মিংয়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়। দীর্ঘ এক বছর অনলাইনে আলাপচারিতার মাধ্যমে তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
চেন বাও মিং পেশায় একজন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী। পরিবারের সম্মতি নিয়েই গত সোমবার তিনি বাংলাদেশে পৌঁছান। এরপর উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে কুষ্টিয়া আদালতে তাদের আইনি বিবাহ (কোর্ট ম্যারেজ) সম্পন্ন হয়। বর্তমানে এই দম্পতি ভেড়ামারায় তাসলিমার বাড়িতেই অবস্থান করছেন।
বিদেশি জামাই আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে তাসলিমার বাড়িতে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। আশপাশের গ্রাম থেকেও শত শত মানুষ চীনা এই যুবককে একনজর দেখতে আসছেন। এলাকাবাসীর মধ্যে এই বিয়ে নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতুহল লক্ষ্য করা গেছে। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে তাসলিমা খাতুন বলেন, উভয় পরিবারের সম্মতিতেই আমাদের বিয়ে হয়েছে। আমার শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে আমার বাবা-মায়ের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। আমি এই বিয়েতে খুবই খুশি।
চীনা যুবক চেন বাও মিং জানান, পারিবারিক অবস্থা যা-ই হোক, আমি তাসলিমাকে ভালোবাসি। তার পরিবার খুবই দয়ালু ও বন্ধুসুলভ, তাদের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। খুব দ্রুতই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আমি আমার স্ত্রীকে চীনে নিয়ে যেতে চাই।
প্রেমের টানে চীনা যুবক কুষ্টিয়ায়
সত্য ও ন্যায়ের পথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান শিবির সভাপতির
স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ ॥ যশোর শহরের বিডি হলে শুক্রবার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ‘বাছাইকৃত কর্মী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বর্তমান সমাজের বিশৃঙ্খলা ও অন্যায় দূর করার একমাত্র পথ হলো ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করা। তিনি বলেন, ক্ষমতার লিপ্সা নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যমে একটি শোষণমুক্ত সমাজ গড়তে ছাত্রশিবির ও ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ক্যাম্পাসে শিবিরের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এমনকি জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে আঁকা গ্রাফিতি মুছে দিয়ে সেখানে আপত্তিকর শব্দ লেখা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে ফেরার পথে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে শিক্ষকরাও আহত হন।
যশোর জেলা পূর্ব শাখার সভাপতি এম মিনারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আবু জাফরের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মাদরাসা সম্পাদক হাফেজ ইসমাইল হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন যশোর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গাজী এনামুল হক, যশোর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু জাফর, সহকারী সেক্রেটারি মনিরুল ইসলাম, শিবিরের সাবেক শহর সভাপতি এইচ এম শামীম এবং শহর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি গাজী মুকিত।
চৌগাছায় শহীদ জিয়ার প্রতিষ্ঠিত তুলা খামার সংকটে, উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি দাবি
মুকুরুল ইসলাম মিন্টু, চৌগাছা (যশোর), লোকসমাজ : দিনটি ছিলো বৃহস্পতিবার। বাংলা ১৩৮৭ বঙ্গাব্দের ৪ অগ্রহায়ণ। আর ইংরেজি ১৯৮০ সালের ২০ নভেম্বর। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে চৌগাছার আকাশ স্পর্শ করে দুটি হেলিকপ্টার। এর একটিতে ছিলেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। হেলিকপ্টার দুটি পর্যায়ক্রমে ল্যান্ড করে চৌগাছার জগদীশপুর গ্রামের মাঠে। নেমেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হাত নেড়ে সাধারণ মানুষকে অভিবাদন জানান। এরপর চৌগাছাবাসীকে তিনি উপহার দেন দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ তুলা গবেষণা ও বীজবর্ধন খামার। শহীদ জিয়ার হাতে গড়া খামারটি আজ নানা সমস্যায় জর্জরিত। তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান আজ প্রধানমন্ত্রী। তাই চৌগাছাবাসী মনে করছেন, এ খামারটি এবার প্রাণ পাবে। এ ব্যাপারে তারা প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন।
চৌগাছা উপজেলার এক নিভৃত পল্লী জগদীশপুর। এই গ্রামের মাছে ৪৬ বছর আগে পদধুলি দেন স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি মাঠটি ঘুরে দেখে জগদীশপুর প্রাইমারি স্কুল মাঠের সুধী সমাবেশে মাঠের ১৫৭ একর জমিতে তুলার খামারের খামারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, যে স্থানটিতে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দাঁড়িয়ে খামারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সেটি বর্তমান খামার কর্তৃপক্ষ নতুনভাবে সাজাচ্ছেন।
কথা হয় জগদীশপুর তুলা গবেষণা ও বীজবর্ধন খামারের কটন অ্যাগ্রোনমিস্ট ড. মোহাম্মদ জোবায়ের ইসলাম তালুকদারের সাথে। তিনি বলেন, খামারটি হতে তুলা গবেষণা, প্রজনন, হাইব্রিড ও ভিত্তিবীজ উৎপাদন এবং বিতরণ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান। খামারে উদ্ভাবিত জাত যশোর, ঝিনাইদাহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া অঞ্চলের চাষিরা ব্যাপকভাবে চাষাবাদ করেছেন। সফলতা পেয়েছেন। কিন্তু পরে সে ধারাবাহিকতা আর থাকেনি। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কয়েকবার কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি।
তিনি জানান, এখানে মোট ২৮টি পদ আছে। সব পদেই জনবল থাকা জরুরি। অথচ বছরের পর বছর ১৩টি পদ শূন্য রয়েছে। মাত্র ১৫ জন কর্মকর্তা -কর্মচারী বৃহৎ এই খামারের কাজ পরিচালনা করছি।
সূত্রে জানা গেছে, খামারের মোট জমির পরিমাণ ৬৩ দশমিক ৭০ হেক্টর বা ১৫৭ একর। যার মধ্যে গবেষণা, প্রজনন বীজ, ভিত্তিবীজ ও হাইব্রিড বীজ উৎপাদনে ব্যবহৃত ৪৭ হেক্টর, সবুজ সারের বীজ উৎপাদনে ১ হেক্টর, খেজুর ও তাল গাছের বাগান দশমিক ৬০ হেক্টর, অন্যান্য বাগান ৪ দশমিক ১৪ হেক্টর, পুকুর দশমিক ৪০ হেক্টর, ইমারত ২ হেক্টর, রাস্তা ১ দশমিক ৪০ হেক্টর, ঔষধি বাগান দশমিক ৫০ হেক্টর ও পতিত জমির পরিমাণ ৬ দশমিক ৬৬ হেক্টর। খামারটির জমি বেলে, উঁচু ,নিচু ও অনুর্বর হওয়ায় ফসলের উৎপাদন অনেক কম। তাই আবাদি জমির উন্নয়ন করা জরুরি।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি এমএ সালাম বলেন, জগদীশপুর তুলা ফার্মটি আমাদের গৌরবের প্রতিষ্ঠান। নানা কারণে এই প্রতিষ্ঠানটি আজ হুমকির মুখে।
যশোর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহুরুল ইসলাম বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু জগদীশপুর তুলা খামার করেছেন এমনটি না, তিনি চৌগাছাকে থানায় রূপ দিয়েছেন। বিগত স্বৈরাচার তুলা গবেষণা বীজবর্ধন খামারটি ধ্বংস করে গেছে। বর্তমান প্রধানমস্ত্রী তারেক রহমান পিতার হাতে গড়া এই প্রতিষ্ঠানটি ঢেলে সাজাবেন। খামারটি আবার আগের জায়গায় ফিরে যাবে বলে আমি মনে করি।
উদ্বোধনই সার মহেশপুরের ২০ শয্যার হাসপাতাল!
জিয়াউর রহমান জিয়া, মহেশপুর (ঝিনাইদহ) ॥ মহেশপুর উপজেলার ভৈরবা সাঁকোর খাল এলাকায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে সীমান্তবর্তী ৫টি ইউনিয়নের দেড় লাখ মানুষের সেবার জন্যে নির্মিত হয় ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল। উদ্বোধন করেছিলেন আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। কিন্তু উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও হাসপাতালটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
ফলে মহেশপুর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের প্রায় ৬০ টি গ্রামের মানুষ জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই হাসপাতালটি সীমান্তবর্তী মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে নির্মাণ করা হলেও এখনো তার কার্যক্রম শুরু হয়নি জনবলের অভাবে।
চালু না হওয়ায় হাসপাতালের ভবনটির বিভিন্ন স্থানে পলেস্তরা খসে পড়েছে। পাহারাদার না থাকায় হাসপাতালের মালামালও চুরি হয়ে যাচ্ছে।
বাগান মাঠ গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হোসেন বলেন, ২০ কোটি টাকা দিয়ে নির্মিত হাসপাতাল মন্ত্রী এসে চালু করলো। কিন্তু আজ পর্যন্ত দেখলাম না কোনো ডাক্তার আসতে। যদি চালুই না হয় তাহলে হাসপাতাল করে লাভ কি? আমরা চাই হাসপাতালটি তাড়াতাড়ি চালু করা হোক।
বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা জিন্টু জানান, হাসপাতালটি চালু হলে গ্রাম এলাকার অসহায় মানুষ খুব সহজেই স্বাস্থ্যসেবা নিতে পারতো।
মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পানা কর্মকর্তা ডা. হেলেনা আক্তার নিপা জানান, উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে ভৈরবা সাঁকোর খাল এলাকায় ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর হাসপাতালটি উদ্বোধন করা হয়।
ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান জানান,হাসপাতালটি চালুর জন্যে প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত চালুর ব্যবস্থা করা হবে। হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে সীমান্ত এলাকার ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবেন।
নড়াইলে অনলাইন প্রতারক চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘চাঁদপুরের ইলিশ’ স্বল্পমূল্যে সরবরাহের আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রতারিত করার অভিযোগে চার সদস্যের একটি চক্রকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেফতাররা হলেন নড়াইল সদর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আকাশ শেখ (২০), একই এলাকার ফারুক মোল্যা ওরফে অনিক (২২), পাইকড়া গ্রামের লিমন শেখ (২১) এবং লিমন মোল্যা (২২)। পুলিশ জানায়, ‘ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর’, ‘ফিশ ভ্যালি’, ‘ইলিশ ভাইয়া চাঁদপুর’সহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খুলে চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে ইলিশ মাছ সরবরাহের প্রলোভন দেখিয়ে ক্রেতাদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিতো চক্রটি। এক ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্তে নেয় পুলিশ।
নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ আল মামুন শিকদারের নির্দেশে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও জেলা গোয়েন্দা শাখার যৌথ একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেফতার করে। অভিযানে আসামিদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ৮টি মোবাইল ফোন, অন্যের নামে নিবন্ধিত ১৩টি সিম কার্ড এবং ৩টি ব্যাংক কার্ড জব্দ করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন, তারা বিভিন্ন নামে অনলাইন পেজ খুলে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে প্রতারণা করতেন। পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং এ ধরনের অনলাইন প্রতারণা দমনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
শরণখোলায় জমির বিরোধে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা
বাগেরহাট সংবাদদাতা॥ বাগেরহাটের শরণখোলায় জমি নিয়ে বিরোধে আব্দুল হানিফ হাওলাদার (৬০) নামে এক ব্যক্তি খুন হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার রাজৈর গ্রামে ঘটনা ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহতের প্রতিবেশী বাবুল হাওলাদারের সাথে আব্দুল হানিফের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার সকালে হানিফ বিরোধপূর্ণ জমিতে গেলে বাবুল হাওলাদার এবং তার দুই ছেলে রাফি ও রাজ্জাক তার উপর হামলা করে। এ সময় হানিফকে মারধর ও ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। আহত অবস্থায় হানিফ নিজেই সকাল ৯ টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হন।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. নওশিন বলেন, হাড়সহ হাতের কব্জি কাটায় তিনি গুরুতর জখম হয়েছেন। দ্রুত তার রক্তক্ষরণ বন্ধ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় তাকে।
এ সময় হানিফের সাথে কেউ না থাকায় আহত ব্যক্তিকে দ্রুত সময়ে খুলনা মেডিকেলে না নেওয়ায় সকাল ১০টার দিকে শরণখোলা হাসপাতালেই হানিফ মারা যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও হাতের কব্জির হাড়সহ অনেকগুলো শিরা কেটে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে মেডিকেল অফিসার জানান।
শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ শামিনুল হক বলেন,পুলিশ খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে মৃত হানিফের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
যশোর ইনস্টিটিউটের নির্বাচনে সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতির নিরঙ্কুশ বিজয়
স্টাফ রিপোর্টার,লোকসমাজ : যশোর ইনস্টিটিউট পরিচালনা পর্ষদের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছেন এ.জেড.এম সালেক স্বপন ও কাসেদুজ্জামান সেলিম নেতৃত্বাধীন ‘সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি’। ২০টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এ প্যানেল থেকে ১৭ জন নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ’ থেকে নির্বাচিত হয়েছেন বাকি ৩ জন।
নবনির্বাচিত ২০ সদস্য আগামী তিন বছর ১৮৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ১৬৭ বছরের ঐতিহ্যবাহী যশোর ইন্সটিটিউট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন। পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করা হবে। প্রতিষ্ঠানটির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী জেলা প্রশাসক সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও যশোর সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসাইন ফল ঘোষণা করেন।
ফলাফলে ‘সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি’র প্রার্থী কবি কাসেদুজ্জামান সেলিম সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪৮৮ ভোট পেয়েছেন। ৩ হাজার ২৯ জন ভোটারের মধ্যে ২ হাজার ২৭৭ জন ভোট দেন।
নির্বাচিত অন্যান্যের মধ্যে রয়েছেন রায়হান সিদ্দিকী প্রবাল প্রাপ্ত ভোট ১,১৭১- প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
এ.জেড.এম সালেক (স্বপন) প্রাপ্ত ভোট-১,১৫৩ প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
অধ্যাপক ইবাদত আলী- প্রাপ্তভোট- ১,১৩৬, প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
সৈয়দ শাহাজাহান আলী (খোকন) -১,১৩৩- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
সানোয়ার আলম খান দুলু – প্রাপ্ত ভোট-১,১০৫ -প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
ড. শাহনাজ পারভীন- প্রাপ্ত ভোট- ১,১০১ -প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
জিল্লুর রহমান মানিক- প্রাপ্ত ভোট- ১,০৯১প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
নাসির উদ্দীন মিঠু, প্রাপ্ত ভোট- ১,০৭০ প্যানেল- পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ,
মাহমুদ হাসান বুলু (অ্যাডভোকেট), প্রাপ্ত ভোট ১,০৬৮ প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
শেখ জুলফিকার আলী,-প্রাপ্ত ভোট- ১,০৫৩- প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
শাহনেওয়াজ আনোয়ার লেনিন- প্রাপ্ত ভোট- ১,০৩৭,-প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
এমরান সাদিক- প্রাপ্ত ভোট- ১,০২৬ -প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
আনিসুজ্জামান পিন্টু- প্রাপ্ত ভোট-১,০০৬- প্যানেল- পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ,
এস.এম মুস্তাফিজুর রহমান কবির- প্রাপ্ত ভোট ৯৯৫-প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
অ্যাডভোকট আবুল কায়েস- প্রাপ্ত ভোট ৯৮২ প্যানেল- সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
আলমগীর হোসেন- প্রাপ্ত ভোট ৯৮০-প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
হাচিনুর রহমান প্রাপ্ত ভোট-৯৭৯ -প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
শাহাবুদ্দিন আহমেদ সাবু -প্রাপ্ত ভোট ৯৪৪ -প্যানেল সংস্কার ও উন্নয়ন সমিতি,
হাবিবুর রহমান রুবেল -প্রাপ্ত ভোট ৮৬৬ প্যানেল- পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ।
বিজিত্য ২২ প্রার্থী ও প্রাপ্ত ভোট-
নাছিম উদ্দিন খান ৮৬১, মনজুর কাদের মঞ্জু ৮৩৯,অজয় দত্ত ৮৩৮, আক্তারুজ্জামান ৮৩৫, শারমিন সুলতানা (সাথী) ৮২৩, মতাজ খাতুন ৮২০, চঞ্চল কুমার সরকার ৮০৮, এস এম তোজাম্মেল হক ৭২৬, ফেরদৌস হোসেন আলমগীর ৭২৩, তরিকুল ইসলাম ৭১৬, আবুল কালাম আজাদ (মামুন আজাদ) ৭১৩, আবুল হাসিম রেজা ৭১২, সালমান হোসেন ৬৮২, বদরুজ্জামান ৬৭৪, শাহাবুদ্দীন ৬১৩, জাকির হোসেন ৫৮৬, নূর-ই-আলী-নূর-মামুন ৫৪৩, শেখ সাদী হ্যাভেন ২৪৩, জুবায়ের হোসেন ২৩৮, মাহবুবুর রহমান ২১৬, এম. নূরুন নবী ১৮২ ও হাসেম আলী ১৭০ ভোট।
দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহবুবুর রহমান ২১৬ ভোট ও এম. নূরুন নবী ১৮২ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছেন।
শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টাউন হল চত্বরের ৩টি কেন্দ্রের ৪৫টি বুথে ভোট নেওয়া হয়। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে ভোটাররা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দেন।
প্রায় দুই শতাব্দির প্রাচীন এই প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন জেলার সামাজিক স্তরে মর্যাদাপূর্ণ। যারা এবছর নির্বাচন করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব। ‘পরিবর্তন ও উন্নয়ন পরিষদ’ প্যানেলে একটি রাজনৈতিক দল জামায়াত ইসলামীর আধিপত্য ছিল। তবে তারা কেউ-ই নির্বাচিত হতে পারেননি। এছাড়া জাসদ থেকে অ্যাডভোকট আবুল কায়েস ও বাসদ থেকে হাচিনুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
এপস্টেইন চক্রের আরও ভয়ংকর তথ্য ফাঁস

লন্ডনে কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মানবপাচার ও যৌন নিপীড়ন চক্রের ভয়াবহ চিত্র ফাঁস করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নামে পরিচিত লাখ লাখ ইমেইল, ব্যাংক রেকর্ড এবং রসিদ বিশ্লেষণ করে এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লন্ডনের অভিজাত এলাকা কেনসিংটন এবং চেলসিতে এপস্টেইন চারটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন, যেখানে যৌন নিপীড়নের শিকার নারী ও তরুণীদের রাখা হতো।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপের অন্তত ছয়জন নারীকে এসব ফ্ল্যাটে রাখা হয়েছিল, যারা পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০১৫ সালে ভার্জিনিয়া জুফ্রে নামক এক নারী এপস্টেইনের বিরুদ্ধে লন্ডনে মানবপাচারের অভিযোগ তোলার পরও ব্রিটিশ পুলিশ কোনো তদন্ত শুরু করেনি। পুলিশের এই নিষ্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে এপস্টেইন ২০১৯ সালে গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত তার অপরাধ সাম্রাজ্য পরিচালনা করেছেন। নথিপত্র অনুযায়ী, এপস্টেইন নিজেকে এসব নারীর ‘বাড়িওয়ালা’ হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং তাদের পড়াশোনা ও জীবনযাত্রার খরচ জোগাতেন। বিনিময়ে অনেককে যৌন পাচার চক্রে নতুন নারী সংগ্রহের কাজ করতে বাধ্য করা হতো।
তদন্তে আরও উঠে এসেছে যে, ২০১১ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ইউরোস্টার ট্রেনের মাধ্যমে তিনি অন্তত ৫৩ বার নারীদের ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যে আনা-নেওয়া করেছেন। এর মধ্যে ৩৩টি টিকিট কেনা হয়েছিল ২০১৫ সালে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর। মানবাধিকার আইনজীবী টেসা গ্রেগরি এবং সাবেক ব্রিটিশ গোয়েন্দা কর্মকর্তা কেভিন হাইল্যান্ড পুলিশের এই ভূমিকাকে বড় ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এই কেলেঙ্কারিতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এবং অভিজাত ব্রিটিশ নাগরিক ক্লেয়ার হ্যাজেল-এর নামও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ভুক্তভোগীরা এখন পুলিশের গাফিলতি খতিয়ে দেখতে একটি প্রকাশ্য গণতদন্তের দাবি জানাচ্ছেন।
তারেক রহমানের যশোর আগমন ঘিরে স্বেচ্ছাসেবক দলের শুভেচ্ছা মিছিল; অমিতের উপস্থিতিতে উজ্জীবিত কর্মীরা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগামী ২৭ এপ্রিলের ঐতিহাসিক যশোর সফর সফল করার লক্ষ্যে শুভেচ্ছা মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শুভেচ্ছা মিছিল ও শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়।
এদিনের মিছিলে প্রধান আকর্ষণ ও অনুপ্রেরণা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার উপস্থিতি মিছিলে অংশগ্রহণকারী হাজার হাজার নেতাকর্মীর মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণকালে নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে রাজপথ মুখরিত করে তোলেন এবং প্রিয় নেতা তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতৃবৃন্দ জানান, ২৭ এপ্রিলের জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে তারা বদ্ধপরিকর। প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি অংশগ্রহণে তৃণমূলের কর্মীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি উজ্জীবিত। সফরকে কেন্দ্র করে যশোর জেলাজুড়ে এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
চুড়ান্ত মনোনীত সংরক্ষিত এমপি সাবিরা সুলতানাকে ঝিকরগাছায় ফুলেল শুভেচ্ছা

যশোর থেকে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে সাবিরা সুলতানা মুন্নী চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ায় তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে কেন্দ্রীয় বিএনপির এই সদস্য ও ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি তার নিজস্ব কার্যালয়ে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
মনোনয়নপ্রাপ্তির পর প্রথমবার নিজ এলাকায় আসায় ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সাবিরা সুলতানাকে বরণ করে নেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি ইউনুচ আলী দফাদার, চৌগাছা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম চঞ্চল, ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম এবং পৌর বিএনপির সভাপতি রুহুল আমিন সুজন।
এ ছাড়া বাঁকড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শামছুর রহমানসহ হাজিরবাগ, শংকরপুর, গঙ্গানন্দপুর, শিমুলিয়া, নাভারন, গদখালী ও নির্বাসখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ এবং মহিলা দলের নেতৃবৃন্দ তাকে আলাদাভাবে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তৃণমূল থেকে উঠে আসা সাবেক এই উপজেলা চেয়ারম্যান সংরক্ষিত আসনে এমপি মনোনীত হওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।







