সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরে জীবন কাটে বনজীবীদের

0

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ সুন্দরবনে শুধুমাত্র কাঁকড়া ধরেই জীবিকা নির্বাহ করেন অনেকে। তিন মাস নিষেধাজ্ঞার পর ১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে কাঁকড়া আহরণ মওসুম। বন অফিস থেকে পাস পারমিট নিয়ে সুন্দরবনের গহীনে কাঁকড়ার সন্ধানে ছুঁটেছেন বনজীবীরা।
গত মঙ্গলবার নৌকায় বসে এ প্রতিবেদকের কথা হয় উপজেলার মহেশ^রীপুর তেঁতুলতলার চরের বাসিন্দা কামরুজ্জামান গাজী। তিনি বলেন, ৯ বছর ধরে সুন্দরবনে কা*কড়া আহরণ করি। এ কাঁকড়া স্থানীয় খোড়লকাটী বাজারে বিক্রি করি। তাই দিয়ে চাল,ডাল কিনে কোনরকম বেঁচে আছি। নেই কোনো জায়গা জমি। বাড়ির পাশে সুন্দরবনটা আছে বলে পাস পারমিট নিয়ে বনে গিয়ে কাঁকড়া ধরতে পারি। তিন মাস কাঁকড়া আহরণ নিষেধাজ্ঞার পরে বন খুলে দিয়েছে। আজকে ১২শ টাকার কাঁকড়া বিক্রি করতে পেরেছি।’
শুধু কামরুজ্জামান নয়, তাদের মতো হাজারো মানুষ সুন্দরবনের কাঁকড়া মেরে জীবন যাপন করেন। এ সময় কাঁকড়া ধরতে আসা মহেশ্বরীপুর গ্রামের আবু হানিফ, গোলাম রসুল, আরশাদ মোড়লসহ একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, সুন্দরবনের কাঁকড়া ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন তারা। টানা ৩ মাস বন্ধ থাকার পরে ১ সেপ্টেম্বর থেকে পাস নিয়ে গহীন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরছেন। এতে স্বস্তি দেখা দিয়েছে তাদের মাঝে
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, কয়রা উপজেলার কাশিয়াবাদ, কোবাদক, বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পাস পারমিট নিয়ে গহীন সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার জন্য সুন্দরবনে প্রবেশ করেছেন বন জীবিরা। তাদের নিরাপত্তার জন্য বন বিভাগ নিয়মিত টহল জোরদার রেখেছে। সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের আওতাধীন
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা নির্মল কুমার ম-ল বলেন, জুন, জুলাই, আগস্ট ৩ মাস নিষেধাজ্ঞার পর থেকে সরকারি বিধি মোতাবেক কাঁকড়া ধরার জন্য পাস পারমিট স্টেশন থেকে নিয়ে গহীন সুন্দরবন প্রবেশ করেছেন বনজীবীরা।