অপচিকিৎসার বদনাম ঢাকতে নাম পরিবর্তন করেও রক্ষা হলোনা পিস্ হাসপাতালের # যশোরে ২ স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

0

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরে অভিযান চালিয়ে সিভিল সার্জন দু’টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় আকস্মিক অভিযান চালিয়ে তিনি কাগজপত্র, জনবল, অনুমোদন না থাকা এবং ভুয়া চিকিৎসক তৈরির অভিযোগে সিভিল সার্জন এ পদক্ষেপ নিয়েছেন। বন্ধ তালিকায় ডা. মোসলেম উদ্দিনের বহুল আলোচিত ল্যাবএইড ও পরবর্তীতে পিস হাসপাতালও রয়েছে। সিভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস দৈনিক লোকসমাজকে জানিয়েছেন, গতকাল সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি তার অফিসের কর্মকর্তাদের নিয়ে শহরের মুজিব সড়কস্থ পিস্ হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেন। সেখানে তিনি দেখতে পান কোন সরকারি অনুমোদন নেই। নেই প্রয়োজনীয় জনবল। অপচিকিৎসার বদমান ঘোচাতে পূর্বের ল্যাব এইড নাম পরিবর্তন করে পিস্ হাসপাতাল নামে পরিচালিত হচ্ছে। তারপরও অপচিকিৎসা বন্ধ হয়নি। কয়েকদিন আগে সেখানে এক রোগীর মৃত্যু হয়। ভুল চিকিৎসার অভিযোগে যশোর কোতয়ালি মডেল থানায় মামলাও হয়। হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. মোসলেম উদ্দিন এ পিস। চিকিৎসক, নার্সসহ প্রয়োজনীয় জনবল ও উপকরণ নেই হাসপাতালে। যে কারণে সিভিল সার্জন হাসপাতালটি বন্ধ করে দেন এবং সীলগালা করে দেন।
এরপর জেল রোডস্থ সিএমসি ডায়াগনস্টিকের উপর তলায় “জনসেবা সংসদের অভিযান পরিচালনা করেন। সিভিল সার্জন বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের সরকারি কোন অনুমোদন নেই। নেই জনবল ও কাগজপত্র। বিনোদ কুমার নাথ নামে এক ব্যক্তি ভুয়া ডাক্তার তৈরি করার কেন্দ্র খুলে বসেছেন। বিষয়টি প্রতারনা ও সামাজিক অপরাধ হিসেবে গণ্য করে মুক্তা ইন্টারপ্রাইজ নামে জনসেবা সংসদটি তিনি বন্ধ ঘোষণা করেন এবং আর যাতে খুলতে না পারে সেজন্য এটি সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. নাজমুস সাদিক, এমওসিএস ডা. রেহেনেওয়াজ, ডা. নাসিম রেজা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা ডা. মো. আরিফ হোসেন।