অপরহরণ নয়, পাওনাদারের চাপে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন ‘১ কোটির’ জাহাঙ্গীর

0
ছবি: ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পাওনাদারের চাপের কারণে নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও তিনি এমন কথা বলেছেন।

কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবিতে পশু পাখির ওষুধ ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম অপহরণ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আবুল বাশার।

অভয়নগরের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ গোফরান বাহিনী প্রধান গোফরান ও তার সহযোগী আটকের বিষয়ে তথ্য জানাতে সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

ব্রিফিংয়ের এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা কোটি টাকা মুক্তিপণের দাবিতে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলমকে অপহরণ সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাশারের কাছে জানতে চান। তখন তিনি উল্লিখিত তথ্য জানান। তিনি বলেন, শুনেছি জাহাঙ্গীর আলমের কাছে মানুষ ৪৫ লাখ টাকা পাবেন। টাকার চাপের কারণে বাঁচার জন্য জাহাঙ্গীর আলম এ কাজটি করেছেন বলে জানতে পেরেছেন।

উল্লেখ্য, জাহাঙ্গীর আলমের শংকরপুর পশু হাসপাতালের সামনে পশু পাখির ওষুধের একটি দোকান রয়েছে।

গত ২ মার্চ রাতে দোকান বন্ধ করে সুজলপুর ১ নম্বর পাড়ার ভাড়া বাড়িতে ফেরার পথে মোটরসাইকেলসহ তাকে অপহরণ করা হয় বলে স্বজনদের অভিযোগ। পরে অপহরণকারীরা জাহাঙ্গীর আলমের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তার স্ত্রী রেশমা খাতুনের কাছে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেন।

এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন ছাড়াও কোতয়ালি থানায় মামলা করেন জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী রেশমা খাতুন। এরপর অপহরণের ৯ দিন পর গত ১১ মার্চ রাতে র‌্যাব সদস্যরা চৌগাছা থেকে মোটরসাইকেলে বাঁধা অবস্থায় জাহাঙ্গীর আলমকে উদ্ধার করেন। পরদিন জাহাঙ্গীর আলম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।