চুয়াডাঙ্গায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি

0

রিফাত রহমান, চুয়াডাঙ্গা ॥ চুয়াডাঙ্গায় আবারো দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গোটা জেলা তীব্র তাপ প্রবাহের কবলে পড়ায় বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে জনজীবন। চুয়াডাঙ্গায় একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

শুক্রবার চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান জানান,বিকেল ৩ টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা ৪১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ২৪ শতাংশ। ও সন্ধ্যা ৬টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা একই রেকর্ড করা হলেও বাতাসের আদ্রতা ছিল ৪৬ শতাংশ। দুপুর ১২টায় চুয়াডাঙ্গার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৩৩ শতাংশ।

তিনি আরো জানান, গত শুক্রবার (২ মে) বিকেল ৩টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গা শহরের কোর্ট এলাকায় যশোর-খুলনাগামী পরিবহনের কাউন্টার মাস্টার ঝুনা বলেন, ফ্যানের বাতাসও যেন গরম। বসে থেকে কাজ করা যাচ্ছে না।

যাত্রীবাহী বাস চালক আতিকুর জানান,গত রোজার পর থেকে তীব্র গরমে বাসে যাত্রী হচ্ছেনা। বাস চালিয়ে তেলের টাকা উঠছে না। গরমে যাত্রী কমে গেছে।

রিক্সা চালক শফি বলেন, ভোর থেকে রিক্সা চালানো শুরু করি। কিন্তু গরমে যাত্রী হচ্ছে না। যাত্রীদের অপেক্ষায় বসে থাকলেও শরীর ঘেমে যাচ্ছে। ইজিবাইক চালক রমজান জানান, গাড়ি আছে যাত্রী নেই। গরমে যাত্রী কমে গেছে।

ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি আব্দুর রহমান বলেন, গরমে জামাকাপড় খুলে রেখে কাজ করতে হচ্ছে। গরমে কাজ করতে খুবই সমস্যা হচ্ছে।

বর্তমানে এ জেলার ওপর দিয়ে তীব্র তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা আছে বলে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়।