নারায়ণগঞ্জ মহানগর জাপার আহ্বায়ক দলিল জালিয়াতির মামলায় রিমান্ডে

0

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ দলিল জালিয়াতির মামলায় জাপা নারায়নগঞ্জ মহানগর জাতীয় পার্টির (জাপা) আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ওরফে গিয়াস ভেন্ডারের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।সোমবার (১৬ মে) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার আলমের আদালতে পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
জালিয়াতির মাধ্যমে জাল দলিল তৈরি করে সাড়ে ১৪ একর জমি বিক্রির অপরাধের মামলায় মহানগর জাতীয় পার্টির (জাপা) এই নেতার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে, বুধবার (১১ মে) বন্দর এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। শহীদনগর এলাকার ছায়াকুঞ্জ নামে সাড়ে ১৪ একর জমির জাল দলিল তৈরি করে প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গিয়াস ভেন্ডারের বিরুদ্ধে।
নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত এক দিনের মঞ্জুর করেন। এর আগে, আদালতে বাদীপক্ষের আইনজীবী বক্তব্য রাখার সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বাধা দেন। তখন বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে।
মামলার বাদি মো. আজিজুর রহমান মিঠু জানান, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী তাদের পারিবারিক দলিল লেখক। এ সুযোগে গিয়াস উদ্দিন তাদের সব বিশ্বাস ভঙ্গ করে সই জাল করে জালিয়াতির মাধ্যমে অবৈধ দলিল তৈরি করে সেটিকে আসল হিসেবে ব্যবহার করেছে। ঘটনাটি জানতে পেরে তিনি গিয়াস উদ্দিনের কাছে জানতে চান কেন তিনি এ কাজ করেছেন। এজন্য গিয়াস তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
পরে তিনি ৮ মে নারায়ণগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন (নং ১৩৩) দায়ের করেন। আদালতের বিচারক জাল দলিল তৈরির অভিযোগটিকে গুরুতর উল্লেখ করে অধিকতর তদন্তের জন্য মামলাটি রেকর্ড করতে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের আলোকে মঙ্গলবার রাতে সদর মডেল থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়। পরে বুধবার তাকে বন্দর এলাকা থেকে আটক করা হয়। স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, শহীদনগর এলাকার ম খন্ডের ছায়াকুঞ্জ নামের সাড়ে ১৪ একর প্লটের জমির জাল দলিল তৈরি করেন মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন চৌধুরী ওরফে গিয়াস ভেন্ডার। পরে সেই জমি বিক্রি করার কথা বলে বিভিন্ন জনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। তার বিরুদ্ধে ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের চেকের মাধ্যমে ৬ কোটি টাকা আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে। (বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম)