বাগআঁচড়ায় ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ায় কেন্দ্র সচিবসহ ৬ শিক্ষককে অব্যাহতি

0
ছবি: সংগৃহীত।

আজিজুল ইসলাম, বাগআঁচড়া (যশোর) ॥ যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় কেন্দ্র সচিব ও হল সুপারসহ ৬ শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেছে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

রোববার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন। এর আগে শনিবার এক চিঠির মাধ্যমে তিনি এই নির্দেশ প্রদান করেন।

অব্যাহত পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, কেন্দ্র সচিব ও সহকারী প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, হল সুপার ও সহকারী শিক্ষক ফারুক হোসেন, পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এরশাদ আলী, পরীক্ষা কমিটির সদস্য ও এনইউআরএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার, হরিদ্রাপেতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক মহিদুল ইসলাম, বামুনিয়া সোনাতনকাটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাজহারুল ইসলাম ।

চিঠিসূত্রে জানা গেছে, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (কেন্দ্র কোড-৫৩১) কেন্দ্রে গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষায় ১২ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থীকে ভুলবশত অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র সরবরাহ করা হয়।

এতে পরীক্ষার্থীদের চূড়ান্ত ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির দায় কেন্দ্র সচিব, পরীক্ষা কমিটি এবং কক্ষ পরিদর্শক কেউই এড়াতে পারেন না।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬-এর সকল কার্যক্রম থেকে উল্লিখিত ৬ জনকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্রের জ্যেষ্ঠ কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান, পরীক্ষা সংক্রান্ত অনিয়মের বিষয়ে আমরা অত্যন্ত কঠোর।

কোন পরীক্ষার্থী কোন সিলেবাসে পরীক্ষা দেবে, সে বিষয়ে আগেই সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব অবহেলার কারণে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে মহাপরিচালক (ডিজি) মহোদয়কে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।