বজ্রপাতে আলমডাঙ্গা শরণখোলা ও ডুমুরিয়ায় ৫ জনের মৃত্যু

0

চুয়াডাঙ্গা ও বাগেরহাট সংবাদদাতা॥ বজ্রপাতে শনিবার চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা ও বাগেরহাটের শরণখোলায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার পাটাচোরা এবং সদর উপজেলার ঝাঁঝরি গ্রামে বজ্রপাতে আহম্মেদ মল্লিক (৭০) ও রুবেল (৩০) নামের দুই কৃষক মারা গেছেন। আহম্মেদ মল্লিক ওই গ্রামের মল্লিকপাড়ার বাসিন্দা এবং রুবেল ঝাঁঝরি গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। ঘটনা দুটি ঘটেছে শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে।
পাটাচোরা গ্রামের বাসিন্দা শাহিন জানান, এদিন সকালে গ্রামের ইশেরগাড়ী মাঠ থেকে কাজ শেষে আহম্মেদ মল্লিক বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সময় বজ্রপাতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। তাকে দ্রুত দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.হেলেনা আক্তার নিপা বলেন,আহম্মেদ মল্লিককে মৃত অবস্থায় এখানকার জরুরি বিভাগে আনা হয়েছিল।
এদিকে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেগমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হোসেন জানান, এদিন সকালে রুবেল মাঠে কাজ করতে গিয়েছিল। বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে সে কাজ না করে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় ঝাঁঝরি স্কুলের কাছে পৌঁছলে বজ্রপাতে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
অপরদিকে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় বজ্রপাতে দুই শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৬ শ্রমিক। শনিবার সকালে পিরোজপুর জেলার বালিপাড়া এলাকা থেকে ইট নিয়ে নদী পথে শরণখোলায় যাচ্ছিলেন ১১ শ্রমিক। ভাটা থাকায় শরণখোলার চাল রায়েন্দার বান্ধাঘাটা এলাকায় নদীর মধ্যে অবস্থান নেন তারা। সকাল ১০টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে চাল রায়েন্দা এলাকায় একটি পরিত্যক্ত দোকানে ৮ শ্রমিক আশ্রয় নেন। এসময় বজ্রপাত হলে মোস্তফা (৫৫) ও মিলন (৩৫) নামে দুই শ্রমিক ঘটনাস্থলে মারা যান। আহত হন ৬ শ্রমিক। নদীর মধ্যে ট্রলারে থাকা ৩ শ্রমিক সুস্থ রয়েছেন। আহতদের শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রিয় গোপাল বিশ্বাস। নিহতদের বাড়ি পিরোজপুর জেলার বালিপাড়া এলাকায়।
এছাড়া খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার মাগুরাঘোনা গ্রামের আব্দুস সাত্তার গাজীর ছেলে সোহান গাজী (২৮) শনিবার সকালে বাড়ি থেকে ক্ষেতে কাজ করতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।