প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি বাস্তবায়নে কাজ করার অঙ্গীকার যবিপ্রবি উপউপাচার্যের

0
ছবি: সংগৃহীত।

যবিপ্রবি সংবাদদাতা॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম উপউপাচার্য হিসেবে যোগদান করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

সোমবার সকাল ১১ টার দিকে উপাচার্যের কার্যালয়ে যোগদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর, রেজিস্ট্রার কাজী মো. জালাল উদ্দীন ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ। এরআগে রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানের নিয়োগের বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়।

যোগদানের পর যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির ফুল দিয়ে নতুন উপউপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। উপউপাচার্য এরপর ৯৫২ থেকে ২০২৪ সালের সব বীর শহীদের স্মরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘জিয়া ট্রি’র কর্মসূচির আদলে একটি নিম গাছের চারা রোপন করেন।

যোগদানের আনুষ্ঠানিকতার পরে অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করেন।

যবিপ্রবিকে এগিয়ে নিতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে নবনিযুক্ত উপউপাচার্য শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ফার্স্ট নীতি বাস্তবায়নে আমরা কাজ করব। আমি চাই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ফার্স্ট হোক। এটা তখনই সম্ভব হবে যখন আমরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সামনে এগিয়ে নিতে পারব। দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে যে দায়িত্ব নিয়েছি, তা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্যে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের ওপর অনেক বড় ঋণের বোঝা রয়েছে। আমি মনে করি, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সমন্বিত কাজের মাধ্যমে এ সংকট দূর করা সম্ভব।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইয়ারুল কবির বলেন, দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার একজন সঙ্গী পেয়ে আজকে আমি খুবই আনন্দিত। আমরা দুইজনেই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় কাজ করে যাবো। আপনারা আমাদের জন্যে দোয়া করবেন, যেন আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারি।

অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ১৯৯৬ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী হিসেবে ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিন থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করে স্নাতক সম্পন্ন করেন ও রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন।

পরবর্তীতে তিনি ১৯৯৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে প্রভাষক হিসেবে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন। ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের প্রধান ও ব্যবস্থাপনা ও ব্যবসায় প্রশাসন স্কুলের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।