খানজাহান আলী থানার যোগীপোল-আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন ও কেসিসি ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভা

0

শেখ বদরউদ্দিন, ফুলবাড়ীগেট॥ খানজাহান আলী থানা বিএনপি ও এর অন্তর্গত আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড যোগীপোল ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড ও কেসিসি ২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র এক জরুরি সভা গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি অধ্যাপক ওয়াহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বলা হয়, গত ৯ ডিসেম্বর খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্র থেকে। এতে আমরা খানজাহান আলী থানা বিএনপি তার অন্তর্গত ২ টি ইউনিয়ন ও ১ টি ওয়ার্ড বিএনপি এবং খানজাহান আলী থানার শত শত নেতা-কর্মী হতবাক হয়েছি। মহানগরের পুনার্ঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠন না করে এবং থানার আহবায়ক কমিটি না করে থানা কমিটি বিলুপ্তি ঘোষনা করা দলের কোন গঠনতন্ত্রে আছে বলেও নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন। নিশিরাতের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শত সহস্র নেতা-কর্মী গুলি খেয়েছে, মার খেয়েছে, গায়েবী মামলায় মাসের পর মাস জেল খেটেছে। ইতিপূর্বে মহানগর ও থানা বিএনপি’র নেতৃত্বে থাকা পরীক্ষিত, পরিচ্ছন্ন ইমেজের অধিকার, ত্যাগী সংগ্রামী ও সর্বস্তরের গ্রহণযোগ্য নেতৃত্বেকে বাদ দিয়ে যারা দীর্ঘ বছর দলের সাথে সম্পৃত্ত ছিলেন না, পূর্বের কমিটিতে সফল ভাবে দল পরিচালনায় ব্যর্থ এমনকি খুলনা মহানগর বিএনপিকে (পূর্বের) চ্যালেঞ্জ করে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে বর্তমান দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে দল দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। অথচ তাদেরকে পুরস্কৃত করে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে এবং বর্তমান আহবায়ক কমিটিতে তাদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক, সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু ৪৪ বছরের পরীক্ষিত একজন নেতা। এই বিশ্বস্ত নেতার প্রতি দল যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে তাতে আমরা ভীষণ মর্মাহত হয়েছি। তার বিষয়টি সহানুভুতির সঙ্গে পুনর্বিবেচনার জন্য দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ও দলিয় নিতিনির্ধারকদের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি তাই আমরা মনে করি কেন্দীয় বিএনপি দলের এই ক্লান্তিলগ্নে সকল পক্ষকে সাথে নিয়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে একটি সুন্দর মহানগর কমিটি উপহার দেবেন। এটি যতদিন না হবে আমরা খানজাহান আলী থানা, আটরা গিলাতলা ও যোগিপোল ইউনিয়ন এবং কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতাকর্মীরা দলিয় সকল কর্মকান্ড থেকে নিজেদের বিরত রাখছি। আমরা নানা চড়ই উৎড়ায় পেরিয়ে দির্ঘদিন রাজনীতি করছি বিএনপি আমাদের মনেপ্রানে রক্তেমিশে আছে। এই বিএনপি থেকে আমরা কোন কারনে বিচুৎতি হতে চাইনা। এছাড়া নগর বিএনপি, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সহ সিনিয়র নেতাদের নিয়ে কতিপয় ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুধুমাত্র পদের লোভে একটি পক্ষকে খুশি করতে বিভিন্ন প্রকার কুটুক্তি করছে থানা বিএনপির নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার নিন্দা জানান। এছাড়া সভায় বক্তৃতা করেন ও সহমত প্রকাশ করেন খানজাহান আলী থানা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি মীর কায়সেদ আলী, মহানগর বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন , খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এনামুল হাসান ডায়মন্ড, কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আনছার চৌধুরী, আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক রফিকুল ইসলাম শুকুর, কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক মোঃ জামাল উদ্দীন, আঃ রব মুন্সি, যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি আরিফুর রহমান মন্টু, আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি সৈয়দ শাহাজান, কেসিসি ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ আশরাফ ঢালী , আটরা গিলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, শেখ নাসিরউদ্দীন, মিয়া এমলাক হোসেন, বাবুল হোসেন বাবু, মোঃ পিন্টু তরফদার , মিয়া রবিউল তরফদার, মোঃ রফিক হোসেন, হালিম সিকদার, নুরুল ইসলাম, শেখ হাফিজুর রহমান, লিমন মোল্লা, মামুন শেখ, শেখ নাজমুল, মোঃ আশরাফুল, শেখ আঃ হালিম, শেখ আঃ কুদ্দুস, মোঃ গোলজার হোসেন, আফসার শেখ, হাদিউজ্জামান, মোক্তার বিশ^াস, মোল্লা লোকমান হোসেন, শ্রমিক নেতা শেখ মোসলেম হোসেন, শেখ সেলিম আহম্মেদ, মিয়া জান্নাত হোসেন, বাবুল, মোঃ গোলাম কিবরিয়া, মোঃ শাফি, সৈয়দ আরিফ হোসেন, শেখ নাসির, নওসের, মহাবুব, শেখ আনোয়ার হোসেন, মোঃ নাসিরউদ্দীন, শেখ শরিফুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গির হাওলাদার, মোঃ আবুল খায়ের, শেখ শহিদুল ইসলাম, আফসার শেখ, আঃ হক, মোঃ বাবুল, জাহাঙ্গির হোসেন, নাজমুল হুদা পলাশ, আজিজুর রহমান, মোঃ আক্কাস আলী, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ আজিজুল ইসলাম, মোঃ রসুল কাজী, মনিরুজ্জামান সান্টু, মোঃ মহাসিন শেখ, নুরনুবি মোল্লা, শহিদুল ইসলাম শহিদ, মোঃ বাবুল হোসেন, মিজানুর রহমান খান, খলিলুর রহমান, আঃ হক মোড়ল, হাদিয়ার হোসেন, মোঃ কালাম, শেখ বদরউদ্দিন, মোঃ সাইফুল্লাহ তারেক, মোঃ লিটন, হাদিউজ্জামান, নুর আলম, আজাদ, আলামিন, মাধব বিশ^াস, গৌরাঙ্গ সরকার, সলেমান মিয়া, মোঃ শামসুর রহমান, শেখ সিরমান শেখ, ফরজান আলী, সিদ্দিকুর রহমান, মোঃ সাহেব আলী, মোঃ নান্টু মিয়া, সেন্টু, আলী আকবার, বাবুল মীর, কাজী হেদায়েত হোসেন, মাষ্টার আঃ কুদ্দুস, ঝর্না বেগম, শেফালি বেগম, হাসিনা বেগম প্রমুখ ।