ঠিকানা ছিল না, মেধা ছিল : সরকারি চাকরির স্বপ্ন পূরণ হলো মিশন আচার্যের

0

স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ : ঠিকানা ছিল না, কিন্তু মেধা ছিল। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন ঝিনাইদহের মিশন আচার্য। তবে স্থায়ী ঠিকানা-সংক্রান্ত জটিলতায় চূড়ান্ত ভেরিফিকেশনে আটকে যায় তাঁর সরকারি শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন।

ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকার ভাড়াটিয়া বাসিন্দা মিশন আচার্য। মেধার পরীক্ষায় সফল হয়েও কেবল ঠিকানার জটিলতায় যখন চাকরি অনিশ্চিত, তখন বিষয়টি নজরে আসে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনের।

মিশন আচার্যকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করেন রাশেদ খাঁন। পরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. এ এন এম এহসানুল হক মিলনের নির্দেশনায় প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে সম্পন্ন হয় তাঁর নিয়োগ প্রক্রিয়া।

অবশেষে বুধবার সকালে মিশন আচার্যের হাতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার নিয়োগপত্র তুলে দেন রাশেদ খাঁন। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমজাদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আনন্দিত মিশন আচার্য। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে শিক্ষকতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

ঠিকানার জটিলতা থামিয়ে দিতে পারেনি মেধার পথচলা। শেষ পর্যন্ত সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র হাতে নিয়ে নতুন অধ্যায় শুরু হলো মিশন আচার্যের।