শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে অন্য পরিস্থিতি হতো: দীনেশ ত্রিবেদী

সিজিএসের সম্মেলন

0
শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে একদম অন্য রকম পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।’

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬–এর কর্ম অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) তিন দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

"আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম,
তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।" 
— 
দীনেশ ত্রিবেদী
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত কখন প্রত্যর্পণ করবে জানতে চাইলে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘হাসিনাজিকে আইএএফ (ভারতীয় বিমানবাহিনী) বা ভারতের সেনাবাহিনী নিয়ে আসেনি। ওই সময় বাংলাদেশের বিয়োগান্তক ঘটনার কারণে তিনি এসেছিলেন। এমন ঘটনা সংগঠিত হওয়া উচিত ছিল না, যেখানে নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছেন। বাংলাদেশের সামরিক বিমানে তাঁকে ভারতে নেওয়া হয়েছিল।’

দীনেশ ত্রিবেদী আরও বলেন, ‘তিনি (শেখ হাসিনা) যখন ঢাকা ত্যাগ করেন, তখন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং ভারত এই পরিস্থিতিটির জন্য প্রস্তুত ছিল না। আমরা যদি তাঁকে অবতরণের অনুমতি না দিতাম, তবে একদম অন্য রকম এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো।’

দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে জানতে চাইলে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ, সিদ্ধান্তও তাই স্বাধীনভাবে নেবে, কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক করবে, রাখবে, তা একান্তই এ দেশের মানুষের আর সরকারের সিদ্ধান্ত। সত‍্যিকারের প্রতিবেশী কোনো অভ‍‍্যন্তরীণ নীতিতে হস্তক্ষেপ করে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। বলেন, পরিবারের মধ‍্যে ভুল–বোঝাবুঝি থাকতেই পারে।