ফেরি ফেরানোর অভিযোগ এমপি হান্নানের ব্যাখ্যা

লোকসমাজ ডেস্ক : নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় যাত্রী ও মালবাহী যানবাহন নিয়ে ছেড়ে যাওয়া একটি ফেরি সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদকে নিতে মাঝনদী থেকে ঘুরিয়ে পুনরায় ঘাটে আনার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি শনিবার বিকেলে চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা নৌপথে চলাচলকারী ফেরি ‘মহানন্দা’তে ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহন নিয়ে চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যায় ফেরি মহানন্দা। প্রায় ২০ মিনিট পর নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ গাড়িতে করে চেয়ারম্যান ঘাটে পৌঁছান। তখন ফেরিটি ঘাট থেকে বেশ কিছু দূরে চলে গিয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, সংসদ সদস্যকে ওঠানোর জন্য ফেরিটি পুনরায় ঘুরিয়ে চেয়ারম্যান ঘাটে আনা হয়। পরে তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ফেরিটি দ্বিতীয়বারের মতো নলচিরা ঘাটের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

ভিডিওচিত্র থেকে নেওয়া ছবি-লোকসমাজ

ঘটনাটি নিয়ে ফেরির যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। কয়েকজন যাত্রী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ঘাট ইজারাদারের প্রতিনিধি মো. জহির উদ্দিন বলেন, ফেরি ছাড়ার সময় নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি ছিল। তবে বেলা সাড়ে ৩টায় ফেরি ছাড়ার প্রায় ২০ মিনিট পর এমপি সাহেবকে নিতে ফেরিটি আবার ঘাটে ফিরিয়ে আনা হয়।
ফেরির মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সাজ্জাদুল ইসলাম জানান, চেয়ারম্যান ঘাট থেকে ফেরি ছাড়ার পর এমপি আবদুল হান্নান মাসউদ ফেরি কর্তৃপক্ষের একজন ব্যবস্থাপককে ফোন করেন। পরে ব্যবস্থাপকের নির্দেশে ফেরিটি পুনরায় ঘাটে ভিড়ানো হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, “আমি সংসদ সদস্য। সরকারি কাজেই আমার হাতিয়া যাওয়া জরুরি ছিল। তাই আমাকে ফেরিতে যেতে হয়েছে। ফেরিটি ঘাট থেকে খুব বেশি দূরে যায়নি। ছাড়ার এক মিনিটের মধ্যেই আমি ঘাটে পৌঁছেছি। এ নিয়ে একটি কুচক্রী মহল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”