যবিপ্রবির এক গবেষণা গ্রুপ থেকে চারজনের অ্যাওয়ার্ড

0

যবিপ্রবি সংবাদদাতা ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের একটি মাস্টার্স থিসিস গ্রুপ। একই গবেষণা গ্রুপ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চারজন শিক্ষার্থী অর্জন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড ও ডিন’স অ্যাওয়ার্ড।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সকলেই ইএসটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের গবেষণা থিসিস সম্পন্ন করেছেন। গবেষণার মান, মৌলিকত্ব, প্রকাশনার সম্ভাবনা এবং সামাজিক ও পরিবেশগত প্রাসঙ্গিকতার ভিত্তিতে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে বায়তুন নাহার নীতিমা, সজীবুর রহমান এবং খন্দকার রাশেদুল ইসলাম। অপরদিকে, একই বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ চন্দ্র দেবনাথ ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

সম্প্রতি যবিপ্রবির ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে পারে না। যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা যে মানসম্মত ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সজীবুর রহমান বলেন, যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

আজকের এই অর্জনের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমার শ্রদ্ধেয় সুপারভাইজার সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তী স্যারের। গবেষণার প্রতিটি ধাপে তাঁর দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে। এই স্বীকৃতি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পার্থ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, এই অর্জন আমার একাডেমিক জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। একজন গবেষক হিসেবে এই স্বীকৃতি আমার ভবিষ্যৎ পথচলাকে আরও দৃঢ় করবে। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তী স্যারের সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিরলস অনুপ্রেরণাই আমাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে।