ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি : পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে পুলিশের একজন কর্মকর্তাসহ দুই জনের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। ৮ বছর আগের এ ঘটনার ভুক্তভোগী যশোর সদর উপজেলার হালসা গ্রামের ফারুক হোসেন মঙ্গলবার আমলী আদালতে মামলাটি করেছেন। তিনি হালসা গ্রামের মৃত লুৎফর রহমানের ছেলে। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম কিবরিয়া অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ডিবি পুলিশের ওসিকে আদেশ দিয়েছেন।
আসামিরা হলেন, কোতয়ালি থানা পুলিশের সাবেক এএসআই শেখ সুজাত আলী ও সদর উপজেলার হালসা গ্রামের মৃত আব্দুর রব মোল্লার ছেলে শামছুজ্জামান মিলন। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
ফারুক হোসেন মামলায় উল্লেখ করেছেন, তিনি একজন ব্যবসায়ী। আসামি এএসআই শেখ সুজাত আলীর সহযোগিতায় অপর আসামি শামছুজ্জামান মিলন তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের হুমকি দেওয়া হয়। কিন্তু ফারুক হোসেন তাকে চাঁদা দিতে অস্বীকার করেন। ২০১৬ সালের ১ অক্টোবর রাত ১০টার দিকে আসামি এএসআই শেখ সুজাত আলী এবং আসামি শামছুজ্জামান মিলনসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও ২/৩ জন পুলিশ সদস্য একটি মাইক্রোবাসে করে হালসা গ্রামে ফারুক হোসেনের বাড়িতে যান। এ সময় তারা ১০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে ফারুক হোসেনকে মারধর করেন এবং পরে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যান। তাকে পতেঙ্গালী গ্রামের ফাঁকা মাঠের মধ্যে নিয়ে চোখ ও মুখ কলো কাপড় দিয়ে বেঁধে ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে ফের ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন । তখন প্রাণ বাঁচাতে ভাই খোরশেদ আলীর কাছে মোবাইল ফোন করে ১০ লাখ টাকা নিয়ে আসতে বলেন ফারুক হোসেন। এরপর খোরশেদ আলী ১০ লাখ টাকা নিয়ে পতেঙ্গালীর মাঠে গিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। কিন্তু পুলিশ তাকে ছেড়ে না দিয়ে পরদিন একটি মামলায় আদালতে চালান দেয়।