৬২৪ পিস সোনার বার উদ্ধার মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, দুই জনের যাবজ্জীবন

0

স্টাফ রিপোর্টার॥ যশোরের শার্শা সীমান্তে ৬২৪ পিস সোনার বার উদ্ধারের মামলায় তিন জনের মৃত্যুদণ্ড, ২ জনের যাবজ্জীবন ও চার জনের ১৪ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তাজুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণাকালে মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্তদের মধ্যে দুই জন, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ১ জন ও ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ৩ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য তিন জন পলাতক।
আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আসাদুজ্জামান মামলার বিবরণ থেকে জানান, ২০১৮ সালের ৯ আগস্ট রাত ১০টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার শিকারপুর ক্যাম্পের বিজিবি স্থানীয় নারিকেলবাড়িয়া সীমান্ত পিলারের কাছে কয়েকজন চোরাচালানীকে ধাওয়া করে একজনকে আটক করে এবং অন্যরা ২টি বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। মহিউদ্দিন নামে আটক ওই ব্যক্তিকে তল্লাশি করে ২২৪ পিস সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পলাতক ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া দুটি বস্তা থেকে আরও ৪শ পিস সোনা উদ্ধার হয়। ৬শ ২৪ পিস ওই সোনার বারের ওজন ছিল ৭২ কেজি ৪শ গ্রাম। এ ঘটনায় শিকারপুর বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার মুকুল হোসেন শার্শা থানায় একটি মামলা করেন। প্রথমে শার্শা থানা, পরে সিআইডি এ মামলার তদন্ত করে। সিআইডি ঢাকার পরিদর্শক কোরবান আলী ২০২২ সালের ৪ এপ্রিল আাদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।
মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিন জন হচ্ছেন শার্শা উপজেলার শিকারপুর পশ্চিমপাড়ার তোফাজ্জেল হোসেন তরফদারের ছেলে মহিউদ্দিন তরফদার ও জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম এবং নারিকেলবাড়িয়া উত্তর পাড়ার আব্দুস সাত্তার ওরফে সেপতার কারিগরেরর ছেলে মুজিবুর রহমান। এদের মধ্যে জাহিদুল ইসলাম পলাতক। যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২ জন হচ্ছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণার বাগদার গাঙ্গুলিয়া গ্রামের নুর জালাল মন্ডল ওরফে মেছের আলীর ছেলে বর্তমানে বাংলাদেশের যশোরের শার্শা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা শফিকুল মন্ডল ওরফে নিধু ওরফে লিদু ও গোকর্ন মাঝের পাড়ার আলী হোসেন সরদারের ছেলে মাসুদ রানা। এর মধ্যে শফিকুল মন্ডল পলাতক।
১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্তরা হলেন শার্শা উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত আবুল মোড়লের ছেলে শফি, আব্দুল মমিনের ছেলে ইমরান হোসেন ও আব্দুল কাদেরের ছেলে রুবেল হোসেন এবং রামচন্দ্রপুর গ্রামের নওসাদ আলীর ছেলে কবির হোসেন। এদের মধ্যে রুবেল হোসেন পলাতক।