লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে নেতাকর্মীদের রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘এবার খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য শপথ নিয়ে রাজপথে নামতে হবে। তাহলে এই ভোটারবিহীন সরকারের কারাগার থেকে ম্যাডামকে মুক্ত করা যাবে।’ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাসের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকালে সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবন মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি অভিনেতা বাবুল আহমেদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক হেলাল খান। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা। এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিএনপির চেয়ারপারসনকে কারাগার থেকে মুক্ত করতে রাজপথে আন্দোলনের বিকল্প নেই। এবার আর ঘরে বসে থাকলে হবে না। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না। খালেদা জিয়া তার ছোট ছেলেকে হারিয়েছেন। বড় ছেলে অসুস্থ অবস্থায় দেশের বাইরে আছেন। শুধু তাই নয়, দেশের স্বার্থে মিথ্যা মামলায় প্রায় দুই বছর যাবৎ কারাগারে আছেন তিনি। এক কথায়, আমরা সবাই জিয়া পরিবারের কাছে ঋণী। এখন সময় এসেছে সেই পরিশোধ করার। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই কিছুটা ঋণ আমরা পরিশোধ করতে পারবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ২৯ ডিসেম্বরের রাত এক কলঙ্কিত অধ্যায়। এই রাতেই ভোটারদের কাছ থেকে তাদের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছিল, দেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছিল। দেশবাসীর কাছে এই রাত ভোটাধিকার হরণের কালো রাত হিসেবে কলঙ্কিত হয়ে থাকবে।’ এ সময় তিনি জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত সব পর্যায়ের নেতাদের অভিনন্দন জানান। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন– বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কবি আবদুল হাই সিকদার, সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর শিকদার, সানাউল হক প্রমুখ। আলোচনা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
‘খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে শপথ নিয়ে রাজপথে নামতে হবে’
অ্যাডেলের নতুন চেহারা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বড়দিন আর নববর্ষ উপলক্ষে টুইটার আর ইনস্টাগ্রামে এই ছবিগুলো পোস্ট করেছেন অ্যাডেলবড়দিন আর নববর্ষ উপলক্ষে টুইটার আর ইনস্টাগ্রামে এই ছবিগুলো পোস্ট করেছেন অ্যাডেলসংগীতশিল্পী অ্যাডেলের বাড়তি ওজন নিয়ে মজা করেছিলেন কৌতুক অভিনেতা জোয়ান রিভার্স। বলেছিলেন, ‘অ্যাডেলের ওজন কমানো উচিত।’ আর এর জন্য পরে অবশ্য অ্যাডেলে তাঁকে ক্ষমা চাইতে বলেন। কিন্তু সাফ ‘না’ করে দেন জোয়ান রিভার্স। তখন তিনি বলেন, ‘অ্যাডেলে মোটা একজন নারী, যিনি খুব ধনী। হয় তিনি শান্ত থাকুন, নয় ওজন কমান।’ তাঁর মতে, অ্যাডেলের ‘রোলিং ইন দ্য ডিপ’ গানটির টাইটেল নাকি আসলে হওয়া উচিত ‘রোলিং ইন দ্য ডিপ ফ্রায়েড চিকেন’। আর পিপল ম্যাগাজিনকে অ্যাডেল বলেছিলেন, ‘আমি ম্যাগাজিন কভারের মডেলদের মতো হতে চাই না।’
সেসব কথা এখন আর মনে করতে চান না অ্যাডেল। নিজেকে একেবারে বদলে ফেলেছেন। বড়দিন আর নববর্ষ উপলক্ষে ২৩ ডিসেম্বর ইনস্টাগ্রাম আর টুইটারে নিজের নতুন ছবি পোস্ট করেছেন বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এই পপ গায়িকা। আর তাঁর এই ছবি দেখে সবাই অবাক—এ কোন অ্যাডেল! ছিপছিপে গড়ন ও মুখে রহস্যময়ী হাসির অ্যাডেলকে দেখে এমনটা মনে হতেই পারে। ওজন কমিয়ে নতুনভাবে নিজেকে গড়েছেন তিনি।
সাদাকালো এই ছবি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, নিজের ওজন অনেকটাই ঝরিয়ে ফেলেছেন অ্যাডেল। এমনটা কয়েক বছর ধরেই চেষ্টা করছেন। জানা গেছে, এবার কার্ডিও, সার্কিট ট্রেনিং ও পিলাটেস করে অন্তত ৯ কেজি ওজন কমিয়েছেন।
সাদাকালো এই ছবি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, নিজের ওজন অনেকটাই ঝরিয়ে ফেলেছেন অ্যাডেল। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়াসাদাকালো এই ছবি দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, নিজের ওজন অনেকটাই ঝরিয়ে ফেলেছেন অ্যাডেল। ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে নেওয়া২০১৯ সালের গোড়ার দিকে জানা যায়, ভেঙে গেছে অ্যাডেল আর সাইমন কোনেকির সাত বছরের দাম্পত্য জীবন। তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদের খবর জানিয়ে কাছের একটি সূত্র তখন বিলবোর্ডকে বলেছে, ‘অ্যাডেল আর তাঁর শিল্পপতি স্বামী সিমন কোনেকি আলাদা হয়ে গেছেন। তবে একমাত্র ছেলেকে একসঙ্গে মানুষ করার দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁরা। নিজেদের ব্যাপারে তাঁরা আর কিছু জানাতে চান না।’
আইএএনএস জানিয়েছে, পাঁচ বছর প্রেম করার পর ২০১৬ সালের বড়দিনের ছুটিতে অ্যাডেল আর তাঁর প্রেমিক সাইমন কোনেকি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। খুব সাদাসিধেভাবে তাঁরা বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। কাছের কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেন তাঁরা। এরপর যুক্তরাজ্যে অ্যাডেল তাঁর পৈতৃক ভিটায় ছোট পরিসরে আরেকটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। বিয়ের আনন্দ আয়োজনে কেউ যেন বাদ না পড়ে, এ জন্যই দুই দেশে দুটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এর আগে ২০১২ সালে তাঁরা এক ছেলে সন্তানের মা-বাবা হয়েছেন।
উত্তোলন হ্রাস চুক্তি থেকে বের হয়ে আসতে পারে রাশিয়া
লোকসমাজ ডেস্ক॥ বাজার নিয়ন্ত্রণে কয়েক বছর ধরে উত্তোলন ও সরবরাহ কমিয়ে দিলেও কার্যত লক্ষ্যপূরণে প্রায় ব্যর্থ হয়েছে ওপেক প্লাস জোট। চুক্তি অনুযায়ী, জোটভুক্ত দেশগুলো উত্তোলন হ্রাস করলেও যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের উত্তোলন বৃদ্ধির কারণে বাজারের ওপর তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি জোটটি। উল্টো বাজার হিস্যা হারাচ্ছে বৃহৎ উৎপাদক দেশগুলো। সে কারণে রাশিয়া আগামী বছর জোটের সঙ্গে করা উত্তোলন হ্রাস চুক্তি থেকে বেরিয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর ব্লুমবার্গ ও রয়টার্স।
জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ ও যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য ঠেকাতে ২০১৬ সালে রফতানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক ও ওপেক বহির্ভূত দেশ নিয়ে গঠিত হয় ওপেক প্লাস জোট। যার নেতৃত্বে যথাক্রমে সৌদি আরব ও রাশিয়া। বাজারে জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহ কমিয়ে দাম বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ২০১৭ সাল থেকে উত্তোলন হ্রাস চুক্তি কার্যকর করে আসছে জোটটি। চুক্তি অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিক (জানুয়ারি-মার্চ) পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দৈনিক উত্তোলন ১২ লাখ ব্যারেল কমিয়ে আনছে জোটের সদস্য দেশগুলো। এতেও বাজার চাঙ্গা না হওয়ায় আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) দৈনিক উত্তোলন অতিরিক্ত আরো পাঁচ লাখ টন কমিয়ে আনতে যাচ্ছে জোটটি। অর্থাৎ আগামী বছর থেকে দৈনিক উত্তোলন ১৭ লাখ ব্যারেল কমাবে জোটটি। যার মধ্যে রাশিয়াকে একাই কমাতে হবে দৈনিক তিন লাখ ব্যারেল। উত্তোলন হ্রাস চুক্তি মার্চের পর আরো বৃদ্ধির বিষয়েও জোটের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
কিন্তু উত্তোলন হ্রাসের এ কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওপেক প্লাসের প্রভাবশালী দেশ ও কার্যত নেতা রাশিয়া। এমনকি উত্তোলন হ্রাসের চুক্তি থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেয়ারও আভাস দিয়েছে দেশটি।
রাশিয়ার জ্বালানিমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক সম্প্রতি ওপেক প্লাস জোটের টিকে থাকা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। দেশটির একটি টিভি চ্যানেলে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, উত্তোলন হ্রাস স্থায়ী কোনো বিষয় নয়। আমাদের ধীরে ধীরে এটি থেকে বের হতে হবে। কারণ এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ উত্তোলন কমিয়ে আনা হয়েছে সেটি উদ্বেগের। জ্বালানি তেলের বাজারে রাশিয়ার হিস্যা বাড়ানো এবং দেশের কোম্পানিগুলোর ভবিষ্যৎ প্রকল্প সম্প্রসারণের জন্য এ চুক্তি থেকে আগামী বছর নাগাদ বের হয়ে যাওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি।
বাজার চাঙ্গা করার বাসনা নিয়ে ২০১৬ সালে চুক্তি এগিয়ে নিতে নেতৃত্ব দিলেও রাশিয়া যে এখন এ চুক্তি আর মানতে চাচ্ছে না, তার প্রমাণ চলতি বছর দেশটির উত্তোলন প্রবৃদ্ধি। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশটি জোটের সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী কোটার চেয়ে বেশি জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে। চলতি মাসেও এ ধারা অব্যাহত রেখেছে। এখন পর্যন্ত দৈনিক ১ কোটি ১২ লাখ ৫২ হাজার ব্যারেল জ্বালানি তেল উত্তোলন করেছে, যা দেশটির জন্য নির্ধারিত কোটার তুলনায় ৬২ হাজার ব্যারেল বেশি। এছাড়া আগামী বছর দৈনিক উত্তোলন ১ কোটি ১১ লাখ ২০ হাজার থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ২০ হাজার ব্যারেলের মধ্যে রাখা হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক।
এদিকে কোটার অতিরিক্ত উত্তোলন করার পরও ওপেক প্লাস জোটের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে দেশেও স্বস্তিতে নেই রাশিয়া। এরই মধ্যে দেশটির খাতসংশ্লিষ্টরা এ চুক্তি নিয়ে সমালোচনা শুরু করেছেন। তারা মনে করছেন, এ চুক্তি থেকে রাশিয়ার কোনো লাভ হচ্ছে না। উপরন্তু বাজারের হিস্যা কমে যাচ্ছে।
রাশিয়ার শীর্ষ জ্বালানি তেল উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান রোজনেফট পিজেএসসি এ চুক্তির সমালোচনা করে বলছে, ওপেক প্লাস জোটের এ চুক্তি কেবল ওপেকের কার্যত নেতা সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ হাসিল করবে।
বিদেশীদের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে চীনের ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার
লোকসমাজ ডেস্ক॥ উত্থান-পতনময় একটি বছর পার করেছে চীন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধ ও অভ্যন্তরীণ বাজারে নিম্ন চাহিদাসহ বিভিন্ন কারণে চলতি বছর আশানুরূপ প্রবৃদ্ধির দেখা পায়নি বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতিটি। এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আগামী বছর থেকে নিজেদের ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারের আর্থিক বাজার বিদেশীদের কাছে উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেইজিং। খবর ব্লুমবার্গ।
নিজেদের ইন্স্যুরেন্স ও ফিউচার মার্কেটগুলো কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিসরে ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এশিয়ার দেশটি। এ পরিকল্পনার ফলে গোল্ডম্যান স্যাকস, জেপি মরগান চেজ, ব্ল্যাকরকের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাজারটিতে নিজেদের কার্যক্রম আরো বাড়ানোর সুযোগ পাবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে চীনা অর্থনীতিতে বিশ্বের আর্থিক খাতের মেগা করপোরেশনগুলোর মধ্যকার প্রতিযোগিতার নতুন পর্বের সূচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কয়েক বছর ধরেই চীনে বিদেশী আর্থিক কোম্পানি বা করপোরেশনগুলোকে সীমিত আকারে বিনিয়োগ অনুমোদন করছেন দেশটির নীতিনির্ধারকরা। তবে এবার বৃহত্ পরিসরে আর্থিক বাজার উন্মুক্ত করার ফলে বিদেশী কোম্পানিগুলো আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি মুনাফা করতে পারবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বেইজিং কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, গত বছর কয়েকটি বিদেশী প্রতিষ্ঠান বাজারটিতে নিজস্ব মালিকানায় বিনিয়োগের প্রথম অনুমোদন পায়।
বিদেশী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিগুলো শতভাগ নিজস্ব মালিকানায় আগামী বছরের প্রথম দিন থেকে চীনের বাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। দেশটির আর্থিক খাতের জয়েন্ট ভেঞ্চারগুলোর গত বছরের মোট প্রিমিয়াম ছিল ৮ শতাংশ। তবে দেশীয় ইন্স্যুরেন্সগুলো যে গতিতে নিজেদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে পেরেছে, সে গতিতে জয়েন্ট ভেঞ্চারগুলো এগোতে পারেনি বলে জানিয়েছে ফিচ রেটিংস।
বিস্তৃত বণ্টন নেটওয়ার্ক ও কয়েক লাখ এজেন্ট থাকায় খাতটিতে সর্বদা স্থানীয় কোম্পানিগুলোকে আধিপত্য করতে দেখা গেছে। স্থানীয় কোম্পানিগুলোর মধ্যে চায়না লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও পিং অ্যান ইন্স্যুরেন্সই প্রধান। নতুন ঘোষণায় বিদেশী যেসব প্রতিষ্ঠান অর্থনীতিটিতে বড় পরিসরে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে, তাদের মধ্যে জার্মান ‘ইন্স্যুরেন্স অ্যালায়েন্স এসই’ অন্যতম। সম্পূর্ণ বিদেশী মালিকানাধীন আর্থিক কোম্পানি হিসেবে ২০১৮ সালে এটি প্রথম কমিউনিস্ট দেশটিতে বিনিয়োগের সবুজ সংকেত পায়।
এদিকে বছররের প্রথম দিন থেকেই দেশটির ব্যতিব্যস্ত শেয়ারবাজারেও নিজস্ব মালিকানায় লেনদেনের সুযোগ পাচ্ছে বিদেশী কোম্পানিগুলো। বাজারটিতে লেনদেন করে স্থানীয় প্রায় ১৫০টি কোম্পানি। গত বছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিগুলোর সমন্বিত মুনাফা ছিল মাত্র ৩৪০ কোটি ইউয়ান (৪৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার)।
চীনের বর্তমান ফিউচার মার্কেটে বিদেশী কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ খুবই নগণ্য। বাজারটিতে জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে জেপি মরগানের শেয়ার রয়েছে ৪৯ শতাংশ। এছাড়া একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অনশোরের আওতায় বাজারটিতে অল্প পরিসরে লেনদেন করে সুইজারল্যান্ডের ইউবিএস গ্রুপ এজি।
তবে নতুন নীতিমালার আওতায় সবচেয়ে আকর্ষণীয় হতে পারে দেশটির ‘সম্পদ ব্যবস্থাপনা’ খাত। আগামী বছরের এপ্রিল থেকে খাতটিতে সম্পূর্ণ বিদেশী মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো লেনদেন শুরু করতে পারবে।
আগামী কয়েক বছরে বিদেশী কোম্পানি বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দেশটিতে ৭ (১ ট্রিলিয়ন ডলার) থেকে ৮ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বিনিয়োগ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন চায়না সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক এক্সচেঞ্জের ভাইস প্রেসিডেন্ট হুয়াং কিফান।
এতটা বিনিয়োগ নিয়ে বর্তমানে চাপে থাকা অর্থনীতিটি বড় ধরনের নিস্তার পাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ব্লুমবার্গের বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাসে। বাণিজ্যিক ব্যাংকিং ও সিকিউরিটিজ সেক্টরে বিশাল এ বিনিয়োগ দেশটির বার্ষিক মুনাফা ২০৩০ সাল নাগাদ ৯০০ কোটি ডলারে নিয়ে যেতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনটিতে।
নব্বইয়ের দশকের পর সম্প্রতি সর্বোচ্চ চাপে থাকা অর্থনীতিটি এক ঢিলে দুই পাখি মারার সুযোগ পাচ্ছে। প্রথমত, বিভিন্ন সুবিধার আওতায় বিদেশী কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ অনুমোদনের মাধ্যমে নিজেদের আর্থিক খাত ঢেলে সাজানোর সুযোগ পাচ্ছে অর্থনীতিটি। দ্বিতীয়ত, দেশটি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে একতরফা সুবিধা ভোগ করে বলে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অভিযোগ খণ্ডনেরও সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে বেইজিং।
প্রতিদিন দই কেন খাবেন?
লোকসমাজ ডেস্ক॥ দই
খুব সহজেই বানানো যায় এমন একটি খাবার হলো দই। এটা ঝামেলাহীনভাবে বেশ কয়েকদিন সংরক্ষণ করা যায়। ফলে এক বাটি দই আপনি বেশ কয়েকদিন খেতে পারবেন। যাদের চিনি খেতে সমস্যা, তারা চাইলে টক দইও খেতে পারেন। দই শরীরের জন্য খুবই উপকারী।
দই খেলে কী উপকার পাবেন দেখে নিন:
হজমে সহায়তা
দই এমন একটি খাবার, যাতে জীবিত ব্যাকটেরিয়া থাকে। এগুলো হজম প্রক্রিয়ায় কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বদহজমের ওষুধ হিসেবে দইয়ের পরিচিতি রয়েছে।
সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান ত্বক
দই ত্বককে সুন্দর ও স্বাস্থ্যবান করে তোলে। পাশাপাশি প্রাকৃতিকভাবে ত্বকের শুষ্কতাও দূর করে। অনেকেই ত্বকের সৌন্দর্যের জন্য নানা ধরনের ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন। সেগুলোর পরিবর্তে নিয়মিত দই খেলে সন্তোষজনক উপকার পাওয়া যাবে।
উচ্চরক্তচাপ দূর করা
আমেরিকান হার্ট এসোসিয়েশনের (এএইচএ) হাই ব্লাড প্রেসার রিসার্চ সায়েন্টিফিক সেশনে উপস্থাপিত একটি গবেষণা বলছে, যারা নিয়মিত ফ্যাটহীন দই খায়, তাদের উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের চেয়ে ৩১ শতাংশ কম।
নারীদের যৌনাঙ্গের সংক্রমণ দূর
নারীদের যৌনাঙ্গে সংক্রমণ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে দই। এতে ল্যাকটোব্যাকিলাস অ্যাসিডোফিলাস নামের একধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে, যা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করে।
হাড়ের জন্য উপকারী
দই হাড়ের জন্যও খুব উপকারী। ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অব এগ্রিকালচার বলছে, প্রতি ২৫০ গ্রাম দইয়ে ২৭৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম থাকে। প্রতিদিন এই পরিমাণ ক্যালসিয়াম গ্রহণ করলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ার পাশাপাশি হাড়কে শক্ত করে।
দই কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
অকাল বার্ধক্য ও চুল পাকা বন্ধ করে। দই ত্বকে লাগালে ত্বক মসৃণ হয় ও দাগ দূর হয়। শিশু থেকে বৃদ্ধ – দই সবার জন্যেই পুষ্টিকর। দই মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস গ্রহণে সাহায্য করে।
দই যে আয়ু বাড়ায়
গবেষণায় প্রমাণিত দই নানা ধরনের রোগ ঠেকায়, এমনকি ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
নতুন রেজর সিরিজ পেতে অপেক্ষাটা বেড়েই গেল
ভার্টিকাল ফোল্ডিং স্ক্রিনসহ এ ফোনটি মটোরোলার ২০০৫ সালের জনপ্রিয় ফোন মটোরেজের আধুনিক ভার্সন। প্রায় ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা (১৫০০ মার্কিন ডলার) দামের এ ডিভাইসটি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সরবরাহ শুরু করার কথা ছিল গত ২৬ ডিসেম্বর। দেরি হওয়ার জন্য মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান লেনোভো রেজরের জনপ্রিয়তাকে দায়ী করছে। তারা বলছে, ফোনের চাহিদার পরিমাণ এর যোগানের চেয়ে অনেক বেশি।
তবে এ ফোল্ডিং ফোনেও বেশ কিছু সমস্যা রয়েছে। এখনো ফোন বাজারজাত করার নতুন তারিখ না জানালেও মটোরোলা জানিয়েছে, ফোন বাজারে ছাড়তে খুব বেশি দেরি হবে না।
বিবিসির সাংবাদিক ক্রিস ফক্স যখন ফোনটির পরীক্ষানাধীন মডেল ব্যবহার করেন, তখন এর হার্ডওয়্যারে কিছু সমস্যা খুঁজে পান। তার মতে, এটি প্রাথমিক ডিভাইস হিসেবে নয় বরং ফ্যাশনেবল পণ্য হিসেবে মানুষ ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করবে।
দাম হিসেবে ১৫০০ ডলার একটু বেশি মনে হলেও ফোল্ডিং সেটগুলোর মধ্যে এর প্রতিদ্বন্দ্বী ফোনগুলোর-স্যামসাং ফোল্ড (১৯৬০ ডলার) ও হুয়াওয়ে মেইট এক্স (২৬০০ ডলার)- চেয়ে এর দাম কমই।
এপ্রিলে স্যামসাং-ও তাদের ফোল্ড সেটের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতকরণের তারিখ স্থগিত করে, যখন পরীক্ষামূলক ব্যবহারকারীরা জানায় যে ফোনের স্ক্রিন ভেঙে গেছে।
স্যামসাংয়ে সমস্যা দেখা যাওয়ার পর হুয়াওয়েও জানায়, তাদের আরো পরীক্ষা করতে হবে এবং তাদের মেইট এক্স’এর বাজারে ছাড়ার তারিখ পেছায় তারা।দেরিতে হলেও দু’টি ডিভাইসই শেষ পর্যন্ত বাজারে ছাড়া হয়-ফোল্ড আসে সেপ্টেম্বরে এবং মেইট এক্স নভেম্বরে।২০১৯ সালের শুরুতে ধারণা করা হয় যে, স্মার্টফোনের বাজারের মন্দার ভাব কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখবে নতুন এই ফোল্ডিং সেটগুলো। তবে ফোল্ডিং স্মার্টফোন প্রথম বাজারে আনার কৃতিত্ব কিন্তু কোনো খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানের নয়।
২০১৮ সালের অক্টোবরে ক্যালিফোর্নিয়ার রয়্যাল কর্পোরেশন ফ্লেক্সপাই নামের একটি ফোল্ডিং সেট প্রকাশ করে বেইজিংয়ে। তবে ওই সেটটি সেভাবে বাজারজাত করা হয়নি এবং এর রিভিউও খুব একটা ভাল ছিল না।
এ বছরের জানুয়ারিতে শাওমির প্রেসিডেন্ট বিন লিনও একটি ফোল্ডিং ফোনের পরীক্ষামূলক ভার্সন প্রদর্শন করেন, কিন্তু চীনা প্রতিষ্ঠানটি এখনো ব্যবহারকারীদের জন্য পণ্যটি চূড়ান্ত করতে পারেনি।
তবে আগামী দশকে স্মার্ট ডিভাইসের বাজারে ফোল্ডিং প্রযুক্তি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে বলে ধারণা পোষণ করেন বিশেষজ্ঞরা।
প্রযুক্তি বিশ্লেষক বেন উড বলেন, শুধু স্মার্টফোনই নয়, আগামী এক দশকে নিত্য ব্যবহার্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যেই বিপ্লব ঘটাবে ফোল্ডিং স্ক্রিনের এই প্রযুক্তি। কিছুদিনের মধ্যেই সব ধরণের পণ্যে স্ক্রিন লাগানো দেখতে পাবো।
আর এ ধরনের প্রযুক্তির বেশি দাম থাকার বিষয়টি নিয়ে যারা চিন্তিত, তাদের জন্যও একটি সুখবর রয়েছে।
কলম্বিয়ার মাদক সম্রাট পাবলো এসকোবারের ভাইয়ের প্রতিষ্ঠান ‘এসকোবার ইনকর্পোরেটেড’ ঘোষণা দেয় যে ফোল্ডিং সেট দিয়ে তারা স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশ করতে যাচ্ছে এবং তাদের প্রথম পণ্যের দাম হবে ৩৪৯ ডলার।
বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি ওয়েবসাইট জানিয়েছে যে ডিজাইন ও ফোনের অভ্যন্তরীন যন্ত্রাংশের হিসেবে এসকোবার ফোল্ড ওয়ানের সাথে রয়্যাল ফ্লেক্সপাইয়ের যথেষ্ট মিল রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির নিজেদের ওয়েবসাইটেই এই ফোনটির উল্লেখ নেই। সূত্র : বিবিসি বাংলা।
ঠাণ্ডার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ইয়োগা
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ঠাণ্ডায় নানারকম শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। সাধারণ সর্দি-জ্বর, কাশি থেকে শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া পর্যন্ত হতে পারে। আর প্রচণ্ড শীতের ধকল সইতে না পেরে প্রতি বছরই মারা যায় বহু শিশু ও বয়ষ্ক মানুষ।
মূলত শরীরে যখন রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়ে তখন সামান্য কারণেও মানুষের মৃত্যু হতে পারে। তাই জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন শরীরে শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা। এজন্য নিয়মমাফিক দৈনন্দিন জীবনযাপন, সুষম খাদ্যাভ্যাস ও প্রতিদিন যোগব্যায়াম করা জরুরি।
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, রক্তসঞ্চালন সুষম করা ও ফুসফুসের কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য অর্থাৎ ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে এই ১০টি যোগাসন খুব কার্যকর – উত্তানাসন বা পদহস্তাসন, অধোমুখ স্বনাসন, অর্ধ মৎস্যেন্দ্রাসন, সেতুবন্ধাসন, উষ্ট্রাসন, সালম্ব শীর্ষাসন, হলাসন, বিপরীতকরণী, ধনুরাসন ও শবাসন।
এর সঙ্গে সূর্য অনুলোম-বিলোম প্রাণায়াম আপনার শরীরকে উষ্ণ রাখতে সহায়তা করবে।
পদ্ধতি
পদ্মাসন, সিদ্ধাসন বা সুখাসনে মেরুদণ্ড সোজা করে বসতে হবে। এবার ডান হাতের অনামিকা ও কনিষ্ঠা আঙুল দিয়ে নাকের বাম দিকে আলতো করে চেপে ছিদ্রপথ বন্ধ করতে হবে। ডান ছিদ্রপথে ধীরে ধীরে শ্বাস গ্রহণ করুন এবং একই পথে ধীরে ধীরে শ্বাস ত্যাগ করুন। এভাবে চর্চা করুন ৩ থেকে ৫ মিনিট। এই প্রাণায়াম আমাদের শরীর উষ্ণ করে এবং ওজন কমাতে অর্থাৎ মেদ কমাতে সহায়তা করে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাণায়াম প্রতিদিন খালি পেটে সকাল-সন্ধ্যা মাত্র ১ মিনিট করেও যদি চর্চা করেন, তবুও আপনি বেঁচে যাবেন সামান্য ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা থেকে শুরু করে মরণঘাতী বহু রোগ থেকে। এর নাম কপালভাতি প্রাণায়াম।
কপালভাতি প্রাণায়াম
প্রক্রিয়া
• খালি পেটে সিদ্ধাসনে বা পদ্মাসনে বসে দুই হাটুর ওপর দুই হাত ধ্যানমুদ্রায় রাখুন। এটা না জানলে এমনিতেই হাত দু’টি দু’হাঁটুর ওপর রেখে সুখাসনে বসুন।
• মেরুদণ্ড সোজা ও চোখ বন্ধ রেখে বুক ভরে শ্বাস গ্রহণ করুন।
• এরপর সজোরে শ্বাস ত্যাগ করুন। নাকের ভেতর হঠাৎ ময়লা বা পোকা ঢুকে গেলে আমরা যেমন সজোরে শ্বাস ত্যাগ করে অবাঞ্ছিত বস্তুটাকে বের করতে চেষ্টা করি, সেরকম সজোরে শ্বাস ত্যাগ করতে হবে।
• আবারও শ্বাস গ্রহণ করুন ফুসফুস ভরে। খেয়াল করুন আপনার পেট ফুলে কিছুটা উঁচু হয়ে উঠবে। এবার সজোরে শ্বাস ত্যাগ করুন। খেয়াল করুন আপনার পেট গভীরে ঢুকে যাবে এসময়।
• সাবধান থাকতে হবে যে, শুধুমাত্র শ্বাস ত্যাগ করতে হবে সজোরে। কিন্তু গ্রহণ করতে হবে স্বাভাবিকভাবে।
• শ্বাস গ্রহণ করার সময় কোনো সতর্কতা বা জোর খাটানোর প্রয়োজন নেই। ডায়াফ্রামের ক্রিয়ায় ফুসফুস এমনিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় বায়ু ভেতরে টেনে নেয়। আপনার কাজ শুধু সজোরে ত্যাগ করা। আপনার মনোযোগ থাকবে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসে।
• যখনই আপনার কষ্ট অনুভব হবে, তখনই থেমে যাবেন। জোর করে প্রাণায়াম করবেন না।
• একটু বিশ্রাম নিন। তারপর আবার অনুশীলন করুন।
• এসময় আপনার মেরুদণ্ডের নিম্নভাগে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। একটু থামুন। বুক ভরে শ্বাস গ্রহণ ও ত্যাগ করুন কয়েকবার। দেখবেন ব্যথা ঠিক হয়ে গেছে। তারপর আবার অনুশীলন করুন।
• এসময় আপনার মুখমণ্ডল, কান, মাথা উষ্ণ হয়ে উঠবে। সারা শরীরে দারুণভাবে রক্তপ্রবাহ সঞ্চালিত হবে।
• প্রাণায়াম শেষে চোখ বন্ধ রেখেই শরীরের মাঝে যে নির্মল অনুভূতি লাভ করবেন, কিছুক্ষণ সেটা উপভোগ করুন।
• এবার দুই হাতের তালু ঘষে তাপ উৎপন্ন করে চোখে-মুখে মেখে নিন।
• এই গোটা প্রক্রিয়া কমপক্ষে ১ থেকে ২ মিনিট অনুশীলন করাই যথেষ্ট। তবে প্রতিদিন অন্তত ৫ মিনিট করতে পারলে ভালো। অভ্যস্ত হয়ে গেলে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পর্যন্ত এটা প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে।
• অসুস্থ শরীরে, গর্ভাবস্থায়, মাসিক চলাকালীন বা অস্ত্রোপচারের পর এই প্রাণায়াম করা যাবে না।
এই কপালভাতি প্রাণায়ামের উপকারিতা অপরিসীম। এখন শুধু এতটুকু বলে রাখি, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা আপনার ধারে-কাছে আসবে না। নিয়মিত প্রাণায়াম ও যোগাভ্যাস করুন। জীবনকে উপভোগ করুন।
শুষ্ক ত্বকের রাত্রিকালীন যত্ন কেমন হবে
লোকসমাজ ডেস্ক॥ শীতকালে স্বাভাবিকভাবেই সবার ত্বকে শুষ্কভাব দেখা দেয়। তবে যাদের ত্বকের ধরণ শুষ্ক হয়ে থাকে, তাদের জন্য শীতকালীন সময় বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। পুরো শীতকাল জুড়েই ত্বকে শুষ্ক ত্বকের যত্নে বিশেষ খেয়াল রাখা প্রয়োজন। রূপ বিশেষজ্ঞদের মতে শুষ্ক ত্বকের সুস্থতার বেশিরভাগ অংশই নির্ভর করে রাত্রিকালীন ত্বকের যত্নের উপর। আজকের ফিচার থেকে দেখে নিন রাত্রিকালীন শুষ্ক ত্বকের যত্নের বিশেষ পাঁচ ধাপ।
প্রথম ধাপ: ত্বকের ময়লা ও মেকআপ তোলা
সারাদিন শেষে রাতে প্রথম ধাপেই ত্বকের ময়লা ও মেকআপ তোলার কাজ করতে হবে। সাধারণ পানিতে মুখ ধোয়া হলেও ত্বকের গভীরে ময়লা রয়েই যায়। অয়েল-বেসড ক্লিনজিং ব্যবহারে শুষ্ক ত্বকের লোমকূপের ভেতর থেকে ময়লা বের করা সম্ভব হবে। এছাড়া অয়েল বেসড ক্লিনজিং ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কার হলেও শুষ্ক হবে না।
দ্বিতীয় ধাপ: ত্বক এক্সফলিয়েট করা
এই ধাপটি সপ্তাহে দুইবারের বেশি করা যাবে না। প্রতি সপ্তাহে দুইবার এক্সফলিয়েট করাই ত্বকের জন্য উৎকৃষ্ট। এতে করে কয়েকদিন ধরে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ময়লা ও মরা চামড়ার আস্তরণ ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব হয়।
তৃতীয় ধাপ: ত্বককে আর্দ্র করা
আগের ধাপগুলোয় ত্বককে ভালোভাবে পরিষ্কার করার পর এ ধাপে ত্বককে তার প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা দিতে হবে। বনতুবা ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ফেটে যাবে। ত্বককে আর্দ্র করার জন্য সবচেয়ে উপকারী হলো হাইড্রেটিং ও মিনারেল সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা।
serum
চতুর্থ ধাপ: হাইড্রেটিং সিরাম ব্যবহার করা
সিরাম ব্যবহারের চল বেশ নতুন। তবে শুষ্ক ত্বকের সার্বিক পরিচর্যায় সিরাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। কারণ সিরামে থাকা হাই কন্সেনট্রেশন উপাদান ত্বককে ভেতর থেকে সুস্থ ও সজীব রাখতে সাহায্য করে। সবচেয়ে ভালো হবে Hyaluronic Acid ও ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ সিরাম ব্যবহার করা, যা ত্বককে সঠিক মাত্রায় কোমল রাখতে কাজ করে। এ কারণে ময়েশ্চারাইজা ব্যবহারের পরবর্তী ধাপে অবশ্যই মনে করে সিরাম ব্যবহার করতে হবে।
পঞ্চম ধাপ: নাইট ক্রিম ব্যবহার করা
একেবারে শেষ ধাপে ব্যবহার করতে হবে নাইট ক্রিম। বিশেষত যাদের বয়স ৩০ এর উপরে, তাদের জন্য নাইট ক্রিম ব্যবহার বিশেষ প্রয়োজন। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে ত্বকের পিগমেন্টেশন ও মেলানিনের মাত্রা হ্রাস পেতে থাকে। এক্ষেত্রে নাইট ক্রিম অনেকটা অ্যান্টি-এইজিং ক্রিমের মতো কাজ করবে।
সরকারি কর্মচারীদের গৃহঋণে সুদের হার আরও কমল
লোকসমাজ ডেস্ক॥ সহজে বাড়ি নির্মাণ বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য সরকারি কর্মচারীদের ঋণে সুদের হার আরও কমিয়েছে সরকার। ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে সরকারি কর্মচারীদের স্বল্প সুদে গৃহঋণ দিতে ২০১৮ সালে যে নীতিমালা করেছিল অর্থ মন্ত্রণালয়, সুদের হারের দিক থেকে এখন তা আরও শিথিল করেছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ আজ সোমবার নীতিমালা সংশোধন করে গৃহঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। বুধবার অর্থাৎ ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে তা কার্যকর হবে। এই হার আগে ছিল সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ। আর আগেও তা ছিল সরল সুদ, এখনো তা–ই। অর্থাৎ সুদের ওপর কোনো সুদ আরোপ করা হবে না।
মূল নীতিমালায় বলা হয়েছে, ১০ শতাংশের মধ্যে ব্যাংক হার অর্থাৎ ৫ শতাংশ সুদ দেবেন ঋণ গ্রহণকারী, বাকি ৫ শতাংশ সরকার ভর্তুকি হিসেবে দেবে। নীতিমালার ৭.১ (ঘ) (৩) অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সুদের হার ৯ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, নতুন সুদের হার শুধু নতুন ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী চাকরির গ্রেড মেনে ২০ লাখ থেকে ৭৫ লাখ টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ পাবেন সরকারি কর্মচারীরা। শুরুতে বেসামরিক ও সামরিক কর্মচারীদের জন্য এ সুবিধা চালু করা হলেও পরে বিচারক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরাও এ তালিকায় যুক্ত হন।
বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশনসহ সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক প্রায় এক বছর ধরে স্বল্প সুদে এ ধরনের ঋণ দিয়ে আসছে।
দূষণমুক্ত ঢাকা গড়বেন তাবিথ, ১০০ বছরের ‘মাস্টার প্ল্যান’ ইশরাকের
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হলে দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য ঢাকা নগরী গড়ে তুলতে চান বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। আর দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)-এর মেয়র নির্বাচিত হলে ঢাকাকে নিয়ে ১০০ বছরের ‘মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি করবেন দলটির মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন। এই দুই মেয়র প্রার্থী নিজ-নিজ নির্বাচনি ইশতেহারে ঢাকাকে আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা তুলে ধরবেন বলেও তারা জানিয়েছেন। বিএনপির দায়িত্বশীলরা বলছেন, ডিএনসিসি ও ডিএসসিসি নির্বাচনি প্রচারণায় সরকারের আর্থিক দুর্নীতি, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি, ভোটাধিকার ইস্যুটি মেয়রপ্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচারণায় জায়গা পাবে।
প্রসঙ্গত, আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিএনপির পার্লামেন্টারি কমিটি মেয়রপ্রার্থী হিসেবে তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনের নাম ঘোষণা করে। দলের ভেতরে তরুণ দুই নেতাকে নিয়ে কিছু নেতিবাচক মনোভাব থাকলেও দলের হাইকমান্ডের আগ্রহেই মূলত তারা মনোনীত হয়েছেন। নির্বাচনি পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘পৃথিবীর বাসযোগ্য শহরের তালিকার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাবে, ঢাকা নিম্নতালিকায় চলে এসেছে। আমি মেয়র নির্বাচিত হলে প্রথম কাজেই হবেই রাজধানীকে বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলা। এজন্য দূষণমুক্ত পরিবেশ, নিরাপদ খোলা পরিবেশ, জলাবদ্ধতা মুক্ত করবো।’ মেয়র নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনকে দুর্নীতিমুক্ত করাকে প্রাথমিক কাজ বলে উল্লেখ করে তাবিথ বলেন, ‘তবে শহর পরিকল্পনায় কোনও বিষয় এককভাবে অগ্রাধিকার পেতে পারে না। যেমন ডেঙ্গু মোকাবিলায় অগ্রাধিকার দিতে বায়ুদূষণ বেড়ে যাবে। আবার বায়ুদূষণ মোকাবিলা করতে গেলে বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যাবে না। এসব সবকিছুরই সমন্বয় করে কাজ করবো।’
ঢাকা সিটির সমস্যাগুলোকে চিহ্নিত করে ‘অদম্য ঢাকা প্ল্যাটফর্ম’-এর মাধ্যমে ১২ প্রকল্পে সীমিত করা হয়েছে উল্লেখ করে তাবিথ বলেন, ‘এরমধ্যে রয়েছে—বর্জ্য ব্যবস্থা, নালা পয়ঃনিষ্কাশন করা, জলাবদ্ধতা দূর করা, মশানিধন করা, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা, সবার জন্য আবাসন ব্যবস্থা করা। আমি মনে করি, এই ১২টিকে সমন্বিতভাবেই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ একটির সঙ্গে আরেকটি সম্পর্কিত। যেমন, বর্জ্যের সঙ্গে জলাবদ্ধতা সম্পর্কিত। আবার জলাবদ্ধতা হলে মশার জন্ম হয়। মশা থেকে ডেঙ্গু রোগের সৃষ্টি হয়।’ এদিকে, পৃথিবীর অপরিকল্পিত নগরী ও বসবাসের অনুপযোগী শহরের তালিকায় গত কয়েকবছরে ঢাকা ১ থেকে ৫ মধ্যের থাকে বলে অভিযোগ করেন ডিএসসিসির মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, ‘মেয়র হলে প্রথমে ঢাকাকে বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে চাই। ঢাকার প্রধান সমস্যা হচ্ছে—যানজট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, জলাবদ্ধতা, বায়ুদূষণ। যানজটের কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার কারণে বছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা নষ্ট হচ্ছে। এগুলো প্রথমে সমাধান করবো।’
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘নির্বাচিত হলে বায়ুদূষণ, নিরাপদ শহর, যানজট নিরসন করা, মশকনিধন অধিদফতর কার্যক্রর করার পাশাপাশি নতুনভাবে যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করবো।’ ঢাকায় মেট্রোপলিটন গভর্নমেন্টের আওতায় আনার কথা জানিয়ে ইশকার বলেন, ‘ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতা হলে ঢাকা সিটি করপোরেশন ও ওয়াসার মধ্যে এক ধরনের কাদা ছোড়াছুড়ি হয়। আমি এই জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্ষাকালের জন্য বসে থাকবো না। বছরের শুরুতেই এই নিয়ে কাজ করবো। ফায়ার সার্ভিস এখন সিটি করপোরেশনের আওতায় নেই। আমি মেয়র হওয়ার পর এটিকে সিটি করপোরেশনের আওতাভুক্ত করবো। কারণ ঢাকা সিটিতে কোথাও আগুন লাগলে মানুষের আশা থাকে যে, মেয়র কিছু করবেন।’
ঢাকা নিয়ে ১০০ বছরের ‘মাস্টার প্ল্যান’ করার ইচ্ছার কথা জানিয়ে ইশরাক বলেন, ‘এই পরিকল্পনা করা হবে নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, বিদেশি বিশেজ্ঞষদের সমন্বয়ে।’ ইশরাক হোসেন বলেন, ‘রাজধানীতে নাগরিকদের ২৪ ঘণ্টা সুবিধার জন্য ওয়ান স্টপ সেন্টার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এখানে নাগরিকরা সবকিছু পাবে।’ সিটি নির্বাচনে বিএনপির প্রচারণায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনাকে প্রাধান্য দেওয়া হবে উল্লেখ করে ইশরাক হোসেন বলেন, ‘দেশে যে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চলছে, তার অবসান করতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। আমরা জনগণের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরবো।’
এদিকে, বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপির নেতৃত্বধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো। তবে সিটি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির আরেক জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের কোনও আগ্রহ নেই। ঐক্যফ্রন্টের শরিক নেতারা বলছেন, সিটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা বা প্রার্থী দেওয়া নিয়ে বিএনপির সঙ্গে কোনও আলোচনা হয়নি তাদের। ফলে, এই নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনও আগ্রহও নেই। বিএনপির প্রার্থীদের পক্ষেও কাজ করা বা বিরোধিতা করা, কোনোটিই করবেন না তারা। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘সিটি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আমার কোনও আলাপ হয়নি। এই সরকারের অধীনে যে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না, তা প্রমাণিত হয়ে গেছে।’ ২০ দলীয় জোটের সমন্বয়ক বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিএনপির মেয়র প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করবে ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলো।’ জোটভুক্ত শরিক দলগুলো নির্বাচনি প্রচারণায় অংশ নেবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।










