ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানাধীন শিরোমণি বিআরটিএ কার্যালয়ে বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত খুলনা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। অভিযান চলাকালে দুদক কর্মকর্তারা বিআরটিএ কার্যালয়ে অবস্থিত আনসার ব্যারাকে তল¬াশি চালান। এসময় তারা আনসার সদস্য মো. আনোয়ারের ট্রাংকে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র, নাগরিক সনদপত্র, নোটারি পাবলিকের কাগজপত্র ও লার্নার ফরম উদ্ধার করেন। এ ছাড়া বিআরটিএর দালাল যোগীপোল এলাকার আব্দুল বারিকের ছেলে আকিব মোল্যার কাছে বিভিন্ন ব্যক্তির গাড়ির কাগজপত্র পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। দুদকের অভিযানের দায়িত্বে থাকা সহকারী পরিচালক শাওন মিয়া জানান, বিভিন্ন গাড়ি হস্তান্তরের কাগজপত্র, গাড়ির রুট পারমিট, ফিটনেস এবং ড্রাইভিং লাইসেন্সের কাগজপত্র তৈরিতে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দালালের মাধ্যমে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বেশ কিছুদিন ধরে নজরদারিতে রেখে এদিন (বুধবার) সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে অভিযান শুরু করা হয়। বিকেল সাড়ে তিনটায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আটক আনসার সদস্য মো. আনোয়ারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং দালাল আকিব মোল্যাকে ৪ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন। অভিযান চলাকালে দুদক কর্মকর্তাদের মধ্যে আরোও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ, মো. মনিরুজ্জামান, উপ-সহকারী পরিচালক নীল কমল পাল, মো. কামরুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়া খানাজাহান আলী থানা পুলিশের একটি টিম দুদক কর্মকর্তাদের অভিযান চলাকালে সহযোগিতা করেন।
কেমন চিকিৎসা পাচ্ছেন ডাকসুতে হামলায় আহতরা
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে হামলায় আহতদের অনেকে এখনোঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন। সেখানে তারা কেমন চিকিৎসা পাচ্ছেন, আর সর্বশেষ অবস্থা কী তা সরেজমিনে গিয়ে জানার চেষ্টা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে ঢামেকে গিয়ে দেখা যায়, ২২ ডিসেম্বর ডাকসু ভবনে হামলায় আহত হওয়া চারজন এখনো সেখানে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে এ পি এম সোহেলের অবস্থা সব চেয়ে খারাপ। অপারেশনের পর আইসিইউ থেকে এইচ ডি ইউ ঘুরে এখন কেবিনে রাখা হয়েছে তাকে। গুরুতর আঘাতে তার মেরুদন্ডের হাড় সরে যাওয়ায় বিছানায় শুয়েই দিন পার করতে হচ্ছে। হাটা কিংবা বসা কোনটাই করতে পারছেন না সোহেল। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার দীর্ঘদিন বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। ধীরে ধীরে তার অবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা করছেন তারা। তার ছোট ভাই সামিউর রহমান সুমন জানায়, সোহেলকে এখন নিয়মিত স্বাভাবিক খাবার দেয়া হচ্ছে। তার মাথায় ব্যাথা আছে, মেরুদন্ডে আঘাত থাকায় কোনো প্রকার নড়াচড়া করতে পারেন না। যাকে ঘিরে আমাদের সব স্বপ্ন ছিল, সে আজ পঙ্গু হওয়ার পথে।
সোহেলের মাথায় আঘাত জনিত রক্তক্ষরণের কারণে অপারেশন করা হয়েছিল। ঘটনার দিন তাকে ডাকসু ভবনের ছাদ থেকে ফেলে দেয় হামলাকারীরা। পরে সেখান থেকে উদ্ধার করে ঢামেকের আইসিইউতে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কেবিনে রাখা হয়েছিল। পরে তার অবস্থার অবণতি হলে মাথায় অপারেশন করা হয়। সোহেল জানান, তার মাথা সব সময় গরম থাকে। নাড়তে পারেন না। প্রচন্ড ভারি অনুভব হয়। ব্যথাও এখনো কমেনি। এছাড়া মেরুদন্ডে আঘাতের কারণে কোনো প্রকার নড়াচড়া করতে পারছেন না। চিকিৎসকরা তাকে বিশ্রামে থাকার পরার্শ দিয়েছেন। সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ন ফারুক হোসেন জানান, ঢামেক কর্তৃপক্ষ আমাদের যে সেবা দিয়েছে, তার তুলনা হয়না। তারা তাদের অবস্থান থেকে আমাদের সর্ব্বোচ্চ সেবা দিয়েছেন। তাদের প্রতি আমরা কৃর্তজ্ঞ। আমরা মনে করছি উন্নত চিকিৎসার জন্য সোহেলকে দেশের বাইরে নেয়া দরকার। সব কিছু ঠিক থাকলে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত সময়ে আমরা তাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাব।
সোহেলের পাশাপাশি বেডে শুয়ে আছেন মাথায় গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত আমিনুর রহমান। তার মাথায় অপারেশন করা হয়েছে হয়েছে। অসংলগ্ন কথা বলা এখনো স্বাভাবিক হয়নি। নিজ থেকে বসতে পারছেন না। তবে চিকিৎসকরা তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন। একই কেবিনে থাকা সংগঠনের যুগ্ম আহ্বয়াক ফারুক হোসেনকে অবস্থার উন্নতি হওয়ায় বুধবার দুপুরে ঢামেক কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিয়েছে। তিনি হাত ও বাম চোখে আঘাত পেয়ে ছিলেন। ফারুক জানায়, তার আরো চিকিৎসার প্রয়োজন ছিল। চিকিৎসকরাও তাই বলেছিলেন। তবে কেন জানি আজ ছাত্রপত্র দিয়ে দেয়া হয়েছে। তার বাম চোখে এখন হালকা প্যারালাইজ অনুভুত হচ্ছে। কথা বলতে ও পানি পান করার সময় সমস্যা হচ্ছে। মুখের একপাশ বেকে গেছে। তবে চিকিৎসকরা তাকে থেরাপি নিয়মিত করার জন্য বলেছেন। চিকিৎসাধীন আরো দু’জনকে কেবিন থেকে কিডনি রোগ বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। তার মধ্যে মেহেদি হাসানের দুইবার ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। কিডনির জয়েন্টে অপারেশন দেয়া হয়েছে। গুরুতর আঘাত প্রাপ্ত হওয়ায় তার কিডনিতে সমস্যা দেখা দেয়। ডিউটি ডাক্তার জানান, তার রির্পোট পজেটিভ রয়েছে। তাদের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে বলেও জানান চিকিৎসকরা।
পাশাপাশি শুয়ে আছেন একই ঘটনায় আহত আরিফুল ইসলাম আদিব। তার এ পর্যন্ত তিনবার ডায়ালাইসিস হয়েছে। কাল (বৃহস্পতিবার) আবার হতে পারে। এছাড়া আরিফের চোখে গুরুতর আঘাত থাকায় চোখ দু’টি এখনো ভালভাবে খুলতে পারছেন না। নিউরো মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ রাজিউল হক জানান, সোহেল ও আমিনুরের অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। তাদের রক্ত সহ কয়েকটি পরীক্ষা দেয়া হয়েছিল সেসব পজেটিভ রয়েছে। তিনি জানান, সোহেলের অবস্থার পুরোপুরি উন্নতি হতে সময় লাগবে। তার মেরুদন্ডে আঘাত থাকায় তাকে অন্তত দেড় থেকে দু’মাস রেস্টে থাকতে হতে পারে। মঙ্গলবার দুপুরে ভিপি নুরুল হক নুরকে ছাড়পত্র দিয়েছে ঢামেক কর্তৃপক্ষ। সে এতোদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। ঢামেক কর্তৃপক্ষ নুরকে ছাড়পত্র দিলেও নুরের অভিযোগ দিনে দিনে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হলেও তাকে অজ্ঞাত নির্দেশে ঢামেক কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে। নুর এখন রাজধানীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর দুপুরে ডাকসু ভবনে হামলা চালায় ‘মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ’ ও ছাত্রলীগ। হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)’র ভিপি নুরুল হক নুর সহ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের অন্তত ২৪জন নেতা-কর্মী আহত হন।
২০২০ যেন খালেদা জিয়ার মুক্তির বছর হয় : দুদু
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, ২০২০ সাল যেন খালেদা জিয়ার মুক্তির বছর। এ শপথ আমাদের নিতে হবে। তিনি বলেন, ২০২০ সাল যদি পরিবর্তনের বছর হয়, তাহলে ছাত্রদলকে দায়িত্ব নিতে হবে। এ সাল যেন হয় খালেদা জিয়ার মুক্তির বছর, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার মুক্তির বছর। এ সাল যেন হয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বছর। বুধবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে ছাত্রদলের ৪১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্র সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
দুদু বলেন, আজকের এ মঞ্চে বেগম খালেদা জিয়ার উপস্থিত থাকার কথা ছিল। যদি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ হতো, তাহলে বেগম জিয়া এখানে উপস্থিত থাকতেন। যদি সত্যিকারের বাংলাদেশ হতো তাহলে এখানে তারেক রহমান উপস্থিত থাকতেন। দুদু বলেন, আপনাদের প্রাণের উচ্ছ্বাস আমরা দেখেছি। শুধু পুরুষতান্ত্রিক সমাজ নয়, যদি আন্দোলন করতে হয় এখানে যতগুলো ছেলে আসছে ততগুলো মেয়ে আসতে হবে। ছেলে এবং মেয়ে, ছাত্র এবং ছাত্রী সমউদ্যোগে প্রকম্পিত করেছিল ছাত্রদলকে। তখন দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছিল। তেমন সংগঠন তৈরি করতে হবে। ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হাসান শ্যামলের সঞ্চালনায় সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আকরামুল হক মিন্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কেশবপুরে অজ্ঞান পার্টির কবলে এক ব্যবসায়ী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে যশোরের কেশবপুরে আব্দুল গফফার (৩০) নামে এক ব্যবসায়ী ২০ হাজার টাকা খুঁইয়েছেন। নতুন বছরের প্রথম দিনে গতকাল দুপুরে কেশবপুর থেকে উদ্ধার করার পর তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আব্দুল গফফারের বাড়ি ঝিকরগাছা উপজেলার গঙ্গানন্দপুরে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আফসার আলীর পুত্র। তার প্রতিবেশী ইলিয়াস হোসেনব জানিয়েছেন, মআব্দুল গফফার কাঁচামালের ব্যবসায়ী। তিনি সকালে কেশবপুরে কাঁচামাল বিক্রি করে আব্দুল গফফার দুপুরে বাড়ি ফিরছিলেন। কেশবপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে অজ্ঞান পার্টির সদস্যরা কৌশলে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে এবং তার কাছে থাকা অনুমান ২০ হাজার টাকা নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। সেখান থেকে উদ্ধার করার পর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
কালীগঞ্জের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে বই বিতরণ
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা ॥ নতুন বছরের প্রথম দিনে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের আনোয়ারুল আজীম ও আলহাজ বদর উদ্দীন প্রতিবন্ধী অটিস্টিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে নতুন বই বিতরণ করেছেন। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কালীগঞ্জ ফয়লা গ্রামের স্কুল প্রাঙ্গনে ৩ শ শিক্ষার্থীর মধ্যে বই বিতরণ উৎসবে যোগ দেন প্রধান অতিথি কালীগঞ্জ উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুল হাসান। তিনি শিশু ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দিয়ে উপস্থিত অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বছরের প্রথম দিনেই দেশব্যাপী সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হচ্ছে।
অন্যরূপে মেহজাবিন
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নতুন বছরের প্রথম দিন দর্শকের সামনে অন্যরূপে আসছেন টিভি নাটকের জনপ্রিয় ও ব্যস্ততম অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। দর্শকের জন্য এটি একটি বিশেষ চমক বলেও জানান এ তারকা। লাইভ টেকের ইউটিউব চ্যানেলে আজ প্রকাশ হচ্ছে তার অভিনীত ‘মরীচিকা’ শিরোনামের একটি নাটক। এটিতে এ অভিনেত্রীকে দেখা যাবে একেবারেই নেতিবাচক একটি চরিত্রে। এ ধরনের চরিত্রে এর আগে কখনও অভিনয় করেননি তিনি। নাটকটিতে তিনি জুটি বেঁধেছেন জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশোর সঙ্গে। নাটকটি নির্মাণ করেছেন কাজল আরেফিন অমি। মেহাজবিন এ বিষয়ে বলেন, নতুন বছর নতুন কিছু দিয়ে শুরু করলাম।
আমি সব সময় চেষ্টা করি ভিন্ন কিছু দর্শকদের দেয়ার জন্য। তারই ধারাবাহিকতায় এ নাটকটি করা। এ নাটকে দর্শক চেনা মেহজাবিনকে পাবে না। নাটকে গল্পের শেষটা সবার মনে ভিন্নরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে বলতে পারি। এদিকে নতুন বছরের পরিকল্পনা নিয়েও এ অভিনেত্রী কথা বলেন। তার ভাষ্য- গেল বছরটি খুব ব্যস্ততার মধ্যে কাটিয়েছি। ব্যস্ত থাকার কারণে পরিবারকে ঠিকমতো সময় দিতে পারিনি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, নতুন বছরে কাজের পরিমাণ কম হবে। পরিবারকে সময় দিতে চাই। পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেশ-বিদেশ ঘুরতে চাই। পাশাপাশি নিজেকেও সময় দেয়া দরকার। কাজের জন্য ব্যক্তিজীবনের কথাও ভাবতে পারছি না। তবে ব্যক্তি মেহজাবিনকে সময় দিলেও নতুন বছরে বিয়ের পরিকল্পনা নেই বলেই জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী। গেল বছরে এ গ্ল্যামারকন্যার ‘এই শহরে’, ‘মায়া সবার মতো না’, ‘প্রশংসায় পঞ্চমুখ’, ‘বিউটিফুল’ ও ‘পতঙ্গ’সহ কয়েকটি ভিন্নধর্মী গল্পের নাটক দর্শকমহলে দারুণ সাড়া ফেলেছে। প্রতিটি নাটকে অনবদ্য অভিনয় দর্শকের মনে দাগ কাটে। মেহাজাবিন বলেন, গেল বছর রোমান্টিক ইমেজ থেকে বের হয়ে এসেছি। অনেকের মুখে শুনেছি আমি শুধু প্রেম ভালোবাসার নাটকেই কাজ করি। তাদের সেই ভুল ধারণার অবসান হয়েছে গেল বছরের কয়েকটি নাটকের মধ্য দিয়ে। চলতি সময়ের জনপ্রিয় কয়েকজন নির্মাতার নাটকে বৈচিত্র্যময় চরিত্রে অভিনয় করেছি। নিজেকে ভাঙার মতো সুযোগ পেয়েছি। আগামীতেও এমন নতুন নতুন চরিত্রে দর্শক দেখবেন আমাকে।
আতসবাজি, প্রার্থনা ও নেচে গেয়ে দু’হাজার বিশ সালকে স্বাগত বিশ্ববাসীর
লোকসমাজ ডেস্ক॥ আমাদের এ বিশ্ব আজ বুধবার পয়লা জানুয়ারী আতসবাজির ফুলঝুরি জ্বালিয়ে, রাতভর নেচে গেয়ে – প্রার্থনা নিবেদন ক’রে নতুন বছর দু’হাজার বিশ সালকে স্বাগত: জানিয়েছে।
আমাদের এ বিশ্ব আজ বুধবার পয়লা জানুয়ারী আতসবাজির ফুলঝুরি জ্বালিয়ে, রাতভর নেচে গেয়ে – প্রার্থনা নিবেদন ক’রে নতুন বছর দু’হাজার বিশ সালকে স্বাগত: জানিয়েছে।
নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ারে প্রতিবারের মতো এবারেও বিপুল জন সমাগম হয় – আতসবাজির উৎসব চলে – সঙ্গীতের সূরলহরী ঝংকার তোলে ব্রাজিলের সেই বিখ্যাত কোবা কাবানা সমুদ্র সৈকতে। কয়েক লক্ষ মানুষ জমায়েত হয় রিও ডি জেনীরোর আতসবাজির উৎসব দেখতে।
আতসবাজি ঝলকে ওঠে প্যারিসের আকাশে – মস্কোয় ক্রেমলীনের বিশালাকৃতির ঘড়িতে ঘন্টাধ্বনী আওয়াজ তোলে নতুন বছরের আগমনী সঙ্গীতের। দশ মিনিটস্থায়ি আতসবাজির উৎসব চলে দুবাইয়ে- জাপান নববর্ষকে অভ্যর্থনা জানায় বৌদ্ধ মন্দিদের ঘন্টাধ্বনীর মধ্যে দিয়ে।
এশিয়ায়- প্রশান্ত মহাসাগরবর্তী অঞ্চলে, অস্ট্রেলিয়ায়, সীডনী হারবারে আতসবাজির ফুলঝুরি আলোক মালায় উদ্ভাষিত ক’রে তোলে সমগ্র আকাশ। নতুন বছরকে মোবারকবাদ জানাতে উৎসব হয় –বাংলাদেশ,ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, মধ্যপ্রাচ্য – মায় অতলান্তিকের এপারে যুক্তরাষ্টেও।
সবার জন্যে টুয়েন্টি টুয়েন্টি দর্শন নন্দনের মতোই দ্যুতিময় হয়ে উঠুক এ নতুন বছর টুয়েন্টি টুয়েন্টি।
২০১৯ সালে কাশ্মীরে ২৩৯ প্রাণহানি
লোকসমাজ ডেস্ক॥ নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা বাতিলের পর গত পাঁচ মাসে উপত্যকায় অন্তত ৬৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে দাবি করেছে স্থানীয় একটি মানবাধিকার সংগঠন। এছাড়া ২০১৯ সালে সব মিলিয়ে কাশ্মীরে ২৩৯ জন নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত এক বছরে অবরুদ্ধ কাশ্মীর উপত্যকায় মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্থানীয় মানবাধিকার সংগঠন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর কোয়ালিশন অব সিভিল সোসাইটি বা জেকেসিসিএস। এই হিসাব তারাই দিয়েছে।
জেকেসিসিএস-এর দেয়া হিসাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালে ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরে হামলা-বিষ্ফোরণ-গুলিসহ নানাভাবে ৮০ জন বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়া ১৫৯ জন অস্ত্রধারীর পাশাপাশি ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর ১২৯ জওয়ান নিহত হয়েছেন। নিহত বেসামরিক নাগরিকের মধ্যে ১২ জন নারী।
মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের স্থানীয় ওই মানবাধিকার সংগঠনটির প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বছরজুড়ে কাশ্মীরে নিহতদের মধ্যে পর গত পাঁচ মাসে ৩৩ বেসামরিক নাগরিকসহ নিহতের সংখ্যা অন্তত ৬৯ জন। এরমধ্যে শুধু অক্টোবরেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৭ জন নিরাপরাধ মানুষ। এছাড়া আহতের সংখ্যা অগণিত।
গত বছরের ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি সরকার। সিদ্ধান্ত কার্যকরে বিশ্বের সবচেয়ে সামরিকায়িত এলাকাটিতে পাঠানো হয় অতিরিক্ত ৫০ হাজার সেনা। সকল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে অবরুদ্ধ করে রাখা হয় কাশ্মীরকে। যা এখনো চলমান।
বিশেষ মর্যাদার বাতিলের প্রতিবাদে কারফিউ ভেঙে কাশ্মীরিরা রাস্তায় বিক্ষোভে নামলে সেখানে মোতায়েন ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে বেশ কিছু হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া সাধারণ কাশ্মীরিদের ওপর দমন-পীড়ন-নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে।
২০১৯ সালে কাশ্মীরে ব্যাপক হতাহতের শুরু ১৪ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন এক হামলায় ভারতের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) অন্তত ৪০ জন সদস্য নিহত হন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতীয় বাহিনীর ওপর এটাই সবচেয়ে বড় হামলা। এরপর বিশেষ মর্যাদা বাতিলসহ নানা কারণে বছরজুড়ে কাশ্মীর ছিল এক মৃত্যু উপত্যকা।
কবে বিয়ে করবেন বুবলি?
লোকসমাজ ডেস্ক॥ ঢালিউডের এ সময়ের নায়িকা শবনম বুবলি। এ পর্যন্ত বারোটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে মুক্তি পেয়েছে নয়টি চলচ্চিত্র। নতুন বছরে মুক্তির অপেক্ষায় আছে আরো তিনটি। নতুন বছরে দর্শকের আরো বেশি ভালোবাসা প্রত্যাশা করেন বুবলি। নায়িকা জানান, দর্শকের ভালোবাসাই তার অনুপ্রেরণা।
ব্যক্তিজীবনে ৩১ বছরের বুবলি এখনো একা। অর্থাৎ আজও মেলেনি প্রকাশ্য প্রেমের সন্ধান। মা-বাবা, ভাইবোন নিয়েই বুবলির পরিবার। তবে সংসারজীবনে যে প্রবেশ করবেন, সেটা নিশ্চিত করেছেন এ তারকা।
বুধবার বুবলি বলেন, আসলে একটা বয়সে এসে নিজের পরিবার বলতে স্বামী-স্ত্রী, সন্তান ইত্যাদি বোঝায়। তবে আমার কাছে বর্তমানে পরিবার মানে মা-বাবা, ভাইবোন আর চলচ্চিত্র। বিয়ে নিয়ে এখনো ভাবিনি। নতুন বছরটি আমি কাজ নিয়েই ভাবতে চাই। যখন বিয়ে করব, তখন সবাইকে জানিয়েই করব।
বুবলির ক্যারিয়ার শুরুর পর থেকে প্রতিটি ছবি শাকিব খানের বিপরীতে। সম্প্রতি নিরবের বিপরীতে ‘ক্যাসিনো’ নামের ছবিতে অভিনয় করছেন। শাকিব খানের বাইরেও আরো নায়কের সঙ্গে কাজ করবেন জানিয়ে বুবলি বলেন, সব সময় চাই সুন্দর-পরিপাটি গল্প, গোছানো প্রজেক্ট; যা দর্শক পছন্দ করবেন। শুরু থেকেই সবার সঙ্গে কাজ করার কথা বলেছি। প্রজেক্ট পছন্দ না হওয়ার কারণে করা হয়নি। বেশ কিছু প্রজেক্ট নিয়ে কথা চলছে। আশা করি, নতুন বছরে নতুন খবর দেব।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বুবলি বলেন, সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আপনাদের ভালোবাসায় আমি নতুন নতুন কাজ করছি। কাজ করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছি। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন। আমরা যেন সুস্থ-সুন্দর জীবন কাটাতে পারি।
এক দশকের ১০ আইকনিক স্মার্টফোন
লোকসমাজ ডেস্ক॥ এখন স্মার্টফোনের যুগ। বিশ্বের বেশির ভাগ মানুষ এখন স্মার্টফোন ছাড়া চলতে পারে না। গত এক দশক ছিল সত্যিকারের নানা রকম স্মার্টফোনের বছর। এ শিল্পে নানা উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে স্মার্টফোনকে নিত্যপ্রয়োজনীয় যন্ত্রে রূপান্তর করা গেছে।
অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল ও চীনের বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকে গত এক দশকে দারুণ কিছু স্মার্টফোন বাজারে এসেছে। এর মধ্যে আইকনিক স্মার্টফোন বের করা কঠিন। গ্যাজেটস নাউয়ের এক প্রতিবেদনে গত দশকের কয়েকটি আইকনিক স্মার্টফোনের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
২০১০: আইফোন ৪
২০০৭ সালে বাজারে আসা প্রথম আইফোন বিশ্বকে বদলে দিয়েছিল। তবে সত্যিকারের স্মার্টফোন হিসেবে বাজার ধরতে অ্যাপলের আরও তিন বছর লেগেছিল। আইফোন ৪ বাজারে আনার পর থেকেই মানুষের স্মার্টফোনের ধারণা বদলে যায়। আধুনিক আইফোনের সমার্থক দারুণ নকশা, রেটিনা ডিসপ্লে, এ সিরিজের প্রসেসরের মতো ফিচারযুক্ত ডিভাইস আইফোন ৪–এর মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে।
২০১১: গ্যালাক্সি নোট
বিশ্বের বৃহত্তম স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং বড় স্ক্রিনের স্মার্টফোন হিসেবে ২০১১ সালে বাজারে আনে গ্যালাক্সি নোট। এর আগে অন্য নির্মাতারা ছোট মাপের স্মার্টফোনের বাইরে ভাবতে পারত না। স্যামসাং সাহস করে ৫ দশমিক ৩ ইঞ্চি মাপের নোট বাজারে এনে ট্রেন্ড তৈরি করে। এরপর থেকে নোট সিরিজের স্মার্টফোনগুলো বাজারে জনপ্রিয় হয়েছে।
২০১২: আইফোন ৫
তালিকায় স্থান করে নেওয়া অ্যাপলের আইফোন ৫ বাজারে আসে ২০১২ সালে। বড় আকারের (৪ ইঞ্চি) ডিসপ্লের পাশাপাশি সেটটিতে এমন সব ফিচার ছিল যা আলোড়ন ফেলে দেয় ব্যবহারকারীদের মধ্যে। অ্যাপল মাত্র ১ বছর সেটটিকে উৎপাদন করলেও বিক্রি হয়ে যায় প্রায় ৭ কোটি সেট।
২০১৩: সনি এক্সপেরিয়া জেড
এখনকার স্মার্টফোন বাজারে সনির আধিপত্য না থাকলেও ২০১৩ সালের দিকে এক্সপেরিয়া জেড এনে সাড়া ফেলেছিল সনি। বিশ্বের প্রথম ১০৮০ পিক্সেল স্ক্রিনের ফোনটি ধুলা ও পানিরোধী ফোন হিসেবে বাজারে সাড়া ফেলে। এ ফোনে থাকা দুটি ফিচার এখন অধিকাংশ স্মার্টফোনে চলে এসেছে।
২০১৪: ওয়ান প্লাস ওয়ান
২০১৪ সালে স্মার্টফোনের বাজারে ওয়ান প্লাস ওয়ান নামের একটি স্মার্টফোন সাড়া ফেলে। শুরুতে ফোনটির নাম শুনে অনেকেই কৌতুক ভেবেছিলেন। তবে গত দশকের শেষের হিসাব ধরলে ওয়ান প্লাসের ওই স্মার্টফোনটি আইকনিক ফোন হিসেবে ক্রেতাদের কাছে সমাদৃত হয়। এ ফোনটি ফ্ল্যাগশিপ কিলার ফোন হিসেবে তকমা পেয়েছিল। বিশ্বের অনেক বড় ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনের তালিকায় ওয়ান প্লাস এখন জায়গা করে নিয়েছে।
২০১৫: ব্ল্যাকবেরি প্রিভ
একসময়ের জনপ্রিয় স্মার্টফোন নির্মাতা ব্ল্যাকবেরির সর্বশেষ প্রচেষ্টা ছিল প্রিভ স্মার্টফোনটি। নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম ফেলে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফোন ‘ব্ল্যাকবেরি প্রিভ’ আনে ব্ল্যাকবেরি। তবে ফোনটি ব্ল্যাকবেরির ভাগ্য ফেরাতে পারেনি।
২০১৬: গুগল পিক্সেল
সেরা স্মার্টফোন ক্যামেরা নির্মাতা হিসেবে গুগলকে খেতাব এনে দেয় ২০১৬ সালে বাজারে আসা পিক্সেল ফোন। এরপর থেকে গুগলের পিক্সেল ফোনের নির্দিষ্ট ক্রেতা শ্রেণি তৈরি হয়েছে। এরপর থেকেই গুগলের পিক্সেল ফোনকে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির বেঞ্চমার্ক হিসেবে ধরা হয়।
২০১৭: আইফোন এক্স
২০১৭ সালে নতুন আইফোন বাজারে এনে নতুন ট্রেন্ড শুরু করে আইফোন। আইফোনের এক দশক পূর্তিতে এক্স মডেলটির মাধ্যমে আইফোনের ধারণায় ব্যাপক আনে অ্যাপল। স্ট্র্যাটেজি অ্যানালাইটিকসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালের প্রথম প্রান্তিকে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া ফোনের নাম আইফোন এক্স। অ্যাপলের চমক হিসেবে আসা আইফোন টেন স্টেইনলেস স্টিল ও গ্লাসের সমন্বয়ে তৈরি।
২০১৮: হুয়াওয়ে পি২০ প্রো
২০১৮ সালে পি২০ প্রো মডেলের নতুন স্মার্টফোন উন্মুক্ত করে হুয়াওয়ে। স্মার্টফোনটিতে বিশ্বের প্রথম লাইকা লেন্সের তিন ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ফিচার ব্যবহার করা হয়েছে। বিশ্বে এ মডেলটির মধ্যে দিয়ে স্মার্টফোনের পেছনে তিন ক্যামেরার চল শুরু করে হুয়াওয়ে।
২০১৯: গ্যালাক্সি ফোল্ড
স্মার্টফোনের বাজারে প্রথম ভাঁজ করা ফোন গ্যালাক্সি ফোল্ড আনে স্যামসাং। গ্যালাক্সি ফোল্ড স্মার্টফোনের মাধ্যমে স্মার্টফোন উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় এক ধাপ এগিয়ে যায় প্রতিষ্ঠানটি। সবচেয়ে বেশি দামের স্মার্টফোন হিসেবে গত বছর বাজারে আসা নতুন ঘরানার ফোনটির মতো এ বছর নতুন ভাঁজ করা ফোনের দেখা মিলতে পারে।









