স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে কাবার পথে হজ্ব গ্রুপের সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হজ্ব। এর মাধ্যমে মুমীন মুসলমানরা পাপমুক্ত হয়। সারাজীবন পাপ-পংকিলতায় জড়িত থেকে বৃদ্ধ বয়সে মক্কা-মদীনায় গিয়ে পাপমুক্ত হয়ে আসার নিয়ত করলে হজ্বের সুফল পাওয়া যায় না। হজ্ব থেকে সুফল পাওয়ার পূর্ব শর্তই হচ্ছে পরিশুদ্ধ নিয়ত ও কর্মকান্ড।
শনিবার যশোর বিডি হলে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। কাবার পথে হজ্ব গ্রুপের যশোর অফিসের উদ্বোধন উপলক্ষে হজ্ব ও ওমরার গুরুত্ব তাৎপর্য শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন। হজ্ব গ্রুপের যশোর অঞ্চলের পরিচালক প্রভাষক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তব্য রাখেন- ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল আহাদ, যশোর অঞ্চলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কেএম মিজানুর রহমান, চৌগাছা কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল লতিফ, চৌগাছার ধুলিয়ানি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক আলহাজ্ব মাওলানা আবু সাঈদ প্রমুখ। প্রধান অতিথি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, যশোর অঞ্চলের মানুষ বরাবরই ধর্মভীরু। প্রতিবছর এই অঞ্চল থেকে অসংখ্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লি হজ্ব এবং ওমরা পালন করেন। আগামীতেও এই অঞ্চলের মুসল্লিদের হজ্ব ও ওমরা পালনে কাবার পথে হজ্ব গ্রুপ বড় ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
যশোরে কাবার পথে হজ্ব গ্রুপের অফিস উদ্বোধন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত
যশোর শহরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত
স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। শহরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া খুলনা রোডস্থ কোল্ড স্টোরেজের সামনে পি আল অ্যাগ্রো ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই চুরির ঘটনা ঘটে। এতে ৫ লক্ষাধিক টাকার মালামাল চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক মির্জা মুকিত হায়দার কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এই ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় হিসাব নিকাশ শেষে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তিনি বাড়ি চলে যান। পরের দিন শুক্রবার বন্ধ থাকার পর গতকাল শনিবার সকাল ৯টায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, গেট ও শার্টারের দুটি তালা ভাঙা। প্রতিষ্ঠানের ভেতর গিয়ে দেখা যায়, একটি ওয়েল্ডিং মেশিন ও ৫ বস্তা পিতলের পার্টস নেই। যার মূল্য ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। তিনি বলেন, এর ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি গার্ড আব্দুল হান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
বাঘারপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আবু তাহের সিদ্দিকী জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে
স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা মো. আবু তাহের সিদ্দিকী (৫২) গুরুতর অসুস্থ হয়ে যশোর ইবনেসিনা হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। গত বুধবার রাতে বাঘারপাড়ার মহিরণে নিজ বাসভবনে আবু তাহের সিদ্দিকী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভোরে তাকে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে যশোর করোনারী কেয়ার ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তির পর দেখা দেয় নানা সমস্যা। ইসিজি কিংবা অন্যান্য মেশিন নেই। ত্রুটিপূর্ণ উপকরণ দিয়ে তাকে ইজিজি করতে না পারায় স্বজনরা মেশিনের কিছু প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনে দেন। এরপর তাকে ইজিজি করিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়। তার চিকিৎসার জন্যে আইসিইউ প্রয়োজন হয়ে পড়ে। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আইসিইউ না থাকার কারণে সকাল ১০টার দিকে যশোর ইবনেসিনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ইবনেসিনার ৮ম তলায় আইসিইউতে চিকিৎসাধীূন রয়েছে তিনি। চিকিৎসকগণ বলছেন, তার অবস্থা এতটাই খারাপ যে, ইকো কিংবা কিডনি পরীক্ষা ও ডায়ালাইসিস করা কষ্টকর। এমনকি, আরও উন্নত চিকিৎসার জন্যে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করাও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তার দুটি কিডনিই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। গতকাল তার কিডনির ডায়ালাইসিস করা হয়েছে। আবু তাহের যশোর সিএমএইচ এবং আর্মি মেডিকেল কলেজের এ্যানেসথেসিওলজি ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. নাইমুল হকের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
এদিকে, আবু তাহেরের অসুস্থতার খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ও খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান। তিনি তার পাশে দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন এবং আশু সুস্থতা কামনা করেন। যশোর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও তাকে দেখতে যান।
১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে : রাশেদ খান মেনন
স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন বলেছেন, দেশে উন্নয়ন হচ্ছে কিন্তু দুর্নীতি বেড়েছে। গত ১০ বছরে ৯ লাখ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। ৫০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। একশ্রেণির নব্য রাজাকার ক্ষমতাকে ব্যবহার করে সম্পদের মালিক হয়েছেন। আর পেশাজীবী কৃষক, শ্রমিক মেহনতি মানুষ আরও শোষিত ও গরিব হচ্ছে। এ অবস্থায় কিছু নেতা-কর্মী দলে ভাঙ্গন সৃষ্টি করে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে উস্কে দিচ্ছে। ওয়ার্কার্স পার্টি লুটপাট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করার লড়াই চালিয়ে যাবে।
গতকাল বিকেলে যশোর টাউন হল ময়দানে ওয়ার্কার্স পার্টির খুলনা বিভাগীয় জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রাশেদ খান মেনন এসব কথা বলেন। ওয়ার্কার্স পার্টির ভাঙ্গনের পর বিভক্ত গ্রুপকে বার্তা দেয়ার জন্যে যশোরে প্রথম জনসভার আয়োজন করা হয়েছে বলে তিনি জানান। রাশেদ খান মেনন আরও বলেন, দেশের কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে উচ্চ আদালতে মামলা করা হয়। আদালতের রায় অনুযায়ী সরকার সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনার সিদ্ধান্ত নিলেও তাদের দাবি পূরণ হচ্ছে না। তাদের ধান বিক্রির কার্ড চলে যাচ্ছে টাকার মালিক ব্যবসায়ীদের হাতে। খুলনায় পাটকল শ্রমিকদের আন্দোলনে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আর একজন শ্রমিকের যদি মৃত্যু হয় তাহলে ওয়ার্কার্স পার্টি বসে থাকবে না। জনগণকে সাথে নিয়ে সংগ্রাম চালিয়ে যাবে। দক্ষিণাঞ্চলের নদী খনন, সুন্দরবন রক্ষাসহ জনগণের সমস্যা লাঘবে পার্টি আন্দোলন করছে। বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশাহ বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই ওয়ার্কার্স পার্টি রাজনৈতিক দল হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে। নির্বাচনে দলের একটি প্রতীক আছে। দেশে দুর্নীতি, লুটপাট করে একশ্রেণির মানুষ সম্পদের মালিক হচ্ছে আর মানুষের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে। আর কতদিন ভারত উপমহাদেশে ধর্মের নামে রাজনীতি চলবে এ প্রশ্ন করে বলেন, ধর্মভিত্তিক রাজনীতি মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। হিন্দুবাদীতা অন্যান্য ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। ওয়ার্কার্স পার্টি যশোর শাখার সভাপতি অ্যাড. আবু বকর সিদ্দিকীর জনসভায় সভাপতিত্ব করেন। জনসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আনিছুর রহমান মল্লিক, সুশান্ত দাস, নুর আহমেদ বকলু, লুৎফুল্লাহ এমপি, কামরুল আহসান। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- শ্রমিক নেতা ইউনুস তালুকদার, জেলা যুবমৈত্রীর সভাপতি অনুপ কুমার পিন্টু, জেলা ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি শ্যামল শর্মা। পরিচালনায় ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্য অ্যাড. নজরুল ইসলাম, পুনশ্চ যশোরের শিল্পীদের জাতীয় ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। আগামী ৩ মাসের মধ্যে দেশের সকল বিভাগে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
নবীন-প্রবীণ প্রাণের মেলায় মিলেছে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ
স্টাফ রিপোর্টার ॥ নবীন-প্রবীণ প্রাণের মেলায় মিলেছে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ। কলেজের সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর জমকালো অনুষ্ঠানে মেতে ওঠেছেন পাঁচ সহ¯্রাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী। শনিবার বিকেলে দু’দিনব্যাপি এ আনন্দ আয়োজনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। রোববার পর্দা নামবে এ বর্ণিল আয়োজনের।
যশোরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ‘যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ’র ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে এ বছর। এই অর্জনকে উপলক্ষ করে সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনী উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। দুই দিন ব্যাপি এই অনুষ্ঠান উদ্যাপন করতে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে গোটা ক্যাম্পাস। কলেজ জুড়ে শোভা পাচ্ছে নানা রকমের বিলবোর্ড। একাডেমিক ও অফিস ভবন রঙবেরঙয়ের আলোর বিন্দু দিয়ে সাজানো হয়েছে। ছোট ছোট স্টলে বসেছে মিনা বাজার। মাঠের এককোনে রয়েছে গরম গরম কফির বন্দোবস্ত। গরম গরম কফিতে চুমুক দিতে দিতে পুরোনো বন্ধুদের সাথে খোশগল্পে মাতছেন সবাই। পুরনো বন্ধুদের সাথে অনেক দিন বাদে মিলিত হওয়ার স্মৃতি ছবির ফ্রেমে ধরে রাখতে ফটোসেশন ও সেলফিতে মাতেন অনেকেই।
৯১’র ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দেখা যায়, লাল সবুজের উত্তরীয়র সাথে হালকা নীল বেগুনির ব্লেজারে আবৃত হয়ে নতুন নির্মিত শহীদ মিনারের বেদিতে গ্রুপ ছবি তুলতে। ভুভুজেলা বাজিয়ে দলবেঁধে র্যালিও করেন তারা।
কলেজ মাঠের পশ্চিম দিকে নির্মাণ করা হয়েছে সুবর্ণজয়ন্তী ও পুনর্মিলনীর উৎসব মঞ্চ। মঞ্চ জুড়ে আলোর সজ্জা। মঞ্চে ডিসপ্লেতে দেখানো হয় কলেজ নিয়ে আগামী দিনের নানান পরিকল্পনা। শনিবার বিকেল চারটার পর এই মঞ্চেই দুই দিনের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়। শান্তির প্রতীক সফেদ পায়রা ও ফেস্টুন বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যশোর অঞ্চলের এরিয়া কমান্ডার ও ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার।
উদ্বোধনী পর্বে অন্যান্যের বক্তব্য দেন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ এস এম বাহাউদ্দিন, কলেজ অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আমিনুর রহমান, উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কাজী ইকবালুর রশীদ, ক্যান্টনমেন্ট কলেজ প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন খান ডালু প্রমুখ। উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক কাজী ইকবালুর রশীদ জানিয়েছেন, ‘এসো স্মৃতির প্রাঙ্গণে, মিলি প্রীতির বন্ধনে’ এই শ্লোগানে ক্যান্টনমেন্ট কলেজের পাঁচ সহ¯্রাধিক প্রাক্তন শিক্ষার্থী এই মিলনমেলায় অংশ নিচ্ছে। প্রবীণ ৭৫ ব্যাচের ৩ জন প্রাক্তন ছাত্র অংশ নিচ্ছেন। ৭৫ থেকে সর্বশেষ ১৯ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে রয়েছেন। রাষ্ট্র ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত ও স্বনামধন্য প্রাক্তনের এই অনুষ্ঠানকে উজ্জ্বল করেছেন।
নড়াইলে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, যুবক গ্রেফতার
নড়াইল প্রতিনিধি ॥ নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার আড়িয়ারা গ্রামে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের অভিযোগে মুরসালিন মৃধা (২০) নামে এক যুবককে শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) ভোরে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতার হওয়া মুরসালিন উপজেলার আড়িয়ারা গ্রামের লাজুক মৃধার ছেলে। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. আমানুল্লাহ বারী জানান, মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে চার যুবক কৌশলে অচেতন করে লোহাগড়ার আড়িয়ারা গ্রামের মুজিবারের ইটের ভাটার শ্রমিকদের শোওয়ার ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে রাতভর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় চারজনকে আসামি করে শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) এ ব্যাপারে লোহাগড়া থানায় মামলা দায়ের করে কিশোরীর পরিবার। মামলা দায়েরের পর পুলিশ শনিবার ভোর রাতে মামলার প্রধান আসামি মুরসালিনকে গ্রেফতার করে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। কিশোরী মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষা জন্য শনিবার নড়াইল সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে ওসি জানান। সূত্র জানায়, ধর্ষণের ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সালিশ হয়। সালিশে ঘটনার মূল নায়ক মুরসালিনের সঙ্গে ধর্ষণের শিকার মেয়েটিকে বিবাহ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সালিশে উপস্থিত গ্রাম্য মাতব্বররা। তবে মুরসালিন এ বিয়েতে অসম্মতি জানালে পরবর্তীতে শুক্রবার থানায় মামলা দায়ের হয়।
আগুন নিভিয়ে চলে যান ফায়ারকর্মীরা, ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় মেলে কিশোরের লাশ
খুলনা প্রতিনিধি ॥ খুলনা মহানগরীর ডালমিল মোড় এলাকায় একটি বেকারিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। শুক্রবার মধ্য রাতে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন নিভিয়েই কর্মীরা চলে যান। সকালে ধ্বংসস্তূপ সরাতে গিয়ে এক কিশোরের লাশ পাওয়া যায়। নিহত মইনুল হক (১৫) ওই বেকারিতে কাজ করতো।
খুলনা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের (বয়রা) এসও সাঈদুজ্জামান জানান, শুক্রবার দিনগত রাত সোয়া ২টার দিকে পপুলার নামে একটি বেকারিতে আগুন লাগে। বেকারির চুলা থেকে এ আগুনের সূত্রপাত। বাতাস থাকায় আগুন দ্রুত আশপাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসী আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ফায়ার সাভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বেকারির তিনটিসহ পাঁচটি ঘর পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘রাতে আগুন নিভিয়ে আমরা ফিরে আসি। এরপর শনিবার ভোরে আবার উদ্ধার কাজে যাই। এ সময় ঘরে চাপা পরে থাকা মইনুল হক নামে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।’ বেকারির ভেতর কেউ থাকতে পারে, এরকম তথ্য কেউ জানায়নি বলে দাবি করেন তিনি। মইনুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানার কুড়িয়া গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে। সে ডালমিল মোড় এলাকায় বসবাস করতো। খুলনায় বেকারিতে আগুন এলাকাবাসীর অভিযোগ, যথেষ্ট পানি না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে সময় লাগে। এ কারণে বেকারির আশপাশের কয়েকটি ঘরও পুড়ে গেছে। আগুনে কারখানাটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
জানুয়ারিতেই মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন তালিকা: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার ॥ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, ‘এই জানুয়ারি মাসেই মুক্তিযোদ্ধাদের নতুন তালিকা প্রকাশ করা হবে। সে লক্ষ্যে ওয়েবসাইটে রক্ষিত পুরনো তালিকা স্থগিত করা হবে। অমুক্তিযোদ্ধাদের নাম যাচাই-বাছাই করে সেগুলো বাতিল করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপত্তি যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ২৬ মার্চ মুক্তিযোদ্ধাদের আইডি কার্ড দেওয়া হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধাদের আধুনিক কার্ড দেওয়া হবে, যাতে কেউ জালিয়াতি করতে না পারে।’ জানুয়ারির ১৫ তারিখের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের একটি করে পাসপোর্ট সাইজের ছবি স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর সদরের খাজুরায় মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশে নির্মিত ‘মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ’ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের আগামী প্রজন্মকে যেমন মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগ ও বীরত্বের কাহিনী জানাতে হবে, ঠিক তেমনই হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর, আল শামসের হত্যা, নারী নির্যাতন, দমনপীড়ন আর তাদের পৈশাচিকতা সম্পর্কেও অবহিত করতে হবে। যাতে করে তারা উভয়পক্ষের কথা জেনে বিচার করতে পারে। না হলে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ আর বীরত্বের কথা ভুলে যাবে।’ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য বর্তমান সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের যেন আর কষ্ট করে ব্যাংকে গিয়ে টাকা তুলতে না হয়, সেজন্য সরকার তাদের মোবাইলেই ভাতার টাকা পাঠানোর ব্যবস্থা করছে। তাতে করে মুক্তিযোদ্ধারা বাড়িতে বসেই তাদের প্রাপ্য অর্থ পাবেন।’
তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর প্রায় ৫০ বছরের মধ্যে ৩০ বছরই ক্ষমতায় ছিল মোশতাক, জিয়া, এরশাদ, খালেদা গং। আর বঙ্গবন্ধু সাড়ে তিন বছর এবং তার কন্যা শেখ হাসিনা ১৬ বছর। কিন্তু তারা দেশের জন্যে যে কাজ করেছে, তার চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি কাজ হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।’ তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশে বলেন, “জয় বাংলা’ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আপনারা নিজ নিজ সন্তানকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভালোভাবে শিক্ষা দিন। তারা যদি ‘জিন্দাবাদের’ স্লোগানে লিপ্ত হয়, তাহলে আমাদের আর ইজ্জত থাকবে না।”
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এমএন মিত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি এসএম আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য এমপি, যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রাজেক আহমেদ প্রমুখ।
বক্তৃতাকালে পল্লি ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আমরা যদি বিজয় লাভ না করতে পারতাম, তাহলে হানাদার ও তাদের দোসররা আমাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতো। আমরা সৌভাগ্যবান, কেননা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছি। লাল-সবুজের এই পতাকা পেয়েছি। সেই যুদ্ধে বন্ধুরাষ্ট্র সহায়তা করেছিল; খাজুরায় যুদ্ধে মিত্রবাহিনীর ছয় সদস্য আত্মাহুতি দিয়েছিলেন। আমরা তাদের স্মৃতি চিরজাগরূক রাখতে চাই।’
যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ‘দেশের যে যে স্থানে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রয়েছে, যেখানে যেখানে বধ্যভূমি রয়েছে, সম্মুখযুদ্ধের ঘটনা রয়েছে, সেসব স্থানে বর্তমান সরকার স্মৃতিসৌধ নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সময়ের বিবর্তনে আমরা একদিন হারিয়ে যাবো। কিন্তু এসব স্মৃতিসৌধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বগাথা চিরঅম্লান থাকবে। যারা নিজেদের জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে দেশমাতৃকার সম্ভ্রম রক্ষায় মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাদের ঋণ কোনোভাবেই শোধ করা সম্ভব নয়। বর্তমান সরকার আগামী প্রজন্মের কাছে তাদের সেই বীরত্বগাথা অটুট রাখতে নিরলস কাজ করে চলেছে।’ বেলা সাড়ে ১১টায় খাজুরা এমএন মিত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক কোণে নির্মিত এই স্মৃতিসৌধের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী। এসময় তার সঙ্গে অন্যান্য অতিথিসহ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
স্যাটেলাইট ব্যবহারের দিকে এগোচ্ছে অ্যাপল
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ডাটা ট্রান্সমিশনের জন্য স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে যাচ্ছে অ্যাপল। ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী এই কাজের জন্য অনেক অ্যারোস্পেস প্রকৌশলী ও অ্যান্টেনা ডিজাইনারও নিয়োগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বর্তমানে এটি অ্যাপলের একটি প্রকল্প হিসেবে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। মূলত কোনো থার্ড পার্টি নেটওয়ার্কের সাহায্য ছাড়াই সরাসরি অ্যাপলের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন আইফোনের সঙ্গে ডেটা আদান প্রদান করার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছে অ্যাপল। ব্লুমবার্গ জানায়, এর জন্য অ্যাপলকে কোনও স্যাটেলাইট বানাতে হবে না। শুধু ভূমিতে স্থাপিত ট্রান্সমিশন ডিভাইস তৈরি করে কক্ষপথে আবর্তিত স্যাটেলাইটগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারলেই হবে। এটি সফল হলে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা অ্যাপলের ডিভাইসগুলোর অবস্থান সঠিকভাবে জানা যাবে। ফলে মানচিত্র বা গাইড করার মতো সেবাগুলো আরও উন্নত হবে বলে আশা করছে অ্যাপল।
স্যাটেলাইটের সঙ্গে সরাসরি ফোনকে সংযুক্ত করার জন্য ইতোমধ্যে লিংক নামে একটি প্রতিষ্ঠান কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি আশা করছে, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মোবাইল ডিভাইসগুলোকে একটি গ্লোবাল রোমিংয়ের আওতায় আনা যাবে। এর মাধ্যমে ভূমিতে স্থাপিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার চেয়ে অনেক দ্রুত তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব। এর নেটওয়ার্ক কোনও অঞ্চলের স্থানীয় নেটওয়ার্ক অবকাঠামোর ওপর নির্ভর করবে না। কোনও এলাকার নেটওয়ার্কের অবস্থা যাই হোক না কেন, স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা ফোনগুলো থেকে ব্যবহারকারী টেক্সট পাঠানো এবং কল ঠিকই করতে পারবে। টেক ক্র্যাঞ্চ জানায়, অ্যাপলের অনেক ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাই এখনও সাধারণ মানুষ জানে না। এই প্রযুক্তিটি চালু হলে কোনও এলাকায় নেটওয়ার্ক না থাকলেও ব্যবহারকারী আই-মেসেজ, ভয়েস কল, নেভিগেশনসহ ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ চালাতে পারবেন। তবে এজন্য অবশ্যই তাকে কোনও একটি মূল্যের প্ল্যান কিনে নিতে হবে।
কেমন হবে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন ফিচার?
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ব্যবহারকারীদের সুবিধার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার নিয়ে আসে হোয়াটসঅ্যাপ। আগামী বছরও প্রতিষ্ঠানটি অসংখ্য ফিচার নিয়ে আসবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপ ২০২১ সালে যেসব ফিচার আনবে তার মধ্যে বেশকিছু ফিচারের পরীক্ষা এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ বছর কয়েকটি ফিচারের পরীক্ষা চালিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। এরমধ্যে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া ফিচারগুলোকে নিয়ে আসা হবে। ভারতের প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম গেজেটস নাউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আগামী বছর বেশকিছু নতুন ফিচার আনবে ফেসবুকের মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ। এর মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভাবা হচ্ছে ‘ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজেস’ ফিচারটিকে।
ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজেস ফিচারের সাহায্যে একটি মেসেজ কতক্ষণ থাকবে তা ঠিক করে দেওয়া যাবে। অর্থাৎ, মেসেজ ডিলিট করা এবং রাখার বিষয়টি নির্ধারণ করা যাবে এই ফিচারের সাহায্যে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী বছর হোয়াটসঅ্যাপের অনেক ফিচারই পাওয়া যাবে। কিন্তু একটি ফিচার আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ধরনই পাল্টে দেবে। আর এটি হলো ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজেস। এ বছর ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজেস’র দু’বার পরীক্ষা চালিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এ থেকে জানা যায়, গ্রুপ চ্যাটের ক্ষেত্রে ফিচারটি কার্যকর হবে। কোনও গ্রুপ চ্যাটের অ্যাডমিনেস্ট্রেটর যারা থাকবেন তারাই এটি ব্যবহার করতে পারবেন। প্রথমবার যখন ফিচারটির পরীক্ষা চালানো হয় তখন গ্রুপ চ্যাটে একটি মেসেজ কতক্ষণ থাকবে তার ৬টি অপশন দেওয়া হয়। আর সর্বশেষ যে পরীক্ষা চালানো হয় তাতে দেওয়া হয়েছিল দুটি অপশন। ফলে মূল যে ফিচারটি আসবে তাতে কয়টি অপশন থাকবে সেটি এখনও নিশ্চিত নয়।










