হৈবতপুরে ফেসবুকে পোস্ট নিয়ে দু গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১২

0

চুড়ামনকাটি (যশোর) সংবাদদাতা ॥ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়াকে কেন্দ্র করে যশোর সদরের হৈবতপুর ইউনিয়নের উত্তর ললিতাদাহ গ্রামে আওয়ামী লীগের দু গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ইউপি সদস্য ও নারীসহ উভয় গ্রুপের ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে উত্তর ললিতাদাহ গ্রামে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে হৈবতপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওর্য়াডের ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম উত্তর ললিতাদাহ গ্রামের মোতালেব হোসেনের মেয়ে রুপা খাতুন ও মাসুদের ছেলে বিল্লাল হোসেনের বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে একটি পারিবারিক সালিশ করেন।
জানা যায়, ওই সালিশে ইউপি সদস্য ছেলে ও মেয়ের উভয় পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা করে মোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। যে জরিমানার টাকা মেম্বার রহিমের কাছে জমা রাখার কথা বলা হয়। এছাড়াও মেম্বার আব্দুর রহিম উভয় পক্ষকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে নেন। দোষগুণ বিচার না করে উভয় পরিবারকে জরিমানা করায় মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয় গ্রাম জুড়ে। এ ঘটনায় ছেলের পিতা ও মেয়ের পিতার অভিযোগের একটি ভিডিও সকাল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াই ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে মেম্বারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেন উভয় পরিবার। ভিডিওটি উত্তর ললিতাদাহ গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ইব্রাহিম হোসেনের ছেলে সাদ্দাম মির্জা বৃহস্পতিবার সকালে তার নিজস্ব ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করেন।
সাদ্দাম মির্জা জানান,সত্যি ঘটনা পোস্ট করার পর ইউপি সদস্য রহিম তার ভাই মিলন ও তাদের পোষ্য দলবল নিয়ে আমার ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার গ্রামের লোকজন তাদের ঠেকাতে আসলে তারা আমাকেসহ একই গ্রামের দেলোয়ার হোসন, শ্যামলী আক্তার, সাজিদা খাতুন, মিলন হোসেন, আবুল হোসেন, মানছুরা বেগম, আনোয়ার হোসেনকে ব্যাপক মারধর করেন।
ইউপি সদস্য আব্দুর রহিম জানান, নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই সাবেক মেম্বারের ছেলে আমার বিরুদ্ধে ফেসবুকসহ সব সময় এলাকায় বিভিন্ন মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য পোস্ট করার পাশিপাশি প্রচার করে বেড়ায়।
ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই ইকরামুল হক জানান, ফেসবুকে পোস্ট করাকে কেন্দ্র করেই দু গ্রুপের লোকজন মারামারিতে লিপ্ত হন। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিত শান্ত আছে।