স্পেন-আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনাল পুনরায় আয়োজনের দাবিতে অনলাইনে ৬২ হাজার সমর্থকের সই সংগ্রহ

0
বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর বিষাদগ্রস্ত চেহারায় মাঠ ছাড়ছেন লিওনেল মেসিসহ আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা।। ছবি: সংগৃহীত
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবি উঠেছে। গিজেলা সানচেজ নামে এক সমর্থক অনলাইন পিটিশন প্ল্যাটফর্ম ‘চেঞ্জ ডট অর্গ’-এ এই আবেদনটি চালু করেন।
নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত রোববারের ফাইনালে দায়িত্ব পালন করা স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি এই অনলাইন প্রচারণা শুরু করেন।

পিটিশনকারী সানচেজের দাবি, ম্যাচের সময় রেফারির বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত সরাসরি চূড়ান্ত ফলাফলে প্রভাব ফেলেছে। তবে সুনির্দিষ্ট বা যাচাইকৃত কোনো প্রশাসনিক প্রমাণ পেশ না করেই তিনি অনিয়মের অভিযোগ তোলেন এবং ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফাকে ম্যাচটি সুষ্ঠুভাবে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।

এখন পর্যন্ত এই অনলাইন আবেদনে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ তাঁদের স্বাক্ষর প্রদান করেছেন।

নিউ জার্সির ওই ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলের ব্যবধানে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। ফেরান তোরেসের করা একমাত্র গোলে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বজয়ের স্বাদ পায় স্প্যানিশরা।

ম্যাচটিতে রেফারির ভূমিকা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলেও এই অনলাইন আবেদনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা আইনি বৈধতা নেই। ফিফার বিধিমালা অনুযায়ী ক্রীড়া বিধির বিশেষ কোনো ধারা কিংবা কর্তৃপক্ষের নিজস্ব সিদ্ধান্ত ছাড়া এ ধরনের আবেদনের ভিত্তিতে কোনো অফিশিয়াল ম্যাচের ফলাফল পরিবর্তনের সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য, টুর্নামেন্ট চলাকালেও একই ধরণের অনলাইন পিটিশন দেখা গিয়েছিল। সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে পেনাল্টির আগে একটি ট্যাকলকে কেন্দ্র করে ম্যাচটি পুনারায় আয়োজনের দাবিতে ফ্রান্সে অনলাইন পিটিশন চালু করা হয়। সেখানে ৮২ হাজারের বেশি মানুষ সই করলেও টুর্নামেন্টের ফলাফলে তার কোনো প্রভাব পড়েনি।

এদিকে সমর্থকদের এই ক্ষোভ ও পিটিশনের বিপরীতে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। রেফারিং অন্যায্য ছিল কি না—এমন প্রশ্নে তিনি সরাসরি বলেন, “রেফারিং কি অন্যায্য ছিল? না, একদমই না। আমরা হেরেছি কারণ ওরা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। সেটা স্বীকার করতেই হবে।”