বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
রোববার রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমে কথা বলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত - লোকসমাজ

স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ : বন্যাকবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায়ে নমনীয়তা প্রদর্শন এবং বিলম্বের কারণে অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানা আরোপ না করতে এনজিওগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফীকে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট এনজিওগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, বন্যায় এলাকার অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকে এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এসব মানুষের পক্ষে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করা কঠিন। তাই কিস্তি পরিশোধে বিলম্ব হলেও কোনো ধরনের অতিরিক্ত সুদ বা জরিমানা আরোপ না করার বিষয়ে তিনি বৈঠকে আলোচনা করেছেন।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী রাঙামাটির ওমদামিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুলে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের খোঁজখবর নেন এবং খাদ্য, চিকিৎসাসহ সার্বিক সহায়তার বিষয়ে আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সরকার পরিকল্পিতভাবে কাজ করবে।

state minister aninda islam amit 12.07.26
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রোববার রাঙামাটির ওমদামিয়া হিল পৌর জুনিয়র হাই স্কুলে আশ্রয় নেওয়া বন্যার্তদের খোঁজখবর নেন- লোকসমাজ

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য বিকল্প স্থানে ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এর আগে চট্টগ্রামের সিএন্ডবি টেকবাজারপোল এলাকায় বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার ও চাল বিতরণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ ও জলাবদ্ধতা নিরসন-সংক্রান্ত খাল পরিদর্শন করেন। এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার কার্যক্রমে সমন্বয় ও তদারকির জন্য প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতকে বিশেষ দায়িত্ব প্রদান করে সরকার।