কেশবপুর উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

0

 

স্টাফ রিপোর্টার,কেশবপুর (যশোর)॥ কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান মফিজুর রহমান।
শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে কেশবপুর উপজেলার ১৪৪ গ্রামে ঘের দখল, চাঁদাবাজির মহোৎসব শুরু হয়। যা প্রতিরোধে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জেলা পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় সফল হস্তে দমন করেন। যার কারণে তাদের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিপক্ষ মধ্যকুল গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম, গুটিকয়েক জমির মালিকের সই নিয়ে ঘের দখলের নামে আমার মধ্যকুল বলদহালি বিলের ঘেরে মাছ ছাড়তে যান। পরবর্তীতে জমির মালিক কৃষকরা বাধা দিলে মাছ ছাড়তে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। প্রকৃতপক্ষে আমি বলদহালি বিলের ৪০০ বিঘা জমি এলাকার প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে লিজ নিয়ে গত ৬ বছর ধরে মাছ চাষ করে আসছি। চলতি বছর ঘেরের ডিডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আবার ঘের কমিটি আগামী ৫ বছরের জন্যে ঘেরটি আমার নামে ডিড করে দেয়। যাতে ৩২০ বিঘা জমির মালিকের সই রয়েছে। জমির হারি ৩৬ হাজার টাকা বিঘা ধার্য করা হয়েছে। যা গেল ১ বৈশাখ থেকে কার্যকর হয়েছে।
গত ৮ মে কেশবপুর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আমি এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করি। যার কারণে সময়ের অভাবে আইনের আশ্রয় নিতে পারিনি। নির্বাচন কমিশনের একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হই। আমি নির্বাচিত হওয়ার পর যখন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ উজ্জীবিত ও সংগঠিত ঠিক তখনই জাহাঙ্গীর আলম নামের ওই ব্যক্তি অন্যের প্ররোচনায় আদালতে আমিসহ কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ, ঘের মালিক সেলিমুজ্জামান আসাদের নামে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন, ষড়যন্ত্রণামূলক মামলা করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক গৌতম রায়, সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টর আব্দুস সামাদ, চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, তৌহিদুজজ্জামান,যুবলীগের আহ্বায়ক বি এম শহীদুজ্জামান শহীদ প্রমুখ।