আজও ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে ঘরমুখো দক্ষিণের মানুষ

বুধবার সকাল ৮টা থেকে কালবৈশাখী ঝড় ও থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তা উপেক্ষা করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ছুটে চলেছেন প্রিয়জনের কাছে

0

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ঈদের আগের দিনেও ঘরমুখো মানুষের ঢল অব্যাহত রয়েছে পদ্মা সেতু ও ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে কালবৈশাখী ঝড় ও থেমে থেমে বৃষ্টি হলেও তা উপেক্ষা করে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ছুটে চলেছেন প্রিয়জনের কাছে।

সরকারি ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে গত ২৫ মে থেকে। এরপর থেকেই পদ্মা সেতুতে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে। তবে অতিরিক্ত চাপ থাকলেও বড় ধরনের কোনো দুর্ভোগ বা যানজটের সৃষ্টি হয়নি।

বুধবার সকালে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার মধ্যেও টোলপ্লাজা এলাকায় ব্যক্তিগত গাড়ি, বাস, মাইক্রোবাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের আনন্দে যাত্রীরা প্রতিকূল আবহাওয়াকেও তেমন গুরুত্ব দেননি।

ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে পদ্মা সেতু পথে ঘরমুখো দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঢল

সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মে থেকে ২৭ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত পদ্মা সেতু দিয়ে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬০৫টি যানবাহন চলাচল করেছে। এ সময়ে টোল আদায় হয়েছে ১৪ কোটি ৮০ লাখ ৩৬ হাজার ২০০ টাকা।

এদিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে প্রায় ১ ঘণ্টা ১০ মিনিট ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। সকাল ৭টা ১০ মিনিট থেকে ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ফেরি ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীদের সাময়িক ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পর প্রতিটি ফেরিতে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ লক্ষ্য করা যায়। ঈদের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকায় বাড়ি ফেরার তাড়নায় দুর্ভোগকেও হাসিমুখে মেনে নেন যাত্রীরা। তবে কয়েকটি রুটে নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

তবে বৃষ্টি ছাড়া মহাসড়কে বড় কোনো যানজট বা দীর্ঘ ভোগান্তির খবর পাওয়া যায়নি। বাড়ি ফিরতে পেরে যাত্রীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসির ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, সকাল ৭টা ১০ মিনিটে কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল। পরে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে সকাল ৮টা ২০ মিনিটে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়।

তিনি বলেন, “যাত্রীরা কিছু সময় অপেক্ষা করলেও বড় ধরনের কোনো ভোগান্তিতে পড়েননি। বর্তমানে এই নৌরুটে ১৭টি ফেরি ও ২১টি লঞ্চ চলাচল করছে।”