যশোরে কোরবানির বর্জ্য দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে অপসারণের নির্দেশ

0

পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য প্রতিমন্ত্রীর তহবিল থেকে ১ লাখ টাকা প্রণোদনা

বি এম আসাদ, লোকসমাজ :
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যশোর পৌরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একই সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ১ লাখ টাকা প্রণোদনা দেওয়ার ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার বেলা ১১টায় যশোর পৌরসভা কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত “পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা” বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব নির্দেশনা ও ঘোষণা দেন।

পৌরসভার প্রশাসক মো. রফিকুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মোরাদ আলী, নির্বাহী কর্মকর্তা জায়েদ হোসেন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা উত্তম কুমার কুন্ডু, সহকারী প্রকৌশলী বিএম কামাল আহমেদ, যশোর নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মাসুম এবং পৌর কর্মচারী শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. মাসুদুল বাড়ি কাক্কুসহ অন্যরা।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার দিনে নির্ধারিত স্থানে কোরবানি নিশ্চিত করতে হবে। পশুর রক্ত ও বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করে পরিবেশ দূষণ রোধে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।

তিনি পৌরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির নিকটস্থ পৌরসভা নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করতে হবে এবং যেখানে-সেখানে পশু জবাই করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোরবানির বর্জ্য, রক্ত বা আবর্জনা ড্রেন, পুকুর, ডোবা, নদীনালা কিংবা উন্মুক্ত স্থানে ফেলা যাবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “শুধুমাত্র ঈদুল আজহার দিন দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এজন্য নির্ধারিত ডাস্টবিনে বর্জ্য রাখতে হবে।”

তিনি কোরবানির গোশত পরিবেশবান্ধব ব্যাগ বা পাত্রে বিতরণ এবং পশুর চামড়া যথাযথভাবে লবণ দিয়ে সংরক্ষণেরও পরামর্শ দেন।

সভায় জানানো হয়, যশোর পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব স্থানে ডেকোরেশন, পানির ব্যবস্থা এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়।

পৌরসভা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নগরীর ১ থেকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোরবানির পশু জবাইয়ের নির্ধারিত স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। পৌরবাসীকে এসব নির্ধারিত স্থান ব্যবহারের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।