শার্শার কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ: আহত ৬, বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ

আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে

0
শার্শার কন্যাদাহ গ্রামে গুলিবর্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ :যশোরের শার্শা উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার কন্যাদাহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল হামলা চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে। গুলিবিদ্ধ ও আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতরা হলেন— কন্যাদাহ গ্রামের মৃত আব্দুল আজিজ গাইনের ছেলে শরিফুল ইসলাম বকুল (৩০), মৃত মতি গাইনের ছেলে শাহ আলম গাইন (৫০), খলিল গাইনের ছেলে আব্দুল্লাহ গাইন (২০), আকবর আলীর ছেলে আকাশ হোসেন (১৪), হাসেম গাইনের ছেলে মিটু গাইন (৩০) এবং শরিফুল ইসলাম বকুলের ছেলে শাকিল গাইন (১৫)। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এ ছাড়া হামলাকারীরা গাইনপাড়ার বাবু গাইন, ইয়ানুর গাইন ও আনারুল গাইনের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ঘটনায় কন্যাদাহ গ্রামের হাসানুজ্জামান হাসান গাইন বাদী হয়ে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে শার্শা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার বাদী হাসানুজ্জামান হাসান গাইন বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে আশানুর ও শহীদ আলীর নেতৃত্বে ২৫ থেকে ৩০ জনের একটি দল এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গাইনপাড়ায় হামলা চালায়। তাদের ছোড়া শটগান ও পিস্তলের গুলিতে ৬ জন গুরুতর আহত হন। এছাড়া কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে বলে তিনি দাবি করেন।

তবে ঘটনার পরপরই কোনো অস্ত্র উদ্ধার বা কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

নাভারণ ‘ক’ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আরিফ হোসেন বলেন, “কন্যাদাহ গ্রামের ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”