খুলনার বিপক্ষে ফলোঅনে ময়মনসিংহ, সিলেটের হয়ে নাসুমের ৫ উইকেট

0
৫ উইকেট পেয়েছেন সিলেটের নাসুম।। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) ম্যাচে মোহাম্মদ মিঠুন এবং নুরুল হাসান সোহানের জোড়া সেঞ্চুরির ওপর ভর করে প্রথম দিনে ৮ উইকেটে ২৮০ রান সংগ্রহ করেছিল খুলনা বিভাগ। খেলার দ্বিতীয় দিনে তারা ৮ রান যোগ করে শেষ পর্যন্ত ২৮৮ রানে অল আউট হয়।

এরপর ব্যাট করতে নেমে ময়মনসিংহের ব্যাটিং লাইনআপ চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ে এবং মাত্র ১০৮ রানেই তাদের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে যায়। ফলে বিশাল রান ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে ফলোঅনে পড়তে হয় ময়মনসিংহ দলকে। দিনের শেষভাগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও স্বস্তি পায়নি তারা; দিন শেষে ২ উইকেটে মাত্র ৫৭ রান তুলতে সক্ষম হয়েছে দলটি।

এর আগে দিনের শুরুতে আগের দিনের ১০৪ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামেন সোহান, তবে এদিন ব্যক্তিগত কোনো রান যোগ না করেই তাকে সাজঘরে ফিরতে হয়। পরবর্তীতে তানভির হোসেন শূন্য রানে আউট হলে ২৮৮ রানে থামে খুলনার প্রথম ইনিংস।

জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চরম ব্যাটিং ব্যর্থতার পরিচয় দেয় ময়মনসিংহ। মাত্র ৫৫ রান তুলতেই দলের শীর্ষসারির ৫টি উইকেট পতন ঘটে, যেখান থেকে তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন এবং ২১ রান আসে শুভাগত হোমের ব্যাট থেকে।

এছাড়া ইনজুরির কারণে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। খুলনার সফল বোলারদের মধ্যে দুটি করে উইকেট নিজেদের ঝুলিতে পুরেন সফর আলী, মেহেদী হাসান রানা এবং শেখ পারভেজ জীবন; আর একটি উইকেট লাভ করেন তানভির হোসেন।

ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে কিছুটা জুটি গড়ার চেষ্টা চালায় ময়মনসিংহ। ওপেনিং জুটিতে মাহফিজুল ও খালিদ হাসান মিলে ৫১ রান যোগ করলেও, মাত্র ১ রানের ব্যবধানে পরপর দুই উইকেট হারিয়ে দলটি আবারও বড় বিপাকে পড়ে যায়। দিনেশেষে মাহফিজুল ২৫ এবং মুনিম শাহরিয়ার কোনো রান না করে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

অপরদিকে লিগের অন্য ম্যাচে সিলেট বিভাগের দেওয়া ২১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চট্টগ্রাম বিভাগ প্রথম ইনিংসে ২১০ রানে অল আউট হয়ে যায়। আগের দিন ১ উইকেটে ৬৪ রান নিয়ে খেলা শুরু করা দলটি শেষ পর্যন্ত লিড নিতে ব্যর্থ হয়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন মাহমুদুল হাসান জয় এবং ইয়াসির আলী রাব্বি অপরাজিত থাকেন ৪১ রান করে।

সিলেটের বোলারদের মধ্যে একাই প্রতিপক্ষের ৫টি উইকেট শিকার করে ইনিংসে ফাইফার পূর্ণ করেন নাসুম আহমেদ। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন খালেদ আহমেদ, ইকবাল হোসেন ইমন, তোফায়েল আহমেদ ও আসাদুল্লাহ আল গালিব। নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে সিলেট ২ উইকেটে ৮৯ রান সংগ্রহ করেছে, যেখানে ৩৬ রানে সৈকত আলী এবং ৪ রানে অমিত হাসান অপরাজিত আছেন।