দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটির অনুমোদন, ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা

0
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর টানা ৫ দিনের ছুটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। তবে এর সমন্বয়ে ১৭ অক্টোবর শনিবার অফিস খোলা থাকবে। এছাড়া ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।। ছবি: সংগৃহীত

দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। তবে এই টানা ছুটির সমীকরণ মেলাতে তার আগের সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৭ অক্টোবর) অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন প্রদান করা হয়। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকের এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি ছুটির বিদ্যমান তালিকা অনুযায়ী, আগামী ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে আগেই ছুটি ঘোষণা করা আছে। এর পরদিন ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে রয়েছে সাধারণ ছুটি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবারও নির্বাহী আদেশে ছুটি বহাল থাকবে। ফলে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মূলত ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। এর পরপরই ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিনের ছুটির সুবিধা পাচ্ছেন কর্মজীবীরা। তবে ২২ অক্টোবরের বাড়তি ছুটির সমন্বয়ে ছুটির আগের শনিবার (১৭ অক্টোবর) নিয়মিত অফিস চালু থাকবে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর এখন এ বিষয়ে দ্রুতই প্রজ্ঞাপন জারি করবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ইতিপূর্বে জানিয়েছেন, এই বিশেষ ছুটি সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই একইভাবে প্রযোজ্য হবে, অর্থাৎ ছুটির সময়ে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

তবে প্রথা অনুযায়ী জরুরি সেবাসমূহ এই বর্ধিত ছুটির আওতাবহির্ভূত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, সমুদ্র ও স্থল বন্দরগুলোর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন।

একই সাথে হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী এবং জরুরি প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসসমূহও ছুটির বাইরে থাকবে। এ ধরনের ছুটির দিনগুলোতে ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে, যা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে।

৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা এছাড়াও আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’–এ সাধারণ ছুটি পুনর্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত পরিপত্রে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত ও পালিত হবে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।