বহিস্কৃত নেতার বিরুদ্ধে যশোর জেলা যুবদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিবের আলাদা মামলা

0
ছবি: সংগৃহীত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরে জেলা যুবদলের বহিস্কৃত প্রচার সম্পাদক এস্কেন্দার আলী জনির বিরুদ্ধে গত সোমবার রাতে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে কোতয়ালি থানায় আলাদা দুটি মামলা হয়েছে। জেলা যুবদলের আহবায়ক এম তমাল আহমেদ ও সদস্য সচিব মো. আনছারুল হক রানা মামলাটি দুটি করেছেন।

তাদেরসহ বিএনপি’র দায়িত্বশীল নেতাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে তারা এই মামলা করেছেন। অভিযুক্ত এস্কেন্দার আলী জনি সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলাম মানিকের ছেলে।

জেলা যুবদলের আহবায়ক ও সদস্য সচিবের মামলা আলাদা হলেও অভিযোগ একই। মামলায় তারা উল্লেখ করেছেন, আসামি জনি ইতোপূর্বে যুবদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি মাদকাসক্ত। তার এহেন কর্মকান্ডের কারণে তাকে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। বহিস্কারের পর থেকে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জাতীয়তাবাদী দলের দায়িত্বশীল নেতাদের নামে কুৎসা রটনাসহ বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজ নামীয় ফেসবুক আইডিসহ কয়েকটি ফেইক আইডি’র মাধ্যমে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছেন। তাকে একাধিকবার নিষেধ করার পরও তিনি শোনেননি। ক্ষিপ্ত হয়ে ফেসবুকে দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আজেবাজে পোস্ট করে যাচ্ছেন জনি।

জেলা যুবদলের আহবায়ক এম তমাল আহমেদ মামলায় আরো উল্লেখ করেছেন, ১ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি খড়কির শাহ আব্দুল করিম রোডের নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তিনি দেখতে পান, এস্কেন্দার আলী জনি ফেসবুকে লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য রটাচ্ছেন। এ কারণে তিনি দলীয় রাজনৈতিক নেতাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছেন।

জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. আনছারুল হক রানাও মামলায় আসামি জনির বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ এনে উল্লেখ করেছেন, গত ১ এপ্রিল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি চাঁচড়া ডালমিল এলাকার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

এ সময় তিনি দেখতে পান, জনি ফেসবুকে লাইভে এসে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করছেন। এসব কারণে দলীয় নেতাদের সাথে আলাপ আলোচনা করে তিনি থানায় এই মামলা করেছেন।