শিশু কন্যা নিয়ে প্রতিবন্ধী সুমাইয়া মাথা গোঁজার ঠিকানা চায়

0

 

কয়রা (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ কয়রায় প্রতিবন্ধী সুমাইয়া খাতুন পাশের বাড়ি থেকে দর্জির কাজ শিখে জামা-কাপড় সেলাই করে কোনরকম তার শিশু কন্যাকে নিয়ে জীবনযাপন করছেন। এইচএসসি পরীক্ষায় ‘এ’ গ্রেডে পাস করার পর পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী তার লেখাপড়া বন্ধ করে দেয়। কিছুদিন পরে স্বামী তার খোঁজখবর নেওয়াও বন্ধ করে দেয়। কোনো কূল কিনারা না পেয়ে শিশু কন্যাকে নিয়ে বাবার বাড়ি ফিরে আসতে বাধ্য হন। হতদরিদ্র বাবার বাড়ি তার থাকার মতো কোনো ঘর নেই। উপজেলার বাগালী ইউনিয়নের হোগলা গ্রামের আবুল কালাম মোল্লার শারীরিক প্রতিবন্ধী কন্যা সুমাইয়া বেগম সরকারের কাছে তার মাথা গোঁজার একটা ঠাঁইয়ের ব্যবস্থার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করেছেন।
সরজমিনে দেখা গেছে, বাড়ির বারান্দায় সেলাই মেশিনে পোশাক তৈরি করছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী সুমাইয়া খাতুন। এসময় কথা হয় তার কাছে পোশাক তৈরি করতে আসা এক নারীর সাথে, তিনি বলেন, সুমাইয়া একটা শিক্ষিত মেয়ে ও প্রতিবন্ধী মানুষ, আমরা এর কাছ থেকে পোশাক তৈরি করি। বাচ্চাটা নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকে ওর এই সেলাই মেশিনে কাজ করে যা আয় হয় তাই দিয়ে ও বাচ্চাটা নিয়ে চলে। সরকার ওর যদি একটা চাকরি দিত তাহলে মেয়েটা একটু ভালোভাবে বাঁচতে পারতো।
কয়রা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, সুমাইয়া খাতুনের বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। তাকে সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।