নড়াইল জেলা আ.লীগের সভাপতি সুবাস বোস কারাগারে

0

নড়াইল সংবাদদাতা ।। নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোসের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নড়াইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিনের জন্য তিনি হাজির হলে বিচারক মোহাম্মদ হাদিউজ্জামান জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন।গত ৪ আগস্ট নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার সমাবেশে গুলি, বোমা বর্ষণ ও খুন করার উদ্দেশ্যে সমাবেশে আগতদের মারপিটের অভিযোগে সদর থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সুবাস চন্দ্র বোস।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৪ আগস্ট দুপুরে সদর উপজেলার সীমাখালী-মালিবাগে বৈষম্য বিরোধী নিরীহ-শান্তিকামী ছাত্র-জনতার সমাবেশে আগতদের খুন-জখম করার উদ্দেশ্যে বোমা বর্ষণ ও গুলি চালায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেত-কর্মীরা।এ সময় বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন।ঘটনা উল্লেখ করে ৯০ জনকে এজাহারভূক্ত এবং ৪০০-৫০০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে গত ১০ সেপ্টেম্বর নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজাহিদুর রহমান পলাশ।এ মামলায় এজাহারভূক্ত ২ নং আসামি হচ্ছেন আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং নড়াইল-২ আসনের সাবেক এমপি মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।১ নং আসামি মাশরাফির পিতা গোলাম মোর্ত্তজা স্বপন, ৩নং আসামি অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, ৪ নং আসামি হচ্ছেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন খান নিলু। গত ৫ নভেম্বর সুবাস বোস হাইকোর্টে এ মামলায় আগাম জামিন প্রার্থনা করলে আদালত তাকে জামিন না দিয়ে আগামি ৪ সপ্তাহের মধ্যে নি¤œ আদালতে হাজির হতে আদেশ দেন।উচ্চ আদালতের আদেশ মোতাবেক তিনি বৃহস্পতিবার নড়াইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এদিকে সুবাস বোসের জামিন না মঞ্জুরের খবর শুনে আদালত চত্তরে মামলার বাদি সদর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মুজাহিদুর রহমান পলাশ, জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো: আলী হাসান, খন্দকার ইজাজুল হাসান বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক খন্দকার ফসিয়ার রহমান, জেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক খন্দকার মাহমুদুল হাসান সানি সহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে শ্লোগান দেন।
সুলতান মাহমুদ