রামপালে কয়লাদূষণ বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের দাবিতে মোংলায় নৌ-র‌্যালি ও মানববন্ধন

0

মোংলা (বাগেরহাট) সংবাদদাতা ॥ রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে কয়লাদূষণ বন্ধ করে সুন্দরবন রক্ষার্থে পশুর রিভার ওয়াটারকিপারের আয়োজনে নৌ-র‌্যালি এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। নোংরা কয়লার ব্যবহার বন্ধ করে শতভাগ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর করো। ২০৩৫ সালের মধ্যে এশিয়া থেকে কয়লাভিত্তিক জ্বালানি প্রকল্প তুলে দিতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কয়লার পরিসমাপ্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তিতে রূপান্তর এখন সময়ের দাবি। জলবায়ুু ন্যায্যতার জন্য বিশ্বব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে মোংলায় শুক্রবার সকালে এশিয়া ডে অব অ্যাকশন কর্মসূচি উপলক্ষ্যে নৌ-র‌্যালি ও মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তারা একথা বলেন।
গতকাল শুক্রবার সকালে মোংলার পশুর নদীতে নৌ-র‌্যালি এবং পশুর নদী পাড়ে মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পশুর রিভার ওয়াটারকিপার পরিবেশ আন্দোলনের নেতা নূর আলম শেখ। এ সময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর নেতা গীতিকার মোল্লা আল মামুন, আব্দুর রশিদ হাওলাদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার নাজমুল হক, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশর কমলা সরকার, হাছিব সরদার, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ভলান্টিয়ার চন্দ্রিকা ম-ল, মারুফ বিল্লাহ,রাসেল শেখ, মেহেদী হাসান বাবু প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, কয়লার ওপর নির্ভরশীল বৃহত্তম বাজার হচ্ছে এশিয়া। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কয়লার পরিসমাপ্তি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তিতে রূপান্তর মাইলফলক অগ্রগতি হিসেবে বিবেচ্য হবে।
পশুর রিভার ওয়াটারকিপার পরিবেশ আন্দোলনের নেতা নূর আলম শেখ বলেন, অবিলম্বে সুন্দরবনবিনাশী রামপাল প্রকল্পসহ সকল কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিল করতে হবে। পরিচ্ছন্ন নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকল্পগুলোতে বিনিয়োগ করতে হবে। কয়লা নির্ভরতার অবসান কেবল পরিবেশের জন্যই নয়, এই অঞ্চলের জনস্বাস্থ্য এবং আর্থ-সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। নৌ-র‌্যালি ও মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা কয়লাবিরোধী নানা রঙের প্ল্যাকার্ড এবং ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।