রামপালে ল্যাবওয়ান ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ

0

এমএ সবুর রানা, রামপাল (বাগেরহাট)॥ রামপালে ল্যাবওয়ান ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুল চিকিৎসার কারণে জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন চুমকি মন্ডল (২৬) নামের এক প্রসূতি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের স্বামী কিংকর মন্ডল রামপাল থানায় লিখিত অভিযোগ করেও প্রতিকার পাননি।
অভিযোগে জানা গেছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি উপজেলার হুড়কা সানবান্দ গ্রামের কিংকর মন্ডলের স্ত্রী সন্তান সম্ভবা চুমকি মন্ডলকে ফয়লাহাটের ল্যাবওয়ান ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওইদিন ওই ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে তার একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু অপারেশনে ত্রুটি থাকায় প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এক পর্যায় অপারেশনের স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। পুরো সেলাই কেটে গিয়ে মারাত্মক অবস্থার সৃষ্টি হয়। ওই সময় ল্যাবওয়ানের কর্ণধার মো. সেকেন্দার আলীকে জানালে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তখন ভুক্তভোগীর স্বামী খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, অনভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা অপারেশন করানোর কারণে তার স্ত্রীর সমস্যা হয়েছে। হতদরিদ্র ভ্যানচালক শেষ সম্বল বিক্রি করে ও ধারদেনা করে স্ত্রীর চিকিৎসায় প্রায় ৭৫ হাজার টাকা খরচ করেন। কিন্তু তারপরও তিনি সুস্থ হননি। এ ব্যপারে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ ব্যাপারে ল্যাবওয়ান ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক সেকেন্দার আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ১০টা রোগীর চিকিৎসা করলে ২/১ টা রোগী একটু অসুস্থ হতেই পারে। যে রোগীর স্বজন অভিযোগ করেছেন, তারা সমস্যার কথা জানালে আমরা তাকে ক্লিনিকে নিয়ে আসতে বলেছি। কিন্তু তারা রোগীকে নিয়ে আসেনি। উল্টো তাকে বাড়িতে রেখে হাতুড়ে চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা করাচ্ছে। তারা অহেতুক আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে হয়রানি করছে।
রামপাল থানার অফিসার ইনচার্জ সোমেন দাশ বলেন, ল্যাবওয়ান ক্লিনিকের ভুল চিকিৎসার অভিযোগ উঠেছে বলে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।