ঢাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন বাড়িতে, মিললো মরদেহ

0

 

স্টাফ রিপোর্টার,মনিরামপুর(যশোর)॥ বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে রওনা হয়েছিলেন বাড়ির পথে। ফোন দিয়ে পরিবারের সদস্যদের বলেছিলেন, ভোরে মনিরামপুর থেকে যেন তাকে বাড়ির কেউ নিতে আসে। কিন্তু ভোরে মনিরামপুরে গিয়ে তাকে পাননি পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু সকালে বাড়ি থেকে ৫/৬ কিলোমিটার দূরে মিললো তার মরদেহ। মৃত জাহাঙ্গীর আলম উপজেলার কুলটিয়া ইউনিয়নের পাড়িয়ালী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য নুরুল হক দফাদারের ছেলে। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করে আরএফএল গ্রুপে চাকরি করতেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ময়না তদন্তের জন্যে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
নিহতের স্বজনদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে অপহরণের পর শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
জাহাঙ্গীর আলমের চাচাতো ভগ্নিপতি মামুনুর রশিদ জানান, ঢাকা কলেজ থেকে গণিতে মাস্টার্স সম্পন্নের পর সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাত্র ছয়মাস আগে বিয়ে করেন। তিনি ঢাকাতে আরএফএল গ্রুপে চাকরি করতেন। বৃহস্পতিবার রাত নয়টার দিকে জাহাঙ্গীর ঢাকা থেকে বাসে করে মনিরামপুরে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। রওনা হবার আগে তিনি বাড়িতে ফোন করে বলেছিলেন, ভোর রাতে মনিরামপুর থেকে তাকে যেন কেউ এসে নিয়ে যান। সে মোতাবেক বাড়ির লোকজন ভোর চারটার দিকে মনিরামপুরে বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু তাকে না পেয়ে তারা বাড়ি ফিরে যান। সকাল আটটার দিকে মনিরামপুর-নেহালপুর সড়কের সাতনল জোড়া ব্রিজের পাশে জাহাঙ্গীরের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী পুলিশে খবর দেয়। সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহতের চাচাতভাই জাহিদুল ইসলামসহ স্বজনদের দাবি, পরিকল্পিতভাবে তাকে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহের সুরতহালের সময় শরীরে কোনপ্রকার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি উদঘাটনের জন্যে গোয়েন্দারা এলাকায় কাজ শুরু করেছেন।