রামপালে মামলার হয়রানি থেকে বাঁচতে ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন

0

রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা॥ রামপালে হয়রানিমূলক মামলা থেকে রেহাই পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ৩ জন ভুক্তভোগী। শুক্রবার বিকেলে প্রেসক্লাব রামপালে ভুক্তভোগী মো. বেলাল হোসেন বেপারী তাদের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন অপর ভুক্তভোগী মো. জিল্লুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্যে বেলাল হোসেন জানান, গত ইংরেজি ২৯ জুন বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কালেখারবেড় গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে জাফর ইকবাল (সাবেক মেম্বার) সুলতানিয়া গ্রামের মধ্যে দিয়ে যাওয়ার সময় টুকু ও মান্নানের বাড়ির সামনে নসিমন ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠান। ওই সময় ভুক্তভোগী জিল্লুর রহমান, তার স্ত্রী ও ছেলে একই মোটরসাইকেলে খামঘাটায় তাদের বাড়িতে ফিরছিলেন। জাফর ইকবাল মেম্বারের মোটরসাইকেল নসিমনের সাথে ধাক্কা লেগে জিল্লুর রহমানের মোটরসাইকেলের পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ওই সময় জিল্লুর রহমান তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে রাস্তার ওপর ছিটকে পড়েন। জাফর ইকবাল জিল্লুর রহমানকে মামলার ভয় দিয়ে ২৫ হাজার টাকা নেন। পরে আরও টাকা দাবি করেন জাফর। সেই টাকা না দেয়ায় তাকে আসামি করে মামলা দেয়া হয়।
তিনি কুরবানির ঈদের দিন রাতে ফয়লার আব্দুল হালিম পাটোয়ারীর বাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে বাড়িতে ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। কেউ তাকে আঘাত করেনি। যা স্থানীয় সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দীন, গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান মো. রাজিব সরদারসহ সাংবাদিকরাও অবগত আছেন। ওই মামালায় আদাঘাটের জাবের মুন্সীকেও আসামি করা হয়েছে। জাবেরের সাথে ইকবালের পূর্ব থেকে বিরোধ চলে আসছিল। তারই জেরে তাকেও আসামি করা হয়েছে।
বেলাল হোসেন আরও জানান, ষড়যন্ত্র করে মিথ্যা মামলা দিতে রামপাল থানায় না গিয়ে বাগেরহাটের আদালতে মামলা করেছেন। যা বর্তমানে বাগেরহাটের পিবিআই ইন্সপেক্টর তদন্ত করছেন।
এ বিষয়ে আহত জাফর ইকবালের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, ওরা ষড়যন্ত্র করে আমাকে মারপিট করে আহত করেছে। আহতের ঘটনায় আমি বাগেরহাটের আদালতে মামলা দায়ের করেছি।