যশোরে দুই বাম সংগঠনের সমাবেশে নেতৃবৃন্দ : গণপ্রতিরোধ ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির কোন পথ নেই

0

স্টাফ রিপোর্টার॥ ‘গণপ্রতিরোধ ছাড়া বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির কোন পথ নেই। বর্তমান সরকার স্বৈরতান্ত্রিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। আর স্বৈরাচার তাড়াতে দরকার গণআন্দোলন। সাধারণ ভোটে প্রতিরোধ করা যাবে না। কারণ ভোট ব্যবস্থাও তারা নিজেদের মতো করে।’ গতকাল শনিবার বিকেলে যশোর টাউনহল ময়দানে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি (মাকসবাদি) ও ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের যৌথ উদ্যোগে এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের দাম আকাশছোঁয়া। বড় ব্যবসায়ীদের করোনাকালীন ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে সরকার। তাদেরই প্রেসক্রিসশনে জ্বালানি তেলের মূল্য রাতারাতি জনগণের অনুমতি ছাড়াই বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে সব ধরনের জিনিসপত্রের মূল্য বেড়েছে। গরিব মেহনতি মানুষের আয় রোজগার নেই। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির ফলে দিশেহারা। বাম সংগঠন দুটির নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, যশোরে সরকারি মেডিকেল কলেজ হলেও হাসপাতাল হয়নি। এর ফলে সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ভৈরব নদ খননের নামে লুটপাট হয়েছে। ভবদহ এলাকার মানুষের দুর্দশা এখন চরমে। হাজার হাজার বিঘা জমি অনাবাদি হয়ে পড়ে আছে। সে দিকে নজর না দিয়ে সরকার নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত। নেতৃবৃন্দ সকল অনাচার, অত্যাচার, দুর্নীতি প্রতিরোধে গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন, ওয়ার্কার্স পাটি (মাকসবাদি) যশোর জেলা শাখার সভাপতি নাজিম উদ্দিন। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন নান্নু, ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ ইসরারুল হক, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের যশোর জেলা শাখার সম্পাদক তসলিম উর রহমান, ওয়ার্কার্স পার্টির (মাকসবাদি) যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান ভিটু, ভবদহ পানি নিষ্কাশন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক গাজী আব্দুল হামিদ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের নেতা কামাল হাসান পলাশ, নারী নেত্রী সখিনা বেগম দিপ্তি, আহাদ আলী মুন্না, আসাদুজ্জামান পিন্টু, পলাশ বিশ্বাস প্রমুখ।