লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দেয়ার পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলনের দাবির মধ্য দিয়ে শুক্রবার সারা দেশে অমর একুশে ফেব্র“য়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। একুশের শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন উপলে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষের ঢল নামে রাজধানী, জেলা ও উপজেলায় প্রতিটি শহীদ মিনারে। রাজধানীতে রাত ১২টা ১ মিনিটে প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং এর পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অমর একুশের কালজয়ী গান-‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্র“য়ারি’ বাজানো হয়।
দণি-পশ্চিমাঞ্চলে মহান শহীদ ও ভাষা দিবস পালনের বিস্তারিত খবর-
যশোর : যশোরে একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। রাত ১২টা ৫ মিনিটে শহরের পুরাতন কসবাস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ও সরকারি এমএম কলেজের শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ ভাষা শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
বৃহস্পতিবার ১১ টার পর থেকে যশোর পুরাতন কসবাস্থ শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহর ও আশপাশ এলাকা থেকে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ দলে দলে আসতে থাকেন। রাত ১২ টা বাজার আগেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের আশপাশ এলাকায় লোকোলোকারণ্য হয়ে যায়। ঘড়ির কাটা যখন ১২ টা বেজে ১ মিনিটে পৌঁছে তখন শুরু হয় একে একে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পালা। প্রথমে যশোরের জেলা প্রশাসনের পে জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ শফিউল আরিফ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর যশোরের জেলা জজ মোহাম্মাদ ইখতিয়ারুল ইসলাম মল্লিক, পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, যশোর পৌরসভা, যশোর শিা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্যা আমীর হোসেন, প্রেসকাব যশোর, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন, যশোর জেলা সংবাদপত্র পরিষদ, ছাত্রলীগ যশোর জেলা ও এমএম কলেজ শাখা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট, যশোর সিভিল সার্জন, যশোর জেলা জাতীয় পার্টি, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী, জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সস, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, উদীচী যশোর, বিবর্তন যশোর, চাঁদের হাটসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে।
একই সময়ে যশোর সরকারি এমএম কলেজ মাঠে শহীদদের জন্য নির্মিত শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান, যশোর জেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। জেলা বিএনপির পক্ষে দলের কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, আহবায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ইসহক, সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, আলহাজ আনিছুর রহমান মুকুল, নগর বিএনপির সভাপতি মারুফুল ইসলাম মারুফ, সাধারণ সম্পাদক মুনীর আহম্মদ সিদ্দিকী বাচ্চু, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক কবীর হোসেন বাবু, যুগ্ম সম্পাদক নাজমুল হোসেন বাবুল, জেলা মৎস্যজীবি দলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন টেনিয়া, শ্রমিকদলের এসএম মিজানুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমীর ফয়সাল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাপ্পীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এর আগে এমএম কলেজের পক্ষ থেকে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর শেখ আবুল কাউসার সহ শিক্ষক ও ছাত্র ও ছাত্রীরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্সপার্টি (মার্কসবাদী) নেতা কমরেড নাজিম উদ্দীন, জিল্লুর ভিটু, জেলা জাতীয়পার্টি, জাতীয় ছাত্র সমাজ, এমএম কলেজ ছাত্রলীগ, এমএম কলেজ ছাত্রদল, ছাত্রমৈত্রী, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এসময় দৈনিক লোকসমাজের পক্ষ থেকে সম্পাদক অধ্যাপক নার্গিস বেগম, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আনোয়ারুল কবীর নান্টুসহ অন্যান্য সাংবাদিকরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এর পাশাপাশি যশোরের প্রত্যেকটা শিা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারী, অভিভাবকবৃন্দ ও ছাত্র/ছাত্রীরা শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এদিকে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে শুক্রবার বাদজুমা যশোরের প্রত্যেক মসজিদে শহীদদের স্মরণে দোয়া করা হয়। একই দিনে যশোরের জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। অপরদিকে, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একুশের প্রথম প্রহরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দ্বীপ-শিখা প্রজ্জ্বালন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রভাতফেরিসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালনের কর্মসূচি শুরু হয় রাত নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দ্বীপ-শিখা প্রজ্জ্বালনের মাধ্যমে। এরপর একুশ নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন কবিতা, গান ও নাটক পরিবেশন করেন। পরে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিশ^বিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ, ডিনস কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি প্রকৌশলী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারি, কর্মচারী সমিতির সভাপতি এস এম সাজেদুর রহমান, যবিপ্রবির ছাত্রলীগ নেতা আফিকুর রহমান অয়ন, সোহেল রানা প্রমুখ। আলোচনা সভা ও অন্যান্য অনুষ্ঠান শেষে একুশের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
কুয়াদা (যশোর) সংবাদদাতা জানান, যশোরের কুয়াদায় মহান অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন পৃথকভাবে পতাকা উত্তোলন, কালো ব্যাচ ধারণ, র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়। কুয়াদা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সভাপতি নুরুল ইসলাম, অধ্যক্ষ ওয়াজেদ আলী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান কুয়াদা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ হোসেন আলী বিশ্বাস, প্রধান শিক্ষক মহিউদ্দীন শ্রদ্ধা জানান। কুয়াদা দারুচ্ছুন্নাহ ফাজিল মাদ্রাসার সভাপতি শেখ আলাউদ্দীন মুকুল, (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মাও. জসীম উদ্দীন শ্রদ্ধা জানান। কুয়াদা মৈত্রী স্বেচ্ছায় রক্তদান কেন্দ্রের পরিচালক মাজহারুল ইসলামসহ বাদল হোসেন শ্রদ্ধা জানান। জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা ইফতেখার সেলীম অগ্নি, রামনগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ডা. আব্দুল আজিজ, সহ-সভাপতি নূর মোহাম্মদ মনু, সাংগঠনিক মোসলেম উদ্দীন, বিএনপি নেতা মাসুদুর রহমান শামীম, নাছির উদ্দীন টনি, যুবদল নেতা সিরাজ মোল্লা, ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন ও মহিলা নেত্রী হালিমা লতিফের উপস্থিতিতে কুয়াদা স্কুল অ্যা- কলেজে ভাষা সৈনিক নুরুল হক স্মৃতি শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শার্শা (যশোর) সংবাদদাতা জানান, যশোরের বেনাপোল পৌর বিএনপির উদ্যোগে যথাযথ মর্যাদায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে বেনাপোল পৌর বিএনপি যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিশাল র্যালি বের করে। র্যালিটি বেনাপোল বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে বেনাপোল হাইস্কুলে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু, সাধারণ সম্পাদক হাসান জহির, বেনাপোল পৌর বিএনপির সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক ইছাহক মিয়া, সহ সভাপতি হবিবর রহমান হবি, বেনাপোল পৌর কাউন্সিলর আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আব্দুল মালেক প্রমুখ। এ সময় বিশেষ দোয়া কামনা করা হয়। দোয়ায় ১৯৫২ সালে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনাসহ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। এ ছাড়া বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম এর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার, চৌগাছা (যশোর) জানান, যশোরের চৌগাছায় গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলে মধ্যরাতে শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করার পাশাপাশি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।
রাত ১২ টা ১ মিনিটে সরকারি শাহাদৎ পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসনের পে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. এম মোস্তানিছুর রহমান, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এস. এম হাবিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মেহেদি মাসুদ চৌধুরী, পৌর মেয়র নূর উদ্দীন আল মামুন হিমেল, থানার অফিসার ইনচার্জ রিফাত খান রাজিবসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পর্যায়ক্রমে থানা পুলিশ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন, উপজেলা-পৌর বিএনপি ও সহযোগী সংগঠন, সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ, চৌগাছা পৌরসভা, চৌগাছা প্রেসকাব, রিপোর্টার্স কাবসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন। শেষে ভাষা শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া শহীদ মিনারের পাদদেশে ভাষা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান ড. এম মোস্তানিছুর রহমানসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
স্টাফ রিপোর্টার, মনিরামপুর(যশোর) জানান, উপজেলা পরিষদের উদ্যোগে প্রভাতফেরীর আয়োজন করা হয়। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুষ্ঠিত হয় হয় আলোচনসভা। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহসান উল্লাহ শরিফী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানম, পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান, সহকারি কমিশনার(ভূমি) সাইয়েমা হাসান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র সরকার, থানার ওসি রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুরুপভাবে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্বে করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাধারন সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারন সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর কামরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট বশির আহমেদ খান, যুবলীগের আহবায়ক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তি বাচ্চু প্রমুখ। অপরদিকে থানা ও পৌর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে বর্নাঢ্য র্যালী ও শহীদবেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজন করা হয় আলোচনাসভার। পৌর বিএনপির সভাপতি খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট শহীদ ইকবাল হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আবদুল হাই, থানা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আকতার হোসেন খান, যুগ্ম সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর মফিজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মকবুল ইসলাম, যুবদলের সভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টু, সাধারন সম্পাদক নিস্তার ফারুক, ছাত্রদলের সভাপতি মোতাহারুল ইসলাম রিয়াদ প্রমুখ। অনুরুপভাবে জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মুছার নেতৃত্বে দলিয় নেতাকর্মীরা শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, মিজানুর রহমান, শামছুজ্জামান শান্ত, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ।
কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা জানান, কালীগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। কালীগঞ্জ সরকারি মাহতাব উদ্দিন কলেজ শহীদ মিনারে পৌর বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের উদ্যোগে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সকাল ৮ টায় বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদণি করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, আইনাল হাসান, ইসরাইল হোসেন জীবন, পৌর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ আতিয়ার রহমান, যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান মনা, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন রবি, আব্দুস সাত্তার, মফিজুর রহমান, জুমারত আলী, আকিমুল ইসলাম মিলন,আশরাফ আলী, তিতাস হোসেন, আজিজুল ইসলাম লস্কর, মাহবুবুর রহমান মিলন শাহজান আলী খোকন প্রমুখ।
লোহাগড়া (নড়াইল) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা প্রশাসন, লোহাগড়া পৌরসভা, লোহাগড়া প্রেসকাব, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে লক্ষীপাশাস্থ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করা হয়। লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র, লোহাগড়া থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মঞ্জুরুল করিম মুন, লোহাগড়া পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি কাজী বনি আমিন, উপজেলা শ্রমিক লীগের আহবায়ক মোজাম খান, দিঘলিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নুর আলী, বিএনপি নেতা কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম, রবিউল ইসলাম পলাশ, টিপু সুলতান, সেলিম জাহাঙ্গীর এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, লোহাগড়া পৌর প্রেস কাবের সভাপতি শিমুল হাসানের সভাপতিত্বে দিবসটি উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়াও লোহাগড়া সাংবাদিক ইউনিটির নবনির্বাচিত সভাপতি সরদার রইচ উদ্দিন টিপু ও সাধারণ সম্পাদক মো. মনির খানের আয়োজনে ভাষা দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
ফুলতলা (খুলনা) অফিস জানায়,ফুলতলার আসাদ রফি গ্রন্থাগারের শহীদ মিনারের বেদিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়। রাত ১২টা ১মিনিটে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে ইউএনও পারভীন সুলতানা, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে কাজী জাফর উদ্দিন, ওসি মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে থানা পুলিশ, আওয়ামী লীগের পক্ষে মো. আসলাম খান, সরদার শাহাবুদ্দিন জিপ্পী, কাজী আশরাফ হোসেন আশু, মৃনাল হাজরা, আবু তাহের রিপন, বিএনপির পক্ষে শেখ শেখ আবুল বাশার, ওয়াহিদুজ্জামান নান্না, মনির হাসান টিটো, শহীদ আসাদ রফি গ্রন্থাগারের পক্ষে আব্দুল মোস্তাকিম, অধ্যক্ষ শফিউল্লাহ সরদার, বণিক কল্যাণ সোসাইটির পক্ষে মনির হাসান টিটো, রবীন বসু ও আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টির অঙ্গ সংগঠনসমূহ শহীদ বেদিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। উপজেলার সরকারি-বেসরকারি ভবন, শিক্ষা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে শুক্রবার সকালে উপজেলা চত্বরে আলোচনা সভা, শিক্ষার্থীদের রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
ডুমুরিয়া (খুলনা) সংবাদদাতা জানান, ভোরে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলনের পর প্রভাত ফেরী সহকারে শহীদ মিনারের উদ্দেশ্যে যাত্রা, কবিতা আবৃত্তি ও শুদ্ধ বানান প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ডুমুরিয়া প্রেস কাব, উপজেলা প্রেস কাব ডুমুরিয়া, জাতীয় দৈনিক সাংবাদিক ফোরাম, ডুমুরিয়া থানা, উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা বিএনপি, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় পার্টি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, উদীচী শিল্পি গোষ্ঠী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জবি দাসের সভাপতিত্বে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী এজাজ আহম্মেদ, ভাইস চেয়ারম্যান গাজী আব্দুল হালিম, শারমিনা আআর রুমা ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম মানিক। এদিকে, উপজেলার চুকনগরে দিবসটি পালন উপলক্ষে এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভোর সাড়ে ৭টায় চুকনগর প্রেস কাবের উদ্যোগে প্রভাত ফেরী সহকারে চুকনগর ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাত ফেরী, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস কাবের সভাপতি এম রুহুল আমীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন কবি ইব্রাহিম রেজা, সাবেক সাধারণ সম্পাদক গৌতম রাহা, সাধারণ সম্পাদক শংকর ঘোষ, সহ সভাপতি গাজী আব্দুল কুদ্দুস, সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
তালা (সাতীরা) সংবাদদাতা জানান, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল একুশের প্রথম প্রহর রাত ১২টা ১ মিনিটে তালা উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ। এছাড়া প্রভাতফেরী, আলোচনা সভা, ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড ও সহযোগী মুক্তিযোদ্ধা তালা উপজেলা শাখা, থানা প্রশাসন, আনসার-ভডিপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, জেএসডি, মুক্তিযোদ্ধা লীগ, তালা প্রেসকাবসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানের প থেকে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) সংবাদদাতা জানান, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলে খুলনার খানজাহান আলী থানা এলাকায় বিভিন্ন দলীয় কার্যালয়ে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, স্বেচ্ছায় রক্তদান, শোক র্যালি, ফুলবাড়ীগেট এবং শিরোমণি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণসহ বিস্তারিত কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালন করা হয়। খানজাহান আলী থানা মুক্তিযোদ্ধা ফুলবাড়ীগেট সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে থানা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা স.ম রেজওয়ান আলীর সভাপতিত্বে এবং ডা. শাহাজাহান আলীর পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তৃতা করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সেকেন্দার আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ মো. আজাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. বাবর আলী সরদার প্রমুখ। খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক মাস্টার মনিরুল ইসলাম। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা।
খানজাহান আলী থানা বিএনপি ফুলবাড়ীগেট সংগঠনের দলীয় কার্যালয়ে থানা বিএনপির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন নগর বিএনপির সহ- সভাপতি শেখ ইকবাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ আমজাদ হোসেন, আবু সাইদ হাওলাদার আব্বাস, মোঃ আলমগীর হোসেন প্রমুখ। খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটি একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন খানজাহান আলী থানা সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি শেখ বদর উদ্দিন , সাধারণ সম্পাদক হাফেজ আহম্মেদ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক সোইফুল্লাহ তারেক প্রমুখ
বাগেরহাট অফিস জানায়, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধা জানাতে বাগেরহাটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নামে হাজারও মানুষের ঢল। শুক্রবার রাত বারটা বাজার সাথে সাথে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এর পরেই শহীদ বেদিতে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের প থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এর পরেই ভাষা সৈনিকদের প্রতি শ্রদ্ধায় অসংখ্য পুষ্পে ভরে যায় শহীদ বেদি। এ সময় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো.মামুনুর রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামরুজ্জামান টুকু, পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায়, পৌরসভার মেয়র খান হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুল ইসলাম, সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন, প্রেস কাব সভাপতি মোজাফফর হোসেনসহ হাজারও মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
স্টাফ রিপোর্টার, কেশবপুর (যশোর) জানান, দিবসের প্রথম প্রহরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) এনামুল হকের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে উপজেলা পরিষদ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, কেশবপুর থানা ও পৌর বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগ, কেশবপুর প্রেসকাব, সাংবাদিক ইউনিয়ন, পূজা পরিষদ, বাস-মিনিবাস ও ট্রাক মালিক সমিতিসহ বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানের প থেকে শহীদ মিনারে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়।
মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা জানান, সকালে উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এস এম শাহজামান মোহনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোহাম্মদ মেহেদী হাসান রনি, পৌর বিএনপির আহবায়ক অ্যাড. আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু, সদস্য সচিব সোহাগ খান, পৌর যুগ্ম আহবায়ক আনিছুর রহমান রিপন, সাইফুল ইসলাম, শাহাজান আলী, নজিবুদ্দৌলা নাসের, গিয়াস উদ্দিন, নার্গিস সুলতানা দিপা, জিয়াউর রহমান জিয়া, শামীম খান প্রমুখ। পরে ভাষা শহীদদের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
শ্রীপুর (মাগুরা) সংবাদদাতা জানান, রাত ১২ টা ১ মিনিটে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন, আওয়ামী লীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রেস কাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকালে প্রভাতফেরী, আলোচনা সভা, রচনা, কবিতা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইয়াছিন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মাহমুদুল গণি শাহিন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউপি চেয়ারম্যান হুমাউনুর রশিদ মুহিত ডা. রঈসউজ্জামান প্রমুখ। আলোচনা শেষে বিভিন্ন বিষয়ে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
স্টাফ রিপোর্টার,অভয়নগর (যশোর) জানান, যশোরের অভয়নগরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে পালিত হয়েছে। দিবসের প্রথম প্রহরে অভয়নগর উপজেলা প্রশাসন, থানা বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অভয়নগর থানা বিএনপির পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, বিএনপি নেতা মতিয়ার রহমান ফারাজী, কাজী গোলাম হায়দার ডাবলু, আবু নইম,মশিয়ার রহমান মশি, রেজাউল করিম মোল্লা,জাকির হোসেন, ইমাদ আলী,সাবেক ছাত্রদল নেতা হাবিবুর রহমান মোল্লা,ছাত্রদল নেতা আসাদুজ্জামান জনি। এছাড়া নওয়াপাড়া প্রেস কাবসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে।
বটিয়াঘাটা (খুলনা) সংবাদদাতা জানান, খুলনার বটিয়াঘাটায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পাতি হয়েছে। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদ বেদিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ, সাংস্কৃতিক সংগঠন, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ পঞ্চানন বিশ্বাস এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান আশরাফুল আলম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ রবিউল কবির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান চঞ্চলা মন্ডল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদুজ্জামান, উপজেলা প্রেস কাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বঙ্কিম হালদার প্রমুখ। পরে দিবসের প্রত্যুষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রভাত ফেরী শেষে উপজেলা অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান হয়।
নর্দান ইউনিভার্সিটি ঃ নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলে ২১ শে ফেব্রুয়ারি রাত ১২ টা ১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে অবস্থিত শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প থেকে বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক, কর্মকর্তাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজ্ঞপ্তি।





