কেশবপুরে পরিবেশ নষ্টের অভিযোগে ইটভাটা বন্ধের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের কেশবপুর উপজেলায় বারুইহাটি গ্রামে ইটের ভাটা পরিবেশ নষ্ট করছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ, পটল, ফুলকপি, ওলকপি, বাঁধাকপি ও শিমসহ শীতকালীন সবজি নষ্ট হচ্ছে। ভাটার কারণে কয়েক শ পরিবার বিপাকে পড়েছে। রবিবার দুপুরে প্রেস কাব যশোরে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের পে আমেনা বেগম এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আমেনা বেগম জানান, গ্রামবাসীর নিষেধ করার পরও কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান ইটভাটা স্থাপন করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভাটার পাশেই রয়েছে বারুইহাটি মহিলা দাখিল মাদরাসা, কমিউনিটি কিনিক ও কিরাতী মাদরাসা। এক কিলোমিটার দূরে রয়েছে ভাল্লুকঘর বহুমুখি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দাখিল মাদরাসা। ভাটার মাটি ও ইট টানা গাড়িগুলোর জন্য এসব প্রতিষ্ঠানের শিার্থী সব সময় আতঙ্কে থাকে। সেখানে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। নারকেল গাছে ফল ধরছে না। ফুল নষ্ট হচ্ছে। এ অঞ্চলের মানুষের আয়ের প্রধান উৎস শীতকালীন সবজি। ভাটার জন্য সবজি চাষ এক সময় ধ্বংসের দিকে যাবে। ভাটা মালিককে বিষয়টি জানালে তিনি তিগ্রস্ত কৃষকদের নাশকতা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। এ সময় তিনি ভাটাটি বন্ধ করতে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বারুইহাটি গ্রামের বাসিন্দা আবদুস সাত্তার, মজিবার রহমান, নূর আলী, রনজু বেগম, হাজিরা বেগম, সুফিয়া বেগম, ঝর্ণা বেগম, মাজেদা খাতুন ও সবিরন নেছা প্রমুখ। ইটভাটার কারনে স্থানীয়দের তিগ্রস্তের বিষয়ে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নুসরত জাহান জানান, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।