পুলিশের বাধা ঐক্যফ্রন্টের মিছিলে
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ‘ভোট ডাকাতির নির্বাচন’ আখ্যায়িত করে গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসকাবের সামনে বিােভ সমাবেশ করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। সমাবেশ শেষে জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বে প্রেসকাবের সামনে থেকে মিছিল বের করে তারা। কয়েক গজ দূরে প্রেস কাবের মোড়ে তাদের আটকে দেয় পুলিশ। পুলিশের বাধায় মিছিল থামিয়ে প্রেস কাবের ভেতরে ঢুকে সমাবেশ করে ঐক্যফ্রন্ট। তবে বাধার মুখে সরকারবিরোধী এ জোটের নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
পরে প্রেসকাবের ভেতরে এসে সংপ্তি বক্তব্যে আ স ম রব বলেন, আমরা কেমন দেশে বসবাস করছি সেটা আপনারা সবাই দেখছেন। একটা বিােভ মিছিল করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ বাধা দিয়েছে আমাদের। আজকে এই দেশে কেউ স্বাধীন নয়। সবাইকে সরকার বন্দী করে রাখতে চায়। কিন্তু আমরা এটা হতে দেব না। আমরা আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখব। এর আগে সমাবেশে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে খুবই গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালন করার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কৃতিত্ব দাবি করবার অধিকার আছে। তেমনি বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্ক রচনা করার ইতিহাসও সেই দলটির আছে। দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এক বছরে যে দুঃশাসন কায়েম করেছে সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন’। সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব পাটকল শ্রমিকদের দাবি মেনে নিন। আমি কোনো সময়সীমার কথা বলছি না। যদি আর একটা লাশ পরে তাহলে কার পদ কি সেটা দেখার মতো ইচ্ছা আমাদের থাকবে না’।
গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, ৩০ ডিসেম্বরের আগের দিন ২৯ ডিসেম্বর রাত ৯টা থকে জনগণের ভোট কেটে ব্যালট বাক্সে ভরেছে সরকার। জনগণের ভোটাধিকার ডাকাতি করেছে তারা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেন, যেহেতু ভোট ৩০ ডিসেম্বর না হয়েছে ২৯ ডিসেম্বর হয়েছে সেহেতু ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প থেকে কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। জনগণের সত্যিকারের প্রতিনিধিদের কাছে মতা হস্তান্তর করা না পর্যন্ত ফ্রন্ট আন্দোলন কর্মসূচি পালন করে যাবে।
হ্যান্ডকাপ ফেনসিডিল ও মোটরসাইকেলসহ যশোরে আটক পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িচালক
স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশের সাবেক সিভিল টিমের প্রভাবশালী এসআই হাসানুর রহমানের গাড়িচালক ছিলেন ইয়াছিন আরাফাত নামে এক যুবক। সোর্সের কাজও করতেন তিনি। কিন্তু এখন তিনি নিজেই পুলিশ পরিচয়ে হ্যান্ডকাপ নিয়ে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তার এ সকল জারিজুরি ফাঁস হয়ে গেছে। গত শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার আব্দুলপুর বাজার থেকে হ্যান্ডকাপ, পুলিশ লেখা ব্যাগ, মোটরসাইকেল ও অর্ধশত বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটক ইয়াছিন আরাফাত সদর উপজেলার িিতবদিয়া গ্রামের জয়নাল মন্ডলের ছেলে।
ডিবি পুলিশের এসআই সোলায়মান আক্কাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি ফোর্স নিয়ে যশোর-চৌগাছা রোডের আব্দুলপুর বাজারে অভিযান চালান। এ সময় সেখান থেকে ইয়াছিন আরাফাত নামে ওই যুবককে আটক করেন। তিনি জানান, ইয়াছিন আরাফাত নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় অবস্থা বেগতিক বুঝে তিনি পুলিশ নন বলে স্বীকার করেন। ডিবি পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ইয়াছিন আরাফাতের কাছ থেকে একটি হ্যান্ডকাপ, পুলিশ লেখা একটি ব্যাগ (পিঠে ঝোলানো ব্যাগ), সামনে পুলিশ লেখা একটি অ্যাপাচি মোটরসাইকেল (কুষ্টিয়া-ল-১১-৬৫৪২) এবং ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন এসআই সোলায়মান আক্কাস। এদিকে আটক ইয়াছিন আরাফাত জানান, তিনি কোতয়ালি থানা পুলিশের তৎকালীন সিভিল টিমের এসআই হাসানুর রহমানের গাড়ি চালাতেন। ৬ মাস তার গাড়ি চালিয়েছেন। তবে সিভিল টিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি চালানোর কাজ ছেড়ে দেন। অপরদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আব্দুল মালেক জানান, রোববার ইয়াছিন আরাফাতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। একই সাথে আদালতে তার পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
হ্যান্ডকাপ ফেনসিডিল ও মোটরসাইকেলসহ যশোরে আটক পুলিশ কর্মকর্তার গাড়িচালক
স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর কোতয়ালি থানা পুলিশের সাবেক সিভিল টিমের প্রভাবশালী এসআই হাসানুর রহমানের গাড়িচালক ছিলেন ইয়াছিন আরাফাত নামে এক যুবক। সোর্সের কাজও করতেন তিনি। কিন্তু এখন তিনি নিজেই পুলিশ পরিচয়ে হ্যান্ডকাপ নিয়ে মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়ার পর তার এ সকল জারিজুরি ফাঁস হয়ে গেছে। গত শনিবার বিকেলে সদর উপজেলার আব্দুলপুর বাজার থেকে হ্যান্ডকাপ, পুলিশ লেখা ব্যাগ, মোটরসাইকেল ও অর্ধশত বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে আটক করে ডিবি পুলিশ। আটক ইয়াছিন আরাফাত সদর উপজেলার িিতবদিয়া গ্রামের জয়নাল মন্ডলের ছেলে।
ডিবি পুলিশের এসআই সোলায়মান আক্কাস জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি ফোর্স নিয়ে যশোর-চৌগাছা রোডের আব্দুলপুর বাজারে অভিযান চালান। এ সময় সেখান থেকে ইয়াছিন আরাফাত নামে ওই যুবককে আটক করেন। তিনি জানান, ইয়াছিন আরাফাত নিজেকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু পরিচয়পত্র দেখতে চাওয়ায় অবস্থা বেগতিক বুঝে তিনি পুলিশ নন বলে স্বীকার করেন। ডিবি পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, ইয়াছিন আরাফাতের কাছ থেকে একটি হ্যান্ডকাপ, পুলিশ লেখা একটি ব্যাগ (পিঠে ঝোলানো ব্যাগ), সামনে পুলিশ লেখা একটি অ্যাপাচি মোটরসাইকেল (কুষ্টিয়া-ল-১১-৬৫৪২) এবং ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি এবং পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেছেন এসআই সোলায়মান আক্কাস। এদিকে আটক ইয়াছিন আরাফাত জানান, তিনি কোতয়ালি থানা পুলিশের তৎকালীন সিভিল টিমের এসআই হাসানুর রহমানের গাড়ি চালাতেন। ৬ মাস তার গাড়ি চালিয়েছেন। তবে সিভিল টিম বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তিনি ওই পুলিশ কর্মকর্তার গাড়ি চালানোর কাজ ছেড়ে দেন। অপরদিকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের এসআই আব্দুল মালেক জানান, রোববার ইয়াছিন আরাফাতকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। একই সাথে আদালতে তার পাঁচদিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।
খুলনায় ‘আল্লাহর দল’র ৫ সদস্য আটক
লোকসমাজ ডেস্ক ॥ খুলনার লবণচরা এলাকায় গোপন বৈঠক করার সময় নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আল্লাহর দলের পাঁচ সদস্যকে আটক করেছে র্যাব-৬। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) ভোররাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। আটকরা হলেন- আল্লাহর দলের যশোর জেলার নায়েক ইলিয়াস কাঞ্চন রিপন (৩৭), যুগ্ম নায়েক মো. মুকুল হোসেন (৩৬), সহ-নায়েক মো. ইয়াছিন আলী (৩৮), থানা নায়েক মো. শুকুর আলী (২৯), ও গ্রাম নায়েক মো. সোহানুর রহমান সোহান (২৩)।
আটকদের কাছ থেকে তিনটি হ্যান্ডনোট , বিস্তারিত বিবরণীর একটি ফাইল, মামলা বিষয়ক টিপস্ সংক্রান্ত একটি লিফলেট (দুই পাতা), দোকান ঘর ভাড়া চুক্তিপত্র একটি (চার পাতা), শপথ অনুষ্ঠানে আলোচনা সংক্রান্ত হ্যান্ডনোট একটি (পাঁচ পাতা), বৈঠকের বিস্তারিত বিবরণী (বায়াতসহ) এক সেট, উগ্রবাদী কবিতা এক পাতা ও হাতে লেখা সংগঠনের কার্যবিধি (এক পাতা) উদ্ধার করা হয়েছে। র্যাব-৬ এর ডিএডি মো. ইউসুফ আলী জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানিয়েছে দীর্ঘদিন যাবত তারা এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে সদস্য নির্বাচন, বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং কর্মীদের বায়াত গ্রহণ করানোর মাধ্যমে দলীয় শক্তি বৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে তারা এই সংগঠনকে শক্তিশালী করার ল্েয দলীয় মিটিং, উগ্রবাদী বই বিতরণ, অর্থ প্রদান ও আদায় এবং সংগঠনে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য দাওয়াত প্রদান ইত্যাদি কর্মকান্ডে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে আসছে।
শিরোমণিতে সোনালী ব্যাংকে আগুন, পুড়েছে গুরুত্বপূর্ণ কাগজ
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) সংবাদদাতা ॥ রোববার ভোরে খুলনা নগরীর শিরোমণি শিল্প এলাকার সোনালী ব্যাংক কেবল শিল্প শাখায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোনালী ব্যাংক কেবল শিল্প শাখার ম্যানেজার মো.ফিরোজ হোসেন জানান, কেবল শিল্পের সিকিউরিটি গার্ড ভোর চারটার দিকে ব্যাংকের ভিতর দিয়ে ধোঁয়া বের হতে দেখে কর্মকর্তাদের খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে ঘটনাস্থলে এসে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ব্যাংকের স্টোর কাম রেকর্ডরুম থেকে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস্ ও কিছু আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। খুলনা সোনালী ব্যাংক সহকারী জেনারেল ম্যানেজার এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, বড় ধরনের য়তি না হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পুড়ে গেছে। ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এদিকে বছরের একেবারে শেষ সময়ে ব্যাংকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।









