বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

0
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজনৈতিক অঙ্গনে গত কয়েকদিন ধরে চলা সকল জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন তরুণ ও জনপ্রিয় নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আজ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

যশোরের গণমানুষের নেতা এবং বিএনপির সাবেক স্থায়ী কমিটির সদস্য মরহুম তরিকুল ইসলামের সুযোগ্য পুত্র অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আগে থেকেই গুঞ্জন ছিল। বিশেষ করে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও বিদ্যুৎ খাতের সংস্কারে একজন গতিশীল নেতার প্রয়োজনীয়তা যখন তীব্র, ঠিক তখনই তাকে এই গুরুদায়িত্ব দেওয়া হলো।

চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত একটি দেশের মেরুদণ্ড। আমি জানি চ্যালেঞ্জ অনেক বড়, বিশেষ করে সাধারণ মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা এবং স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা আমার প্রধান লক্ষ্য।

​এদিকে অমিতের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে তার নির্বাচনী এলাকা যশোরসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের মতে, মাঠপর্যায়ের রাজনীতির অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের শক্তি দিয়ে তিনি এই সংকটময় খাতকে এগিয়ে নিতে পারবেন।

শপথ নিলেন এনসিপি’র নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা

0
ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) নির্বাচিত ছয় নেতা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া একটার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন তাদের শপথ পাঠ করান।

এনসিপির সংসদ সদস্যরা একইসঙ্গে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নিয়েছেন। এর আগে জামায়াত এমপিরাও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি।

সংসদ ভবনে বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে দলীয় এমপিদের উদ্দেশে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিচ্ছেন না।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি রুমিন ফারহানা

0
ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি আজ সাড়ে ১২টার দিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এমপিদের সঙ্গে একই সময়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।

কিন্তু প্রথম শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হতেই তিনি সভাস্থল ত্যাগ করেন। বিএনপির এমপি ইশরাক হোসেন জামায়াত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শপথ নিলেও তিনিও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

উল্লেখ্য, আজকে শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির এমপিরা। তারা আজ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না বলে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

তবে জামায়াতের এমপিরা দুটি শপথই নিয়েছেন।

সকালে ‘না’ বলার পর দুপুরে শপথ নিলেন জামায়াতের সংসদ সদস্যরা

0
ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা। তাদের শপথ পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ.এম.এম নাসির উদ্দিন।

এর আগে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করায় জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা দুটি শপথের কোনোটিই না নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ বলেছিলেন, বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ায় ১১ দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা কোনো শপথ গ্রহণ করবে কি-না এটা নিয়ে জোটভুক্ত দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তবে শেষমেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যরা দুটি শপথই নিলেন।

এর আগে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সকাল পৌনে ১১টার দিকে শপথ নেন। তবে বিএনপির এমপিরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।

সংসদীয় দলের নেতা ও নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হলেন তারেক রহমান

0
তারেক রহমান, ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয়ের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদীয় দলের নেতা ও নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের প্রথম সভায় এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে সকাল পৌনে ১১টার দিকে সংসদ ভবনের শপথ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমানসহ নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা।

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ দিনের সূচনা হয় নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে। পবিত্র কোরআনের সূরা আন-নাহলের ৯১ নম্বর আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। রেওয়াজ অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে প্রথমে বিএনপির সংসদ সদস্যরা এবং পরবর্তীতে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা শপথ নেন।

শপথ গ্রহণ শেষে সংসদ সদস্যরা নিয়ম অনুযায়ী শপথপত্রে সই করেন। অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি অসংখ্য আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও ‘জুলাই সনদ’ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তাঁরা আজ আলাদাভাবে শপথ নেননি।

সংসদীয় দলের বৈঠকে তারেক রহমানকে নেতা নির্বাচিত করার পর এখন সবার নজর বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য মূল শপথ অনুষ্ঠানের দিকে। আজ বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক রাজকীয় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তারেক রহমান।

একই অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করবেন। দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির এই রাষ্ট্রক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম বঙ্গভবনের পরিবর্তে সংসদ ভবনের উন্মুক্ত চত্বরে এই ধরণের বড় পরিসরের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আজ সন্ধ্যাতেই মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করার কথা রয়েছে। নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই তাঁর মন্ত্রিসভার প্রাথমিক তালিকা চূড়ান্ত করেছেন বলে জানা গেছে, যেখানে অভিজ্ঞদের পাশাপাশি একঝাঁক নতুন মুখ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসার কথা রয়েছে, যার মধ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গভাবে যাত্রা শুরু করবে নতুন এই নির্বাচিত সরকার।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন যাত্রা বাংলাদেশের

0
তারেক রহমান, ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন আজ মঙ্গলবার সকালে। বিকেলেই অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান। এর মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান-পরবর্তী একটি নির্বাচিত সরকার গঠন এবং এর যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রিত্বে এ যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ হবে পর্যায়ক্রমে। এরপর বিকেল চারটায় মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হবে। ঐতিহ্যগতভাবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথের আনুষ্ঠানিকতা হতো বঙ্গভবনের দরবার হলে।

সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন। সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার এ দায়িত্ব পালন করেন, কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

সবার দৃষ্টি মন্ত্রিসভায়
১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এককভাবে ২০৯টিতে জয়ী হয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন। এখন সারা দেশে আলোচনার কেন্দ্রে নতুন মন্ত্রিসভায় কারা থাকছেন। এ বিষয়ে গণমাধ্যমগুলোতে কয়েক দিন ধরে নানা রকম সংবাদ ছাপা হচ্ছে।

বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছে, কিন্তু কেউ সুনির্দিষ্ট করে কোনো তথ্য জানাতে পারেননি। বিএনপির প্রধান তারেক রহমান নিজেই মন্ত্রিসভা গঠন নিয়ে কাজ করছেন। তাঁকে দলের স্থায়ী কমিটির কয়েকজন সদস্য সহায়তা করছেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির দায়িত্বশীল নেতারা বলছেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এবার মন্ত্রিসভা খুব ভেবেচিন্তে করা হচ্ছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদসহ জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকেই মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ওসমান ফারুকসহ আরও কয়েকজন সাবেক মন্ত্রীর নামও আলোচনায় আছে।

পাশাপাশি তরুণ অনেক নেতাকেও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও হুমায়ুন কবির, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (সিলেট-১), অনিন্দ্য ইসলাম (যশোর-৩), জাকারিয়া তাহের (কুমিল্লা-৮) ও ফারজানা শারমিন (নাটোর-১) মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন, এমন আলোচনা রয়েছে।

বিএনপির জোটের শরিকদের মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি ও গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হকের নামও আলোচনায় আছে।

এ ছাড়া সুষ্ঠু ও দক্ষতার সঙ্গে সরকার পরিচালনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি টিম কাজ করবে, যাঁরা মন্ত্রিপরিষদসহ সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এ ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ ও দক্ষ ব্যক্তিদের সহায়তা নেওয়া হবে।

একটি নতুন যাত্রার প্রত্যাশা
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিগত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে স্বৈরাচারী সরকারের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয় বিএনপি। সরকারবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি।

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে স্বৈরাচারী সরকারের পতন হয়। এরপর দায়িত্ব নেয় অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের অধীন গত বৃহস্পতিবার একটি উৎসবমুখর সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিএনপি।

ইতিমধ্যে তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে বিভেদ ঘুচিয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন। এতে সর্বস্তরে একটা আশাবাদ তৈরি হয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী গতকাল সোমবার গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার দিকে তাঁদের বিশেষ দৃষ্টি থাকবে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার জন্য বিএনপির সামনে এটি একটি বড় সুযোগ এসেছে। এ জন্য মন্ত্রিসভায় সৎ, দক্ষ ও দূরদর্শী ব্যক্তিদের প্রাধান্য কতটা থাকছে, সেটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা তপন চৌধুরী বলেন, ‘একজন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা হিসেবে নতুন সরকারের কাছে আমার প্রথম প্রত্যাশা-দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তারা এমন কিছু উদ্যোগ বা ব্যবস্থা নেবে, যাতে উদ্যোক্তাদের হারানো আস্থা ফিরে আসে। ইংরেজিতে একটি প্রবাদ আছে, মর্নিং শোজ দ্য ডে। সেটির প্রতিফলন সরকারকে শুরুতে দেখাতে হবে।’

নতুন সরকারের যাত্রার প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় সংসদের স্পিকার, সংসদ নেতা, সংসদ উপনেতাসহ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েও নানা আলোচনা-গুঞ্জন চলছে।

নানা হিসাব-নিকাশে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম দলের ভেতরে-বাইরে আলোচনায় রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু জানা যায়নি। তবে বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে আরও সময় আছে।

স্মৃতিতে ফিরছে ১৯৭৯ ও ১৯৯১ সাল
আজ ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি; তারেক রহমান যখন প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হচ্ছেন, তখন অনেকের স্মৃতিতে ফিরে আসছে ১৯৭৯ ও ১৯৯১ সাল। ৪৬ বছর আগে ১৯৭৯ সালের ১৬ এপ্রিল তাঁর বাবা জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। একদলীয় শাসনব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে বহুদলীয় রাজনৈতিক ধারায় প্রত্যাবর্তন করেন তিনি। তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন ৪২ জন। আর এখন থেকে ৩৪ বছর আগে ১৯৯১ সালে তাঁর মা খালেদা জিয়া প্রথম বাংলাদেশের নারী প্রধানমন্ত্রী হন। সেটি ছিল ১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ। তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ তাঁকে শপথ পড়ান। সে মন্ত্রিসভা ছিল ৩১ সদস্যের। খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০০১ সালে যখন তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন, সে মন্ত্রিসভায় সদস্য ছিলেন ৬০ জন।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র ইস্যু করা হচ্ছে। তাঁদের কাছে শপথের আমন্ত্রণপত্র কোনো কারণবশত হাতে না পৌঁছালে সংসদ ভবনের টানেলের অভ্যন্তরের মূল প্রবেশপথে অবস্থিত ‘ফ্রন্ট ডেস্ক’ থেকে তাঁরা সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে সংসদ সচিবালয় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা আর প্রত্যাশার মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন সরকারের আনুষ্ঠানিক যাত্রা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, দীর্ঘ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার একটি দল কীভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে, তার প্রতিচ্ছবি অনেকটাই স্পষ্ট হবে নতুন মন্ত্রিসভার চেহারায়।

আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হইনি: সালাহউদ্দিন আহমদ

0
এমপি পদের বাইরে অন্য কোনো শপথ নয়! আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তিহীন পদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিল বিএনপি।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়েও ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ দলের এই আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। তাছাড়া বিষয়টি এখনো সংবিধানে ধারণ করা হয়নি।” তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, গণভোটের রায় অনুযায়ী সংস্কার পরিষদ গঠিত হলেও তা আগে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং কে শপথ পাঠ করাবেন তার সুনির্দিষ্ট বিধান থাকতে হবে। সাংবিধানিক কোনো ভিত্তি ছাড়া এই অতিরিক্ত শপথ গ্রহণ সম্ভব নয় বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন।

উল্লেখ্য, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের একইসঙ্গে সংস্কার পরিষদেরও সদস্য হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বিএনপি মনে করছে, আইনি কাঠামো ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে এমন শপথ গ্রহণ গ্রহণযোগ্য নয়। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, “আমরা সংবিধান মেনেই এ পর্যন্ত এসেছি এবং ভবিষ্যতেও চলব।” বিএনপির এই অবস্থানের ফলে সংবিধান সংস্কার প্রক্রিয়ায় নতুন এক রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হলো।

[সরাসরি] নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান

0
স্পিকারের পরিবর্তে সিইসির কণ্ঠে শপথ! এক ব্যতিক্রমী মুহূর্তে যাত্রা শুরু হলো নতুন সংসদের।। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর স্বাক্ষর করেন তারেক রহমান ।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ পাঠ করান। প্রধানমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ শেষে নতুন সরকারের ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীও শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রায় দুই যুগ পর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় ফিরল বিএনপি।

পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন যাঁরা: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু), মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট), আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, ফকির মাহবুব আনাম ও শেখ রবিউল আলম।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যাঁরা: এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ ও আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

ঐতিহাসিক এই শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাসহ ১৩টি দেশের প্রতিনিধি এবং বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর দায়িত্ব নিলেন প্রতিমন্ত্রীরা।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রতিমন্ত্রীরা। তাঁদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

এর আগে নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারপর শপথগ্রহণ করেন মন্ত্রীরা।

পৃথকভাবে তাঁদের সবাইকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো। প্রায় দুই যুগ পর যাত্রা শুরু হলো বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারেরও।

গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি ২০৯ আসনে জয়ী হয়। বিএনপি জোটের শরিকেরা ৩টি আসন পায়।

প্রধানমন্ত্রীর শপথ শেষে দায়িত্ব নিলেন মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা; বঙ্গভবনে ঐতিহাসিক শপথ অনুষ্ঠান
দেশ পরিচালনার হাল ধরলেন ফখরুল-সালাহউদ্দিনরা; সম্পন্ন হলো মন্ত্রিসভার শপথ।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হলো বাংলাদেশে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর শপথ গ্রহণ শেষে আজ বিকেলে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নিয়েছেন নতুন মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা।

শপথ গ্রহণকারী বর্ষীয়ান নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কূটনীতিক এবং উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানকে শপথ পড়ান। পরে তাঁরা করমর্দন করেন।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ এক দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক রাজকীয় ও আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে তিনি শপথ গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর এটিই দেশের প্রথম সরকার গঠন। শপথ অনুষ্ঠানের জন্য দক্ষিণ প্লাজাকে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়। পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান শপথ নথিতে স্বাক্ষর করেন।

ঐতিহাসিক এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে দেশি-বিদেশি বিশিষ্ট কূটনীতিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সমন্বয়কসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা: ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ পূর্ণমন্ত্রী–২৪ প্রতিমন্ত্রী কারা

পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা
১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ (টুকু) ৫. মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ ৬. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ৭. অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট) ৮. আবদুল আউয়াল মিন্টু ৯. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ ১০. মিজানুর রহমান মিনু ১১. নিতাই রায় চৌধুরী ১২. খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর ১৩. আরিফুল হক চৌধুরী ১৪. জহির উদ্দিন স্বপন ১৫. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) ১৬. আফরোজা খানম (রিতা) ১৭. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ১৮. আসাদুল হাবিব দুলু ১৯. মো. আসাদুজ্জামান ২০. জাকারিয়া তাহের ২১. দীপেন দেওয়ান ২২. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২৩. সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল) ২৪. ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) ২৫. শেখ রবিউল আলম
২৪ প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা
১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত৩. মো. শরিফুল আলম৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু৬. কায়সার কামাল৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)

৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন

১০. হাবিবুর রশীদ

১১. মো. রাজিব আহসান

১২. মো. আব্দুল বারী

১৩. মীর শাহে আলাম

১৪. জোনায়েদ সাকি

১৫. ইশরাক হোসেন

১৬. ফারজানা শারমিন

১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম

১৮. নুরুল হক

১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী

২০. এক ইকবাল হোসেইন

২১. এম এ মুহিত

২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর

২৩. ববি হাজ্জাজ

২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।

নতুন মন্ত্রিসভার আকার ৫০, শপথে আনা–নেওয়ার জন্য ৪৯ গাড়ি পাঠানো হচ্ছে
বাংলাদেশ সরকারের লোগো।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ নতুন মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৫০। নতুন মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে আনা–নেওয়ার জন্য ৪৯টি গাড়ি পাঠাচ্ছে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ। এর মধ্যে ২৫ পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে শপথ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে ফোন দিতে শুরু করেছে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ।

এর মধ্যে সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন ফোন পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

নাটকীয়তা শেষে শপথে জামায়াত; সকালে ‘না’ বললেও দুপুরে নিলেন শপথ
জামায়াতের শপথে নাটকীয় মোড়; অনিশ্চয়তা জয় করে সংসদে পা রাখলেন নির্বাচিতরা।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ দিনের শুরুতে চরম অনিশ্চয়তা আর নাটকীয়তার পর অবশেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

এর আগে সকালে দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, বিএনপি যদি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ না নেয়, তবে জামায়াতের নির্বাচিত এমপিরাও কোনো ধরনের শপথ নেবেন না। এই ঘোষণায় রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তজনা সৃষ্টি হয়। তবে সেই অবস্থান থেকে সরে এসে নির্ধারিত সময়ের কিছুক্ষণ পর দুপুর সাড়ে ১২টায় জামায়াত সদস্যরা শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই শপথ অনুষ্ঠানে দলটির সকল বিজয়ী প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। যদিও জামায়াতের এই অবস্থান পরিবর্তনের সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি, তবে এই শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সংসদের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পথে বড় একটি বাধা দূর হলো বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

বিএনপির সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবে না
শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবেন না বিএনপির এমপিরা; সংসদীয় সভায় সিদ্ধান্ত ।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ বিএনপির সংসদ সদস্যরা কেউ শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট নেবে না। আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার পর সংসদীয় দলের সভাকক্ষে বৈঠক করেছেন বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। সেখানে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ না নেওয়ার কথা ভাবছে এনসিপি
সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে জটিলতা; এনসিপি সদস্যদের শপথ না নেওয়ার শঙ্কা।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিএনপি ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এনসিপি-ও তাদের শপথের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে নির্ধারিত সময়ে দলটির সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন জানান, আজ দুপুর ১২টায় তাঁদের ছয়জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের শপথ নেওয়ার সময় নির্ধারিত রয়েছে এবং তাঁরা সংসদ ভবনের উদ্দেশে রওনাও হয়েছেন। তবে বিএনপির সংসদ সদস্যরা সংস্কার পরিষদের শপথ বর্জন করায় এনসিপি-ও একই পথে হাঁটার কথা ভাবছে। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে নির্বাচিত এনসিপি সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন জানান, বিষয়টি নিয়ে তাঁরা গুরুত্বের সাথে ভাবছেন, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শপথকক্ষে যাওয়ার আগেই নেওয়া হবে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ’ অনুযায়ী এই সংস্কার পরিষদের শপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু সংসদের প্রধান দল বিএনপির আপত্তির পর এনসিপির মতো তরুণ নেতৃত্বাধীন দলটির এই সম্ভাব্য বর্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিএনপি সংবিধান সংস্কার পরিষদে শপথ না নিলে জামায়াত কোনো শপথই নেবে না: তাহের
শপথে নতুন জটিলতা! বিএনপি সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে সংসদ সদস্য হিসেবেও শপথ নেবে না জামায়াতে ইসলামী।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা এক নজিরবিহীন ঘোষণা দিয়েছেন। দলটির নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের আজ মঙ্গলবার সকালে জানিয়েছেন, বিএনপি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নেয়, তবে জামায়াতের সদস্যরা কোনো ধরনের শপথই গ্রহণ করবেন না। এমনকি সংসদ সদস্য হিসেবেও তারা শপথ নেবেন না।

আজ দুপুর ১২টায় জামায়াতের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণের সময় নির্ধারিত রয়েছে। আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, “আমরা শপথ অনুষ্ঠানে যাব। তবে বিএনপি যদি সংস্কার পরিষদের শপথ বর্জন করে, তবে আমাদের সদস্যরা কোনো শপথই নেবেন না। কারণ, আমরা মনে করি সংস্কারবিহীন সংসদ সম্পূর্ণ অর্থহীন।”

এর আগে সকালে বিএনপি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা কেবল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেবে কিন্তু সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নয়। বিএনপির এই অবস্থানের পর জামায়াতের এমন কঠোর সিদ্ধান্তে নতুন সংসদ গঠনের শুরুতেই বড় ধরনের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সংসদ সচিবালয় দুই ধরনের শপথের প্রস্তুতি রাখলেও মিত্র দল দুটির বিপরীতমুখী ও অনড় অবস্থান লক্ষ করা যাচ্ছে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেবে না বিএনপি
এমপি হিসেবে শপথ নিলেও সংবিধান সংস্কার পরিষদের অংশ হচ্ছে না বিএনপি। দলটির পক্ষ থেকে সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক ভিত্তি না থাকায় তারা এই শপথ নেবেন না।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর সদস্য হিসেবে শপথ নিচ্ছেন না বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে শপথ অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছে।

শপথ গ্রহণের আগে কক্সবাজার-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা কেউ সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হইনি। আমরা জনগণের ভোটে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি।” তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, সংবিধান সংস্কার পরিষদ বিষয়টি যদি ভবিষ্যতে জাতীয় সংসদে সাংবিধানিকভাবে গৃহীত হয়, তবেই এ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

বিএনপির দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। দলটির মতে, বিদ্যমান আইনি কাঠামোয় এই পরিষদের কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, তাই সংসদ সদস্য পদের বাইরে অন্য কোনো পদের শপথ নেওয়া তাঁদের নীতির পরিপন্থী।

সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ালেন সিইসি
নতুন দিনের যাত্রা শুরু! আজ শপথ নিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ২৯৭ জন নবনির্বাচিত সদস্য। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাঁদের শপথ বাক্য পাঠ করান।। ছবি: সংগৃহীত

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ শেষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার কিছু আগে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।

শপথ অনুষ্ঠানের আগে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। শপথ পড়ান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন।

সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য সাধারণত জাতীয় সংসদের স্পিকার পড়ান। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী পরিস্থিতিতে সংবিধান অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে গত বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ করা হয়। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে ভোট গ্রহণ হয়নি। আর দুটি আসনে ফলাফলের গেজেট প্রকাশে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৭ টি আসনের সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেন।

পূর্ণতা পেলো জুলাই জাতীয় সনদ, এনসিপিকে ধন্যবাদ জানালেন প্রধান উপদেষ্টা

0
ছবি: সংগৃহীত।

লোকসমাজ ডেস্ক ॥ প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “এনসিপি এই সনদে স্বাক্ষর করবে বলেই জাতির বিশ্বাস ছিল, আজ সেই বিশ্বাস পূর্ণতা পেয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণতা পেলো, এনসিপিকে ধন্যবাদ এই মহতি কাজে অংশগ্রহণের জন্য।”

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমাদের দল থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা আগামীকাল শপথ গ্রহণ করবেন। আমরা একই সঙ্গে দুটি শপথ গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমাদের ওপর দেশের মানুষ যে আস্থা রেখেছে, আমরা তা বাস্তবায়ন করবো।”

জুলাই জাতীয় সনদে এনসিপির স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ায় সংবিধান অনুসারে আগামী নতুন সংসদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করতে পারবেন।

যবিপ্রবির এক গবেষণা গ্রুপ থেকে চারজনের অ্যাওয়ার্ড

0

যবিপ্রবি সংবাদদাতা ॥ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) গবেষণাভিত্তিক শিক্ষার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে পরিবেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ইএসটি) বিভাগের একটি মাস্টার্স থিসিস গ্রুপ। একই গবেষণা গ্রুপ থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চারজন শিক্ষার্থী অর্জন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি, ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড ও ডিন’স অ্যাওয়ার্ড।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা সকলেই ইএসটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তীর তত্ত্বাবধানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের গবেষণা থিসিস সম্পন্ন করেছেন। গবেষণার মান, মৌলিকত্ব, প্রকাশনার সম্ভাবনা এবং সামাজিক ও পরিবেশগত প্রাসঙ্গিকতার ভিত্তিতে এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করেন যথাক্রমে বায়তুন নাহার নীতিমা, সজীবুর রহমান এবং খন্দকার রাশেদুল ইসলাম। অপরদিকে, একই বিভাগের শিক্ষার্থী পার্থ চন্দ্র দেবনাথ ডিন’স অ্যাওয়ার্ড ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

সম্প্রতি যবিপ্রবির ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ছাড়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় কখনোই টেকসই উন্নয়নের পথে এগোতে পারে না। যবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা যে মানসম্মত ও উদ্ভাবনী গবেষণার মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের।

ভাইস-চ্যান্সেলর’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সজীবুর রহমান বলেন, যবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের মধ্যে গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ ধরনের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

আজকের এই অর্জনের সম্পূর্ণ কৃতিত্ব আমার শ্রদ্ধেয় সুপারভাইজার সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তী স্যারের। গবেষণার প্রতিটি ধাপে তাঁর দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা আমাকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে। এই স্বীকৃতি আমার ও আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত গৌরবের।

ডিন’স অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত পার্থ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, এই অর্জন আমার একাডেমিক জীবনের অন্যতম সেরা প্রাপ্তি। একজন গবেষক হিসেবে এই স্বীকৃতি আমার ভবিষ্যৎ পথচলাকে আরও দৃঢ় করবে। আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক তাপস কুমার চক্রবর্তী স্যারের সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিরলস অনুপ্রেরণাই আমাকে আজকের এই অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে।

By using this site, you agree to our Privacy Policy.
View more
Cookies settings
Accept
Privacy & Cookie policy
Privacy & Cookies policy
Cookie name Active
Terms of Use We welcome readers and visitors to our “Terms of Use’ of Loksamaj and its associated websites, its contents, services and applications. Individuals may access the content in several ways using multiple channels including but not limited to www, digital, social platforms, SMS and RSS feeds using multiple devices including but not limited to computers, mobile phones and PDAs. By using our content and services, that is , by reading or using any content, picture or information whatsoever, the reader/visitor accepts our “Terms of Use” including Loksamaj’s Privacy Policy. If anyone has any objection or reservation to any clause in this “Terms of Use” or the Privacy Policy, she or he may raise the issue with Loksamaj by sending an email at loksamaj@gmail.com. However, Loksamaj reserves all right to reject or accept any such objection or reservation. All users of Loksamaj are required to abide by this “Terms of Use”. Failure to comply with the terms may lead to, among others, suspension of account or prohibition from access to the website. By entering the website of Loksamaj or using applications of Loksamaj, readers/visitors are deemed to have received services from Loksamaj. These services include text, audio, video, images, software etc. Intellectual Property Rights Loksamaj’s content, logos, copyright, trademarks, patents, images, text, graphics, logos, domain names, audio, video and other related intellectual property rights or other features of Loksamaj brand and name belong to Loksamaj or to its licensors. Users cannot claim any rights in and/or our licensor’s intellectual property whether for commercial or non-commercial use. Users are also prevented from making any derivative work from the content of Loksamaj. Infringement of copyright or any other intellectual property of Loksamaj may be sent at loksamaj@gmail.com. Your use of our services Site readers/visitors are required to use Loksamaj services only for lawful means and for read-only purposes. The audio and visual elements of the website or application can only be listened to and viewed and nothing beyond. Loksamaj encourages its readers to share its content(s) in their social media profile, groups and related communities. However, the contents of our services must not be shared with anyone or with any other digital platforms with any modification or alteration. Readers/Visitors are prohibited from hacking the website, or trying to get around our content security setup. The users must use the services only for non-commercial purposes, regardless of whether the person or entity is a commercial entity or not. We grant our users only a license to access and use our services and intellectual property rights subject to the following usage restrictions: users may use available services for personal, private and non-commercial purposes only, the users must not exploit, sell or use any content appearing on our services for any kind of commercial purposes (this does not apply to any user content posted by an individual and in which a visitor/user retains ownership rights), the users must not use provocative or offensive language, pictures or comments targeting the contents of Loksamaj. Taking down contents Loksamaj can take down contents at any time at its sole discretion from its website or application. Readers/Visitors cannot refuse to remove content, games or apps from their respective devices if asked by Loksamaj. This might happen when Loksamaj or its services are taken down. Unauthorized and prohibited activities The user is specifically required not to associate Loksamaj with any political party, racism, sexism or otherwise damage its reputation. The user is also prohibited from defaming Loksamaj or defaming any other person or entity, or commenting on any court proceedings that may amount to a contempt of court. Harassing, bullying or upsetting the people or any other user is strongly prohibited. The user must not post or upload any image or comment which is offensive or obscure or immoral. Personal attack by way of comment or image is likewise prohibited.. Protection of Users Device Readers/Visitors are required to take their own precautions and protections in this respect as Loksamaj does not accept any responsibility for any attacks by virus or malware or any other contamination or by anything which has destructive properties. Loksamaj strictly does not hold any responsibility for infection of virus or contamination of your machine or device through your access to any third-party contents. Third party contents may include, but is not limited to Google ads. Any content which is not generated by Loksamaj itself is a third-party content, regardless of whether the content appears on the website of Loksamaj or not. Prohibition on sharing mark, contents, images, etc. Loksamaj prohibits the users from sharing marks, contents or images for whatever purpose, be it commercial or not. When sharing of contents, images or marks are permitted or authorized, then such sharing must be done by attributing the credit and name to Loksamaj in such manner that the attribution is clearly visible when the image or content is generated by Loksamaj. All users are prohibited from taking credit from the contents or images shared, published or generated by Loksamaj. Redirecting to other Websites Loksamaj will not accept any kind of liability if the user is redirected to any other website including unwanted websites from the Loksamaj. Third Party Contents Loksamaj does not bear any responsibility or liability whatsoever for any third-party contents. Third party contents include such contents which are not generated or produced by Loksamaj. It includes contents, images and texts which are uploaded or displayed by Loksamaj but which are created or generated or produced by someone or entity other than Loksamaj. Privacy Policy The entire Privacy Policy of Loksamaj is an integral part of the “Terms of Use”. All clauses in the Privacy Policy are hereby incorporated by reference, except for the clauses which are similar or have the same meaning. Advertisement The advertisements included in the Loksamaj website and mobile apps, are by third-party companies, which may collect information about users for which Loksamaj shall bear no responsibility that may arise as a result of collecting and/or sharing the information with any other party. Loksamaj shall not accept any liability that may arise as a result of any content of any advertisement that may appear on the Loksamaj website. Modification of Terms of Use Loksamaj reserves the right to amend, modify, alter, or omit any terms in the “Terms of Use” at any time but the changed policy shall be immediately uploaded or updated in the website. By continuing to use our services after any changes are made, you accept those changes and will be bound by them. We encourage readers/visitors to periodically check back and review this policy to always know what information we collect, how we use it, and with whom we share it. Use of Cookies Loksamaj does not collect any user data based on cookies, nor does it store any sort of user information that may be personal to the user. If a third party associated with the Loksamaj website collects user cookies upon your visit to the Loksamaj website, Loksamaj does not control the use of these cookies. Therefore, visitors/users should check the relevant third-party websites. When users register with Loksamaj, personal identity information is collected for authentication. The information Loksamaj collects is not shared with any third party. However, Loksamaj may use the information to send messages, information from Loksamaj or any of its associated companies. Communication by Loksamaj From time to time, Loksamaj may contact its users via e-mail, phone or SMS for invitation for participation in events, campaigns/competitions, feedback and surveys etc. organized by Loksamaj. User Generated Content Users of Loksamaj may submit post and/or upload content (including comments, pictures, videos). In posting content, users confirm that they are the owner or have consent from the owner to post the content and that the content is not obscene, harassing, deceptive, threatening, libelous, invasive of another’s privacy, offensive, fraudulent, defamatory of any person or illegal. Loksamaj does not endorse any user generated content nor does it guarantee the accuracy or authority of any user generated content. Furthermore, while using the Loksamaj website readers/visitors agree not to (i) post content which is deliberately intended to upset or harm other users; (ii) use the Loksamaj website to post or otherwise transmit content that victimizes, harasses, degrades, or intimidates an individual or group of individuals on the basis of any impermissible classification, including, without limitation, religion, gender, sexual orientation, race, color, creed, ethnicity, national origin, citizenship, age, marital status, military status or disability; (iii) post or otherwise transmit any content that contains software viruses or any other computer code, files, or programs designed to interrupt, destroy, or limit the functionality of the Loksamaj website or any computer software or hardware or telecommunications equipment; (iv) upload or otherwise transmit any content, or take any other actions with respect to use of the Loksamaj website, that would constitute, or would otherwise encourage, criminal conduct or give rise to civil liability. Loksamaj reserves the right to remove any user’s content, suspend or discontinue one’s opportunity to submit post and/or upload content, at any time and for any reason at its sole discretion without any notice and without further recourse to users. Loksamaj usually filters the content of the website and in the event that any offensive, unpleasant or distasteful comment and/or picture is published regardless of the filtration process Loksamaj shall not accept any liability arising out of it. In the event that users post any comment that may be regarded offensive, degrading, inappropriate or objectionable by any reasonable person or Loksamaj, Loksamaj may use personal information of the concerned to prevent such behavior. Accessing the website from outside Bangladesh All personal information submitted by users outside Bangladesh will be processed in accordance with these “Terms of Use” and Privacy Policy. Disclaimer Loksamaj aims to provide its users with the best service. However, it does not and cannot promise that all the information provided within its service including multimedia content like images & videos will always be accurate. The contents provided by Loksamaj are for information purposes only and do not constitute advice. All Loksamaj’s services are provided without any warranties or guarantees. Posting and Viewing Contents Readers/visitors acknowledge and agree that when they post content on Loksamaj website or view content provided by others, they are doing so at their own discretion and risk, including any reliance they place on the accuracy, completeness, of that content. Some of the information provided by Loksamaj is supplied by Third Parties. Loksamaj has no control over third party content and Loksamaj is unable to guarantee the accuracy of such third-party content. Before relying on any information, whether it is from us or from any third party partner, Loksamaj advises you to verify the accuracy of such information. Interruption, cross-connection or unavailability of website or application Whilst Loksamaj will do its best to ensure that its service is fully operational at all times, it is not responsible for and shall not be liable to users for any problems or temporary interruptions in using our services arising from factors outside of its control (e.g. technical problems from traffic congestion on the internet) or for any problems arising from participating in or from downloading third party content. To the extent permissible by law, Loksamaj is not responsible for any loss or damage resulting from use of its services or from any content posted in its website. Governing Law The laws that govern “Terms of Use” of Loksamaj and its relationship with the user is the laws of Bangladesh and any dispute regarding the use, retention, disclosure, leakage or dissemination of the information or date can only be raised in arbitration in accordance with the Arbitration Act, 2001. The place of arbitration shall be Dhaka, Bangladesh and the arbitral tribunal shall consist of three members. The courts of Bangladesh shall have exclusive jurisdiction on this matter. The entire “Terms of Use” shall apply to all who enter the website, receive service or use an application from Loksamaj regardless of their nationality, location, residence or place of business. Opt-out If, at any time, the users prefer not to receive email containing marketing information from us, then the user can simply follow the unsubscribe options at the bottom of each email. If the users no longer wish to have a registered account, the user may terminate the account by sending an email to loksamaj@gmail.com.
Save settings
Cookies settings