৩২ মামলার আসামি রমজান হত্যা মামলায় পিচ্চি রাজাসহ ২১ জনের নামে চার্জশিট

0

 

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর শহরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আলোচিত রমজান হত্যা মামলার চার্জশিট আদালতে দাখিল করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ৮ মাস পর সন্ত্রাসী পিচ্চি রাজাসহ ২১জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা উপশহর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মো. কামাল হোসেন।
আসামিরা হলেন, রেলগেট কলাবাগান এলাকার মজিবর ওরফে জাহাঙ্গীরের ছেলে রাজা ওরফে পিচ্চি রাজা, আবুল বাশার ওরফে কানা বাশারের ছেলে তুহিন, মৃত জুম্মানের ছেলে শিপন, শহিদুল ইসলাম বাবু ওরফে মহুরি বাবুর ছেলে রকি, চাঁচড়া রায়পাড়া তুলোতলা এলাকার জিহাদ আলীর ছেলে বাবু ওরফে পলেথিন বাবু, রেলগেট চোরমারাদীঘির পাড় এলাকার ফারুক হোসেনের ছেলে কুদরত, ঢ্যাব পকেটমারের ছেলে সাগর, শাহ আলম পকেটমারের ছেলে শাওন ওরফে পটকে শাওন, চাঁচড়া ডালমিল এলাকার সুজন ব্যাপারীর ছেলে পায়েল, খড়কির আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে ইবাদুল, রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে দেলোয়ার, আব্দুল খালেকের ছেলে শুকুর আলী, হাফিজুর রহমানের ছেলে ইয়াছিন, জালাল ম-ল ওরফে টাক জালালের ছেলে আশিকুর রহমান বাবু, আবুল হোসেন ওরফে হিজড়ে আবুল হোসেনের ছেলে রতন হোসেন, মোটা শাহিনের ছেলে মেহেদী হাসান শুভ, বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার কানা বাবুর ছেলে সুমন ওরফে ট্যাটু সুমন, শংকরপুর আশ্রম রোড মহিলা মাদ্রাসার পেছন এলাকার মোহাম্মদ আলী ওরফে আলীর ছেলে মেহেদী, সদর উপজেলার কৃষ্ণবাটি পুলেরহাট এলাকার মৃত মনির শেখের ছেলে হেলাল ও বেলাল এবং মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে ভাগ্নে হৃদয়।
পুলিশি তদন্ত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত রমজান ছিলেন রেলগেট পশ্চিম পাড়ার ফায়েক শেখের ছেলে। তিনি বিস্ফোরকসহ ৩২ মামলার আসামি ছেলেন। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আসামিদের সাথে তার দ্বন্দ্ব চলে আসছিলো। এছাড়া আসামি পিচ্চি রাজার স্ত্রীকে এবং তুহিনের পিতা কানা বাশারকে পুলিশ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করায় এ জন্য সন্দেহ করা হয় রমজানকে। এরই জের ধরে গত ৮ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে রেলগেট পশ্চিম পাড়া কলাবাগান এলাকায় শ্বশুরবাড়ির সামনে রমজানকে পেয়ে আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। এ ঘটনায় নিহতের মা রেখা খাতুন ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৭/৮ জনকে আসামি করে কোতয়ালি থানায় মামলা করেন। মামলা তদন্তকালে পুলিশ হত্যার সাথে জড়িত হিসেবে আরও ৮ জনের সম্পৃক্ত থাকার প্রমাণ পায়। এই ৮ জন হলেন, আশিকুর রহমান বাবু, রতন হোসেন, শিপন, বেলাল, হেলাল, ভাগ্নে হৃদয়, মেহেদী হাসান শুভ ও রকি। বাকী ১৩ জন মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এরপর মামলার তদন্ত শেষে গত ৬ অক্টোবর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন এসআই মো. এসআই কামাল হোসেন।