কার পাস জটিলতায় বেনাপোল দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ

0
ছবি: সংগৃহীত।

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা ॥ বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরে কার পাস জটিলতায় ভারত -বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেটে কার পাস না করার কারণে শনিবার থেকে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। আমদানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে শ’শ পণ্যবাহী ট্রাক। যার অধিকাংশই বাংলাদেশের শতভাগ রপ্তানিমুখি গার্মেন্টস শিল্পের কাচামাল।

শনিবার সকাল থেকে সিএন্ডএফ এজেন্টের সদস্যরা আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছেন। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান, বহুদিন ধরে আমরা কোন অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাকের কার পাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহণ করে আসছি।

শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ নির্দেশনা জারি করেন, স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহণ করতে হবে। ওই ট্রাকে কোন অবৈধ মালামাল থাকলে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নেবেনা।

ছবি: সংগৃহীত।

এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিএন্ডএফের পক্ষ থেকে আমরা কোন গেট পাস ইস্যু করছি না। যার কারণে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, ভারতীয় ব্যাবসায়ীরা বাংলাদেশে মালামাল রপ্তানি করেন। তারাই ভালো জানেন, পণ্যের ভেতর কী আছে? ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা পথে কোন অবৈধ মালামাল তুললে তার দায়ভার কোন সিএন্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফ নিতে পানেন না। কাস্টমসের এ ধরনের সিদ্ধান্তের কারণে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, কার পাস জটিলতার কারণে শনিবার থেকে বেনাপোল – পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রযেছে। তবে রপ্তানি ও চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারপার স্বাভাবিক রয়েছে।