শিশুর সুন্নতে খাতনা করতে গিয়ে লিঙ্গ কাটার অভিযোগ

ভুয়া চিকিৎসকের কাণ্ড

0
ছবি: লোকসমাজ।

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক কর্মী ও তথাকথিত ‘হাজাম’ ওসমানের বিরুদ্ধে তিন বছর বয়সী এক শিশুর সুন্নতে খাতনা (মুসলমানি) করতে গিয়ে পুরুষাঙ্গের অংশবিশেষ কেটে ফেলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিশু আবু মুছা সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামের মোস্তাকিনের ছেলে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ১ হাজার ৫০০ টাকার চুক্তিতে শুক্রবার দুপুরে হামিদপুর গ্রামে গিয়ে মুছার সুন্নতে খাতনা করান ওসমান। এর আগে নিজেকে অভিজ্ঞ দাবি করে সে ২৪৫টি সুন্নতে খাতনা করিয়েছে বলে জানায়।

ছবি: লোকসমাজ।

প্রক্রিয়া চলাকালে অসাবধানতাবশত শিশুটির পুরুষাঙ্গের অংশ কেটে ফেলা হয়। রক্তপাত শুরু হলে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ও পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটি বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন।

এদিকে গতকালও হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে অভিযুক্ত ওসমান কর্মরত ছিলেন। মুখে মাস্ক কাজ করছিলেন তিনি। খৎনার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে জানান, ঘটনার সময় তার সঙ্গে মুন্না নামের আরেকজন জড়িত ছিলেন।

হাসপাতালের অন্য কর্মচারীরা জানান, ট্রলিবয় হিসেবে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবক ওসমানের বিরুদ্ধে ওষুধ চুরি, রোগীর মালামাল চুরি সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এর আগেও সে হাসপাতালে ওষুধ চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল। কোনো প্রশিক্ষণ বা যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও অসৎ উপায়ে অস্ত্রোপচারের মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ চালিয়ে আসছিল সে।