রোগীদের ভোগান্তি

0

স্টাফ রিপোর্টার॥ ডাক্তারের বিড়ম্বনায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীরা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। শুধু ভোগান্তি নয়, করোনার এই লকডাউনের মধ্যে কিভাবে বাড়ি পৌঁছাবে সেই দুশ্চিন্তার মধ্যেও তারা গতকাল সোমবার যশোর শহরের ল্যাবএইড হসপিটাল এন্ড মেডিকেল সার্ভিসেস নামক একটি কিনিকে আসা রোগীরা এই বিপাকে পড়েন। ওই কিনিকের মালিক ও যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালের সাবেক সিনিয়র কনসালটেন্ট মোসলেম উদ্দিন নিজেই রোগী দেখেন। ভুক্তভোগীরা জানান, তিনি প্রতিদিন দুপুর আড়াইটার পর থেকে রোগী দেখা শুরু করেন এবং ছয়টা থেকে রিপোর্ট দেখেন। সেই অনুযায়ী গতকালও অনেক দূর-দূরান্ত থেকে রোগী ও তাদের স্বজনরা আসেন। কিন্তু এদিন তিনি দুপুর আড়াইটার পর থেকে রোগী দেখা শুরু না করে বিকাল চারটারও অধিক সময় পর রোগী দেখা শুরু করেন। একই সাথে ছয়টার সময় পরীক্ষার রিপোর্ট দেখার কথা থাকলেও তা দেখেন রাত ৮টার কিছু সময় পর। ডাক্তারের এই গড়িমসির কারণে তারা এই বিপকে পড়েন। অনেক নতুন রোগী ডাক্তার দেখানোর পর পরীক্ষার রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন, আবার অনেক রোগীরা শুধুমাত্র রিপোর্ট দেখাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন। শুধু বিপাক নয়, মারাত্মক দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়ে যান তারা। এই অবস্থার মধ্যে কিভাবে বাড়ি পৌঁছাবেন তারা। কথা হয় খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর থেকে আসা হামিদা বেগমের সাথে। তিনি জানান, সাড়ে চারটার পর ডাক্তার দেখানোর পর রাত ৮টা পর্যন্ত রিপোর্ট দেখানোর জন্য দাঁড়িয়ে আছি। রিপোর্ট দেখিয়ে কিভাবে বাড়ি ফিরবো। বাড়ি ফিরতে না পারলে কোথায় থাকবো আমি সেই দুশ্চিন্তার মধ্যে। একই কথা বলেন, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর থেকে আসা সাইদুর রহমান।
অপরদিকে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলা থেকে আসা মুক্তাদির হোসেন বলেন, আমি শুধুমাত্র রিপোর্ট দেখাতে এসেছি। ছয়টার পরিবর্তে রাত ৮টা বাজার পরও আমি রিপোর্ট দেখাতে পারলাম না। এরপর রিপোর্ট দেখিয়ে আমি কখন কিভাবে বাড়ি ফিরবো। এ বিষয়ে কিনিকের মালিক ডাক্তার মোসলেম উদ্দিন বলেন, দিনের দিন রোগী দেখার পর রিপোর্ট দেখালে এমন সমস্যা হয়। একদিন পরে দেখালে এমন সমস্যা হয় না।