রামপালের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত

0

এমএ সবুর রানা, রামপাল (বাগেরহাট)॥ যেদিকে চোখ যায় শুধু পানি আর পানি। বাড়িতে পানি, কৃষি জমিতে পানি, মসজিদে পানি। কিন্তু নেই সুপেয় পানি। এখানকার অসংখ্য নারী-শিশু-বৃদ্ধ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কোথাও শুকনো জায়গার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে স্যানিটেশন ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। যাতায়াতের রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। পুটিমারী নদীর ওপর নির্মিত চলাচলের একমাত্র বাঁশের সাঁকোটিও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। যে কোন সময় তা ভেঙে পড়ে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। ওই সাঁকো পার হয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের যেতে হয় স্কুলে। উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের বর্ণি, গৌরম্ভা, শ্রীরম্ভা, মুড়লিয়া ও ছায়রাবাদের ৫ টি মৌজার প্রায় আড়াই হাজার একর জমি পানির নিচে। দুই হাজার ঘের মালিকের কয়েক কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে।
ভুক্তভোগী মো. হাসান মল্লিক, সাবেক মেম্বার গোলাম মোস্তফা হাওলাদার, আবুল হাসান ফকির, আবুল খায়ের, রিয়াজ ও আরফিন গাজী জানান, ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙে গৌরম্ভার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। সরকারি কোন সহযোগিতা ছাড়াই গ্রামবাসী বেড়িবাঁধ মেরামত করে গ্রাম ও ঘের রক্ষার চেষ্টা করেন। এভাবে প্রতি ১৫/২০ দিন অন্তর বেড়িবাঁধ ভাঙে আর প্লাবিত হতে থাকে এলাকা। কোন অবস্থায় বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি রোধ করা যাচ্ছে না।
গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান মো. রাজিব সরদারের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা বলেন, আমি মঙ্গলবারই লোক পাঠাবো। তারা সরোজমিনে গিয়ে দেখবেন। আমিও যাবো। সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।