যশোরে বিএনপি সমাবেশে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত : শহীদ জিয়ার একজন কর্মী বেঁচে থাকতেতার খেতাব বাতিল করা যাবে না

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন কর্মী বেঁচে থাকতে তার খেতাব বাতিল করা যাবে না। জনতার জিয়ার ১৬ কেটি জনতার হৃদয়ে গ্রথিত হয়ে আছে। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন তিনি ভাস্বর হয়ে থাকবেন তার কৃতিত্বের মাঝে। আর যতই তার বীরউত্তম খেতাব বাতিলের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র হোক, জনগণ তা প্রতিহত করবেই।
গতকাল বুধবার স্বৈরাচারি শাসন, মাফিয়াতন্ত্রের অবসান এবং মহান স্বাধীনতার ঘোষক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বীরউত্তম খেতাব বাতিলের সরকারি ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আরও বলেন, স্বাধীনতার আগেও এদেশের জনগণ স্বৈরতন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ সে সেটি প্রত্যক্ষ করেছে। আর এখন স্বাধীন দেশের জনগণ, স্বৈরতন্ত্র, ফ্যাসিবাদের সাথে মাফিয়াতন্ত্র প্রত্যক্ষ করছে। তারাই স্বাধীনতার মহান ঘোষক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্র করবে এটি তাদের কাছে খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু আজকের বাংলাদেশে তাদের বিগত ১৪ থেকে ১৫ বছরের সকল অপকর্ম দিনের আলোর মত পরিস্কার। বিগত ১৪/১৫ বছর পুলিশের সীমাহীন তান্ডবের মধ্যেও বিএনপি রাজপথ ছেড়ে যায়নি। তারা হাজারো নেতা-কর্মীর রক্তের পিচ্ছিল অতিক্রম করে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই সংগ্রাম করছেন। জনগণের এই সকল অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে তারা আত্মত্যাগ করতে প্রস্তুত আছেন। আজকে সারাদেশে এই স্বৈরতন্ত্র ও মাফিয়াতন্ত্রের বিরুদ্ধে যে প্রতিরোধের বলয় তৈরি হয়েছে তাতে তাদের সুরক্ষা দেয়ার মত কেউ থাকবে না। বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, এই ফ্যাসিবাদী, কর্তৃত্ববাদী সরকার দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বকে বিসর্জন দিতেও দ্বিধা করে না। তারা স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের ষড়যন্ত্র করার মধ্য দিয়ে যে দুঃসাহস ও ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, জনগণ তার সমুচিত জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আব্দুস সালাম আজাদ, নগর বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র পদপ্রার্থী মারুফুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূর-উন-নবী, জেলা মহিলা দলের সহ-সভানেত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌসী বেগম, জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি আমিনুর রহমান মধু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মাসুম।