জাতীয় গ্রিডে আজ যুক্ত হচ্ছে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

0
তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে দৈনিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বিজিএফসিএলের আরও একাধিক কূপের কাজ শেষ হলে গ্রিডে নতুন করে সর্বমোট ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যোগ হতে পারে।। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যমান গ্যাস সংকট কাটিয়ে উঠতে দেশীয় উৎস থেকে উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়াতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির (বিজিএফসিএল) আওতাধীন তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আজ শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হচ্ছে। এটি থেকে দৈনিক ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে।

বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ উপস্থিত থেকে কূপটির উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। উদ্বোধনের পর পরই এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সঞ্চালিত হবে।

এর পাশাপাশি তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকেও গ্যাস উত্তোলনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে চলছে। গত ১৯ এপ্রিল শুরু হওয়া তিতাস-৩১ কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে প্রায় চার হাজার ৯২০ মিটার গভীরে পৌঁছেছে। ভূতাত্ত্বিক জটিলতা তৈরি না হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হতে পারে, যা সফল হলে এখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।

অন্য দুটি কূপের মধ্যে তিতাস-২৯ এর মূল খননকাজ শেষ করে এখন লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ পরিচালিত হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এটি উৎপাদনে এলে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে। অপরদিকে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস-৩০ কূপের কাজ শেষ হলে সেখান থেকেও সমপরিমাণ গ্যাস পাওয়ার আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

তিতাস-৩১ এর কাজ শেষ হওয়ার পরপরই বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে বিজিএফসিএলের। সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মিলতে পারে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, এই পাঁচটি কূপ সফলভাবে চালু হলে জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন সর্বমোট ৬৭ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হবে।