যশোরে আল আমিন হত্যা মামলা: পিবিআইয়ের হাতে আটক আসামি গোলাম রসুল কারাগারে

0
যশোরের চাঞ্চল্যকর স্বর্ণ কারিগর আল আমিন হত্যা মামলায় গোপালগঞ্জ থেকে গোলাম রসুল নামে আরও এক আসামিকে আটক করেছে পিবিআই। আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।। ছবি: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোরের চাঞ্চল্যকর আল আমিন ওরফে ‘পেরেক আল আমিন’ হত্যা মামলায় এবার পিবিআইয়ের হাতে গোলাম রসুল নামে আরও এক আসামি আটক হয়েছে। আটক গোলাম রসুল বারান্দীপাড়া এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে। গত মঙ্গলবার রাতে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানি উপজেলার কুইশুর গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়।

বুধবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে র‌্যাবের হাতে এ মামলার সন্দেহভাজন আরও দুই আসামি আটক হয়। তারা হলেন,  ব্লাক আল আমিন ও সৌরভ। সর্বশেষ গোলাম রসুলকে আটক করে পিবিআই।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, যশোর শহরের পূর্ব বারান্দী মালোপাড়া লিচুতলা এলাকার বাসিন্দা স্বর্ণের কারিগর আল আমিন ওরফে পেরেক আল আমিনের শহরের চৌরাস্তা মোড়ের স্বর্ণপট্টিতে একটি দোকান রয়েছে। প্রতিদিনের মতো গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাসা থেকে দোকানের উদ্দেশ্যে বের হন।

পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তার মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। তাকে জানানো হয়, এক ব্যক্তি অসুস্থ হয়েছেন, তাকে হাসপাতালে নিতে হবে। এরপর তিনি দোকান থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তার মা আয়শা বেগম জানতে পারেন, কে বা কারা আল আমিনকে হত্যা করে বারান্দীপাড়া লিচুতলা এলাকায় ফেলে গেছে। খবর পেয়ে তিনি লিচুতলা মাদরাসার পেছনে বাবুর মেহগনি বাগানে গিয়ে ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।

পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ২০ আগস্ট রাতে নিহতের মা আয়শা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাসুদ জানান, আটকের পর গোলাম রসুল হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় তিনি আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।