যমেকে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ফেরদৌস ও সম্পাদক নাজমুল

0

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যশোর মেডিকেল কলেজ শিক্ষক সমিতি(যমেকশিস)’র কার্যনির্বাহী কমিটির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে শিশু বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. আহমদ ফেরদৌস জাহাঙ্গীর সুমন সভাপতি এবং ও ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম নাজমুল হক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

আহমদ ফেরদৌস জাহাঙ্গীর সুমন ৪২ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সহযোগী অধ্যাপক ডা. মো. শরিফুল আলম খান পান ৪০ ভোট। ডা. এস এম নাজমুল হক ৪৩ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সাইদুর রহমান পান ৩৯ ভোট। সহভাপতির ২টি পদে ডা. এবিএম দেলোয়ার হোসেন ও ডা. মো. আযম সাকলায়েন নির্বাচিত হন। এ দু’প্রার্থী সমানসংখ্যক ভোট(৫৬) পেয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. মো. রবিউল ইসলাম ২৮ ভোট ও ডা. মো. আনছার আলী ২৩ ভোট পেয়েছেন।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে ডা. আলাউদ্দীন আল মামুন ৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মো. শরীফুজ্জামান রন্জু পেয়েছেন ৩৩ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ডা. মোসা. নার্গিস আক্তার ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. স,ম মঈনুল হক পেয়েছেন ২৭ ভোট। কোষাধ্যক্ষ পদে ডা. তারক নাথ ৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডা. শেখ মোহাম্মদ আলী পেয়েছেন ৪০ ভোট। দপ্তর সম্পাদক পদে ডা. সাইদুজ্জামান ৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. এস এম মাশফিকুর রহমান পেয়েছেন ২৬ ভোট।

বিজ্ঞান ও গবেষণা সম্পাদক পদে ডা. এ এস গাজী শরিফ উদ্দীন আহমেদ ৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন ৩৫ ভোট। সংস্কৃতি ও আপ্যায়ন সম্পাদক ডা. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. হুমায়রা আশরাফী পেয়েছেন ৩৫ ভোট। কার্যকরী সদস্যের ১০টি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মো. আনিসুর রহমান (৪৭ ভোট), ডা. মো. আব্দুর রহিম মোড়ল (৫৪ ভোট), ডা. মো. আবুল হাসান (৫৫ ভোট), ডা. এস এম আবু সাঈদ (৫৮ ভোট), ড. রেবেকা সুলতানা(দীপা) (৪৫ ভোট), ডা. খন্দকার রফিকুজ্জামান(৪৪ ভোট), ডা. মো. নূর কুতুবুল আলম (৬১ ভোট), ডা. বাবলু কিশোর (৫৬ ভোট), ডা. মো. মনির হাসান (৪৭ ভোট), ডা. সৈয়দা সাবরিনা ইয়াসমিন (৪৭ ভোট)।
সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, ৫ আগস্টের পরর্বতী সময়ে এই প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছে। এর আগে কখনো নির্বাচন হয়নি। তখন শিক্ষক সমিতির প্রতিনিধি মনোনিত হতো। এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৮৫ জন।

সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মো. নুরকুতুবুল আলম (এন.কে আলম) কমিশননের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস এম শফিকুর রহমান ও সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. ইউনুচ হোসেন ও ডাঃ আমিনুর রহমান শিমুল নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করেন।