যশোরে পুলিশ কর্মকর্তাদের শিশু যৌন শোষণ তদন্ত ও শিশু-বান্ধব আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ

শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত, ট্রমা-সংবেদনশীল আচরণ এবং শিশু-বান্ধব আদালত পদ্ধতি নিয়ে প্রশিক্ষণে অংশ নেন জেলার বিভিন্ন থানার ২০ জন কর্মকর্তা।

0
যশোরে পুলিশ কর্মকর্তাদের শিশু যৌন শোষণ তদন্ত ও শিশু-বান্ধব আদালত বিষয়ক প্রশিক্ষণ

স্টাফ রিপোর্টার, লোকসমাজ: শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের ঘটনা তদন্ত, ভুক্তভোগী শিশুর ট্রমা ও মানসিক অবস্থা সম্পর্কে সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি এবং শিশু-বান্ধব আদালত কার্যক্রম নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যশোরে আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তাদের জন্য একদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে ‘চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন (SEC) তদন্ত, ট্রমাটাইজেশন ও ভিকটিমহুড এবং শিশু-বান্ধব আদালত পদ্ধতি’ বিষয়ক এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। ফ্রি অ্যা গার্ল নেদারল্যান্ডস ও জিম্যানের সহযোগিতায় এবং অ্যাসোসিয়েশন ফর কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট (এএসিডি)-এর বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. মিরাজুল ইসলাম, পিপিএম-সেবা। তিনি এএসিডির প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর এস. এম. আহসান উল্লাহ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। এ সময় এএসিডির এরিয়া ম্যানেজার মো. হুমায়ন কবির উপস্থিত ছিলেন।

প্রশিক্ষণে যশোর জেলার বিভিন্ন থানার নারী ও শিশু বিষয়ক হেল্প ডেস্কের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ ২০ জন পুলিশ কর্মকর্তা অংশ নেন। এতে শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের ঘটনা শনাক্তকরণ ও তদন্ত, ভুক্তভোগী শিশুর প্রতি সংবেদনশীল আচরণ, সাক্ষ্য গ্রহণ, প্রমাণ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ, গোপনীয়তা রক্ষা এবং শিশু-বান্ধব আদালত পরিচালনা বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, শিশু যৌন শোষণ ও নির্যাতনের ঘটনায় তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে শিশুর নিরাপত্তা, মর্যাদা, গোপনীয়তা ও সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিশুকে পুনরায় মানসিক আঘাত থেকে রক্ষা করতে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রশিক্ষণটি শিশু সুরক্ষা ও শিশুবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।